a জামালপুর সরিষাবাড়ীতে পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে হামলায় ৬ পুলিশ আহত
ঢাকা শনিবার, ২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৫ এপ্রিল, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

জামালপুর সরিষাবাড়ীতে পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে হামলায় ৬ পুলিশ আহত


মাসুম, জামালপুর প্রতিনিধি:
শুক্রবার, ০৭ জানুয়ারী, ২০২২, ০৬:৪৪
জামালপুর সরিষাবাড়ীতে পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে হামলায় ৬ পুলিশ আহত

ফাইল ছবি

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার রোধে পুলিশ এগিয়ে গেলে উচ্ছৃংখল ব্যক্তিরা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে হামলা চালিয়ে ৬ জন পুলিশ সদস্যকে আহত করে। শুক্রবার তারাকান্দি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে এই হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দুইজনকে আটক করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানের বিরুদ্ধে তার স্ত্রী বৃহস্পতিবার ধানমন্ডি থানায় জিডি করেন। এ ঘটনায় সরিষাবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিকের লোকজন ওইদিন রাতভর তারাকান্দি যমুনা সার কারখানা এলাকায় আতশবাজি করে। শুক্রবার সকালে ওই এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করতে তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মহড়া দেয়। পুলিশ এতে বাধা দিলে তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

এ সময় পুলিশ পোগলদিঘা ইউনিয়নের পাখিমারা গ্রামের মো. আব্দুল মজিদের ছেলে মো. বিদ্যুৎ হোসেন (২০) ও কান্দারপাড়া গ্রামের দানেশ মণ্ডলের ছেলে মোর্শেদকে (৪০) আটক করে। এতে লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে তারাকান্দি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে হামলা চালায়। এ সময় তদন্ত কেন্দ্রের প্রধান ফটক বন্ধ করে দিলে দেয়ালের উপর দিয়ে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করলে তারাকান্দি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আব্দুল লতিফ, এসআই শফিউল আলম সোহাগ, এসআই সুলতান মাহমুদ, এএসআই মেহেদী হাসান, কনস্টেবল খোকনুজ্জামান ও সোলায়মান আহত হন।

তারাকান্দি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আব্দুল লতিফ জানান, একাধিক মামলার আসামি মোর্শেদের নেতৃত্বে ৬০ থেকে ৭০ জন লোক সকাল থেকে কারখানা এলাকায় দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মহড়া দেওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। এতে তারা পুলিশের ওপর চড়াও হয়। মোর্শেদকে আটক করা হলে তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে আমিসহ কয়েকজন পুলিশ আহত হয়। এই ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষে জামালপুরে চালকসহ নিহত ৩


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
রবিবার, ০৯ এপ্রিল, ২০২৩, ১০:৩১
ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষে জামালপুরে চালকসহ নিহত ৩

ফাইল ছবি

জামালপুরের মেলান্দহে ট্রাক ও পিকআপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে পিকআপের চালকসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। আজ রবিবার ভোরে জামালপুর-দেওয়ানগঞ্জ সড়কের মালঞ্চ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মেলান্দহ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘আজ ভোরে মালঞ্চ এলাকায় ট্রাকের সঙ্গে পিকআপের সংঘর্ষ হয়। এতে তিনজন নিহত হয়েছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখন পর্যন্ত নিহতদের নাম পরিচয় জানা যায়নি। নিহতদের মধ্যে পিকআপটির চালক রয়েছেন। তাদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করা হচ্ছে।’ ওসি জানান, মরদেহগুলো উদ্ধার করে মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে। তাছাড়া ট্রাক ও পিকআপ পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

জানা যায়, পিকআপটি ময়মনসিংহ থেকে দেওয়ানগঞ্জের দিকে যাচ্ছিল আর ট্রাকটি দেওয়ানগঞ্জ থেকে জামালপুরের দিকে যাচ্ছিল। পরে গাড়ি দুটি জামালপুর-দেওয়ানগঞ্জ সড়কের মালঞ্চ এলাকায় এলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজনের মৃত্যু হয়। আরেকজনকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে নিলে কর্ত্যবরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

বাখমুতের ৭৫ ভাগ এখন রাশিয়ার দখলে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৩, ০২:৩৩
বাখমুতের ৭৫ ভাগ এখন রাশিয়ার দখলে

ফাইল ছবি

দোনবাস অঞ্চলের যুদ্ধবিধ্বস্ত বাখমুত শহর এখন ৭৫ ভাগ রুশ সেনাদের হাতে বলে জানান ওই অঞ্চলের প্রধান নেতা দেনিস পুশিলিন। সোমবার রাশিয়ার পক্ষ থেকে নিয়োগ করা দোনবাস অঞ্চলের প্রধান নেতা এই দাবি করেছেন।

গত কয়েক মাস ধরে বাখমুত শহর ছিল রাশিয়ার সেনাদের হামলার প্রধান লক্ষ্যবস্তু। এই শহরের ওপর রাশিয়া ব্যাপকভাবে হামলা চালিয়ে শহরটি দখলের চেষ্টা করলেও তাতে পুরোপুরি সফল হতে পারেনি তারা। দীর্ঘদিন ধরে ইউক্রেনের সেনারা এ শহরের মধ্যে অবরুদ্ধ অবস্থায় প্রতিরোধ চালিয়ে যাচ্ছিল। শহরটির বেশিরভাগ অধিবাসী এরইমধ্যে অন্যত্রে চলে গেছে।

বর্তমানে বাখমুত শহরের যুদ্ধ-বিধ্বস্ত অংশবিশেষ সফরের পর পুশিলিন রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেল রসিয়া-২৪কে এসব কথা বলেন। তবে তিনি সতর্কবার্তা উচ্চারণ করে বলেন, এই শহরের পূর্ণাঙ্গ পতনের বিষয়ে এখনই কোনো কথা বলা যাবে না।

২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত গণভোটের মাধ্যমে রাশিয়া দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, খেরসন ও জাপোরিঝিয়া অঞ্চলকে নিজের ভূখণ্ডের সঙ্গে একীভূত করে। কিন্তু এখন পর্যন্ত এসব অঞ্চলের বেশিরভাগ এলাকা ইউক্রেনের দখলে রয়েছে। সেক্ষেত্রে বাখমুত শহর দখল করা রাশিয়ার জন্য এখন বেশ জরুরি হয়ে পড়েছে। শহরটি দখল করতে পারলে রুশ সেনাদের মনোবল অনেক বেড়ে যাবে এবং তাদের সামনে এগিয়ে যাওয়া সহজ হবে।

অন্যদিকে কৌশলগত দিক দিয়ে খুব গুরুত্বপূর্ণ না হলেও বাখমুত শহরের সম্ভাব্য পতনকে ইউক্রেন তাদের জন্য বড় রকমের আঘাত বলে বিবেচনা করছে সব পক্ষ। সূত্র: সিএনএন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

সর্বশেষ - সারাদেশ