a আজ ঢাকায় শক্তিশালী কালবৈশাখীর ঝড় আঘাত হানতে পারে
ঢাকা শুক্রবার, ২০ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ এপ্রিল, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

আজ ঢাকায় শক্তিশালী কালবৈশাখীর ঝড় আঘাত হানতে পারে


আবহাওয়া ডেস্ক:
রবিবার, ০২ মে, ২০২১, ০৫:৪৮
আজ ঢাকায় শক্তিশালী কালবৈশাখীর ঝড় আঘাত হানতে পারে

ফাইল ছবি

 

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আজ রবিবার সন্ধ্যার দিকে ঢাকায় শক্তিশালী কালবৈশাখীর ঝড় আঘাত হানতে পারে। আজ রবিবার দুপুর সোয়া ২টার দিকে সারাদেশের আবহাওয়া পরিস্থিতি জানাতে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. শাহিন গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানান।

এদিকে, দুপুর থেকে দেশের পশ্চিমাঞ্চলে কালবৈশাখী ঝড় বয়ে যাচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে। জানা গেছে, বর্তমানে ময়মনসিংহ বিভাগসহ খাগড়াছড়ি, কিশোরগঞ্জ ও আশপাশের এলাকায় কালবৈশাখী ঝড় বয়ে যাচ্ছে। 

পরবর্তীতে ঝড়টি যশোর, কুষ্টিয়া অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এরপর সন্ধ্যার দিকে ঝড়টি ঢাকার দিকে প্রবাহিত হতে পারে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

পাকিস্তান, ভারত ও আফগানিস্তানে ৬.৬ মাত্রার ভূমিকম্প


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ২২ মার্চ, ২০২৩, ০৮:৫৯
পাকিস্তান ভারত ও আফগানিস্তানে ৬ দশমিক ৬ মাত্রার ভূমিকম্প

সংগৃহীত ছবি

শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল পাকিস্তান, ভারত ও আফগানিস্তান। এতে পাকিস্তানে অন্তত দুইজন নিহত হয়েছে। আর আহত হয়েছে কয়েক শতাধিক লোক। এছাড়া বেশ কয়েকটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে আফগানিস্তানে ক্ষয়ক্ষতি আরো বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, যা একনো নিরুপন করা সম্ভব হয়নি। ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে জানিয়েছে, ভয়াবহ ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৬.৬।

মঙ্গলবার (২১ মার্চের) রাতের ভূমিকম্পটির উৎসস্থল ছিল হিন্দুকুশ পর্বতমালার মাটির ১৮০ কিলোমিটার গভীরে। পাকিস্তানের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে এই দাবি করা হয়েছে।

আফগানিস্তানের পাশাপাশি তাজিকিস্তানেও ভূমিকম্পের ‘প্রভাব’ পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে পাকিস্তানে ভূপর্যবেক্ষণ সংস্থা। রাজধানী ইসলামাবাদসহ লাহোর, কোয়েটা, পেশোয়ারের মতো পাক শহরে বুধবার রাতে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। আতঙ্কিত হয়ে পড়েন শহরের নাগরিকেরা।

এদিকে উত্তর ভারতের বিভিন্ন জায়গাতেও ভূমিকম্প হয়। রাজধানী দিল্লি ও তার সংলগ্ন এলাকাসহ জম্মু-কাশ্মির, রাজস্থান, হরিয়ানা, উত্তরাখণ্ড, হিমাচল প্রদেশের বিভিন্ন জেলাতেও কম্পন অনুভূত হয়। দিল্লি এবং আশপাশের এলাকায় কম্পন স্থায়ী হয়েছিল ৪০-৫০ সেকেন্ড।  বিশেজ্ঞদের মতে, পরবর্তীতে হতাহতের সংখ্যা অনেক বাড়তে পারে। সূত্র : আল জাজিরা।

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

একবার ১ জন করোনা রোগীকে দেখে যান, কষ্ট সহ্য করার মতো না


স্বাস্থ্য ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ২৪ জুলাই, ২০২১, ১০:০১
একবার ১ জন করোনা রোগীকে দেখে যান, কষ্ট সহ্য করার মতো না

সংগৃহীত ছবি: লাইভে ডা. কৃষ্ণা মজুমদার রুপা

ফেসবুক লাইভে এসে করোনা রোগীদের মৃত্যুর যন্ত্রণার ভয়াবহ বর্ণনা দিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. কৃষ্ণা মজুমদার রুপা। বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টায় ফেসবুক লাইভে এসে এই চিকিৎসক বলেন, ‘একবার একজন করোনা রোগীর সঙ্গে এসে দেখা করে যান। আমি প্রায় শখানেক রোগী আজকে দেখেছি। কোনো স্বজনের চোখের দিকে তাকানো যাচ্ছে না। 

আপনারা এই জগৎ দেখেন নাই, কিন্তু কখনো দেখবেন না সেই গ্যারান্টি ওপরওয়ালা ছাড়া কেউ বলতে পারেন না। অত্যন্ত দুঃখ-ভারাক্রান্তভাবে বলছি, একেক জনের কষ্ট সহ্য করার মতো না। সর্বোচ্চ চিকিত্সা দেওয়া হচ্ছে, কিন্তু জানি না আজকের দিনটা বাঁচবেন কি না।’

বৃহস্পতিবার ঈদুল আজহার দ্বিতীয় দিন ৯২ জন রোগী দেখেছেন জানিয়ে ডা. কৃষ্ণা বলেন, ‘আগেও ডিউটি করেছি, কিন্তু রোগীদের অবস্থা এত শোচনীয় ছিল না। সবাই মৃত্যুর যন্ত্রণায় ভুগছেন। অক্সিজেনের অভাবে কত কষ্টে একজন মানুষ মারা যেতে পারে, সামনে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন। অক্সিজেন সাপ্লাই থাকার পরও নিতে পারছে না। কারণ, তাদের ফুসফুস অক্সিজেন নেওয়ার সক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে।’

পিপিই পরা অবস্থায় লাইভে এসে তিনি বলেন, ‘এই পোশাকে আমরা ডিউটি করি। দম বন্ধ অবস্থায় এই পোশাক পরে ডিউটি করতে হয়। যেখানে ডিউটি করি সেখানে এসি নেই। না থাকাটাই স্বাভাবিক। এই পোশাকে অক্সিজেন পাওয়া যায় না, চোখ ঝাপসা হয়ে আসে, অনেক কষ্ট, জীবনটা মনে হয় বের হয়ে যাচ্ছে। করোনার প্রথম থেকে আমরা যে সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছি, কোনো কিছুতেই সমাধান পাওয়া যাচ্ছে না।’

তিনি বলেন, ঈদের পরে করোনার ভয়াবহতা এমন করুণ পর্যায়ে পৌঁছাবে যে রোগীকে বিছানা দেওয়া সম্ভব হবে না। প্রত্যেককে অক্সিজেন দেওয়া আছে। কারো সেচুরেশন ৬৫, কারো ৭৫। ইয়াং বয়সের সবচেয়ে বেশি। গর্ভবতী মায়েদের কষ্টও দেখেছি। করজোড়ে অনুরোধ, এটাকে কেবল সরকার বা ফ্রন্টলাইনারদের যুদ্ধ ভাববেন না, এটা সবার যুদ্ধ। করোনাযুদ্ধ কবে শেষ হবে জানি না।

ডা. কৃষ্ণা মজুমদার আরো বলেন, এই আমি এতগুলো পজিটিভ রোগীর চিকিত্সা দিয়ে বাসায় যাব, তখন আমি কী করে পরিবারের সদস্যদের কাছে যাব। এই বাস্তবতা নিয়েই প্রত্যেক চিকিত্সক যার যার দায়িত্ব পালন করছেন। এর শেষ কোথায়? শেষ তখনই হবে যখন আপনারা সচেতন হবেন। সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘অনুরোধ, যুদ্ধটাকে শুধু সম্মুখ সারির যোদ্ধাদের ওপর চাপিয়ে না দিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। আপনারা হাসপাতালে ভর্তি না হলেই আমরা খুশি। যে অবস্থা দেখছি, হাসপাতালে এসেও রোগী আগামীতে আর ভর্তি হতে পারবে কি না, বলা যাচ্ছে না।’

সূত্র: ফেসবুক থেকে সংগৃহীত

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ