a জোড়া মাথার সেই মনি-মুক্তার বয়স এখন ১৩ বছর
ঢাকা শুক্রবার, ২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ এপ্রিল, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

জোড়া মাথার সেই মনি-মুক্তার বয়স এখন ১৩ বছর


এম.এস প্রতিদিন ডেস্ক:
সোমবার, ২৩ আগষ্ট, ২০২১, ১১:৩৬
জোড়া মাথার সেই মনি-মুক্তার বয়স এখন ১৩ বছর

ফাইল ছবি

জোড়া মাথা নিয়ে জন্ম নেওয়া মনি মুক্তার বয়স এখন ১৩ বছর। দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামে বেড়ে ওঠা মনি-মুক্তা। তারা দুজনে স্থানীয় ঝাড়বাড়ি দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে। জোড়া থেকে আলাদা হওয়া সেই মনি-মুক্তা ভালো আছে। গতকাল রবিবার (২২ আগস্ট) নিজ বাড়িতে মনি-মুক্তার ১৩তম জন্মদিন পালন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

২০১০ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকা শিশু হাসপাতালে শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. এ আর খানের সফল অপারেশনের মাধ্যমে মনি-মুক্তার জোড়া মাথা আলাদা করা হয়। বাংলাদেশের চিকিৎসাসেবায় সৃষ্টি হয় এক নতুন ইতিহাস। প্রতি বছর বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও মনি-মুক্তার বন্ধুবান্ধবসহ প্রতিবেশী এবং গণমাধ্যম কর্মীদের উপস্থিতিতে কেক কেটে জন্মবার্ষিকী পালন করা হলেও এবার করোনা পরিস্থিতির কারণে ঘরোয়া পরিবেশে জন্মদিন পালন করা হচ্ছে বলে জানান মনি-মুক্তার বাবা জয় প্রকাশ পাল।

তিনি জানান, মনি মুক্তা সুস্থ এবং ভালো আছে। লেখাপড়ার পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে নাচ শিখছে। উপজেলা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে বেশ সুনাম কুড়িয়েছে তারা। করোনার কারণে স্কুল বন্ধ থাকায় প্রতিবেশী শিশুদের সঙ্গে খেলা করে সময় কাটে তাদের। জন্মদিনে দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে মনি-মুক্তা বলে, আমরা চিকিৎসক হয়ে মানুষের সেবা করতে চাই। দেশবাসীর দোয়া এবং সহযোগিতা পেলে আমরা অবশ্যই আমাদের স্বপ্ন পূরণ করতে পারবো।

দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলার শতগ্রাম ইউনিয়নের পালপাড়া গ্রামের শরৎ চন্দ্র পালের ছেলে জয় প্রকাশ পাল। জয় প্রকাশ পালের স্ত্রী কৃষ্ণা রাণী পালের গর্ভে ২০০৯ সালের ২২শে আগস্ট পার্বতীপুর ল্যাম্ব হাসপাতালে সিজারিয়ান সেকশনে অস্ত্র পাচারের মাধ্যমে মনি এবং মুক্তা জোড়া লাগা অবস্থায় জন্ম নেয়। পরে রংপুরের চিকিৎসকগণ ঢাকা শিশু হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে যমজ বোনকে অস্ত্র পাচারের মাধ্যমে পৃথক করার পরামর্শ দেন। তাদের পরামর্শ ক্রমে ২০১০ সালের ৩০ জানুয়ারি ঢাকা শিশু হাসপাতালে মনি-মুক্তাকে ভর্তি করা হয়। ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকা শিশু হাসপাতালে শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. এ আর খানের সফল অপারেশনের মাধ্যমে মনি-মুক্তা আলাদা হয়। বাংলাদেশের চিকিৎসাসেবায় সৃষ্টি হয় এক নতুন ইতিহাস।

মনি-মুক্তার বাবা জয় প্রকাশ পাল জানান, সে সময় গ্রামের মানুষ এটাকে অভিশপ্ত জীবনের ফসল বলে প্রচার করতে থাকে। সমাজের নানা কুসংস্কারে প্রায় এক ঘরে হয়ে পড়ি। সমাজের নানা অপবাদে গ্রামে আসিনি। হতাশার মাঝে স্বপ্ন দেখি মনি-মুক্তাকে নিয়ে। বিভিন্ন চিকিৎসকের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে থাকি তাদের স্বাভাবিক জীবন ফিরে পাওয়ার জন্য। আমাদের স্বপ্ন বাস্তব হয় ডা. এ আর খানের কারণে। সেই মানুষটির কারণে আমাদের এই দুই সন্তানের নতুন করে বেঁচে থাকা।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com

তাড়াশে নোংরা পরিবেশে ঘোল তৈরি হচ্ছে


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল, ২০২১, ০৯:২৯
তাড়াশে নোংরা পরিবেশে ঘোল তৈরি হচ্ছে

ফাইল ছবি

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে বিএসটিআই অনুমোদন না নিয়ে ভুয়া লেবেল লাগিয়ে সম্পূর্ণ অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে ঘোল তৈরি করে বাজারজাত করা হচ্ছে। উপজেলার মাধাইনগর ইউনিয়নের প্রত্যন্ত মাধাইনগর গ্রামে ‘আমার দই ও সাইফুল ফুড’ নামে দুটি ফুড কোম্পানি দেখিয়ে লিটন ও রাব্বি নামে দুই যুবক নাম সর্বস্ব প্রতিদিন হাজারো লিটার ঘোল তেরি করছেন।

এদিকে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাশিদা আকতার গণমাধ্যমকে বলেন, যে কোনো খাদ্য সামগ্রী প্যাকেট ও বোতলজাত করতে হলে বিএসটিআই অনুমোদন অবশ্যই বাধ্যতামূলক। নয়তো এরকম অবৈধ পণ্য জনস্বাস্থ্যের জন্য খুবই বিপজ্জনক হতে পারে।

সরেজমিনে সোমবার দুপুরে দেখা গেছে, লিটনের বাড়িতে ঘোল তৈরির জন্য তিন কড়াইতে দুধ জ্বাল করা হচ্ছে। পাশেই একটি ঘরে গাদাগাদি বসে হাতের স্পর্শে তার পরিবারের সদস্যরা বোতলে ঘোল ভরছেন। এ কাজে তারা ব্যবহার করছেন না হ্যান্ড গ্লোভস। রাব্বির বাড়িতে দেখা গেছে, ৪টি খোলা ছসমেনে রাখা হয়েছে ঘোল। ঘোলের মধ্যে মাছি ও ময়লা পড়ে আছে। ছসমেনের সেই ঘোল তার মা ও বোন ময়লাযুক্ত কাপর দিয়ে ছেঁকে বোতলে ভরছেন।

লিটন ও রাব্বি’র দাবি, তারা স্বাস্থ্যকর পরিবেশেই ঘোল তৈরি করে তা বিক্রি বাজারে করছেন। কিন্তু দুজনেই স্বীকার করেন, বিএসটিআই অনুমোদনসহ প্রয়োজনীয় কাজপত্রের তাদের কোনটাই নেই। 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ভারতে করোনা টিকার বোতলে তরল প্যারাসিটামল!


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
রবিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২১, ১১:৪৩
ভারতে করোনা টিকার বোতলে তরল প্যারাসিটামল

ফাইল ছবি

এমনিতেই নাজুক অবস্থা ভারতের করোনা মহামারিতে। তার মধ্যে করোনা প্রতিষেধক রেমডিসিভির -এর খালি বোতলে তরল প্যারাসিটামল ভরে একটি চক্র তা ভ্যাকসিন হিসেবে বিক্রি শুরু করেছিল। যার প্রতিটি ভ্যাকসিনের দাম ৩৫ হাজার টাকা নেওয়া হচ্ছিল।

ভারতের সংবাদ মাধ্যম জিনিউজের বরাতে জানা যায়, রেমডিসিভির -এর খালি বোতলে তরল প্যারাসিটামল ভরে তা ভ্যাকসিন হিসেবে বিক্রি করা একটি চক্রকে ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের পুলিশ গ্রেফতার করেছে । 

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ ওই চক্রের একটি আস্তানায় অভিযান চালায় । প্রশান্ত গড়ক, শঙ্কর পিসে, দিলীপ গায়কোয়াড ও সন্দীপ গায়কোয়াড নামে ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
ওই চক্রের শিকড় কতদূর তা জানতে চারজনকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

মহারাষ্ট্রে করোনা সংক্রমণ ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করেছে। রাজ্যে করোনা টিকা দেওয়া শুরু হলেও প্রয়োজনের তুলনায় তা নিতান্তই কম। ফলে বেসরকারি ক্ষেত্রে টিকার চাহিদা ও দাম হুহু করে বাড়ছিল। মহারাষ্ট্রের বারামতি জেলার একটি চক্র সেই সুযোগটাই নিয়েছিল। পরে ক্রেতা সেজে পুলিশ অপরাধীদের গ্রেফতার করল।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

সর্বশেষ - সারাদেশ