a
ছবি:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
গত ১০ জুলাই পবিত্র ঈদুল আযহা পালিত হয় এবং যথাযথভাবে অন্যান্য বছরের ন্যায় সারাদেশের মতো ঢাকা সিটিতে পশু কুরবানি হয়। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এবছর অন্যান্য বছরের চেয়ে আগেই কুরবানি পশুর বর্জ্য অপসারণ করতে সক্ষম হয়।
ঢাকা উত্তরের চেয়ে দক্ষিণ একটু পিছিয়ে থাকলেও সরেজমিনে দেখা যায় ঈদের পর রাতের মধ্যেই সিটির প্রায় ময়লা-আবর্জনা অপসারিত হয়েছে।
তবে, সরেজমিনে দেখা যায়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি ৭ নং ওয়ার্ড কমিশনারের বাসার পার্শ্ববর্তী দুটি বিল্ডিং-এর কুরবানির গরুর বর্জ্য আজ ১৪ এপ্রিল বিকালের মধ্যেও অপসারিত করা হয়নি। সিটি কর্পোরেশনের নাম লেখা দুটি বস্তায় আবর্জনার দুর্গন্ধে আশে-পাশে কিছু অফিস ও দোকানপাটে বসে থাকা কষ্টসাথ্য হলেও দুই বিল্ডিং-এর দাড়োয়ান একে অপরের দোষারোপ ও উদ্ধত আচরণে বাসা-বাড়ির ময়লা নেয়া গাড়িও তা অপসারিত করতে রাজি হয়নি।
আমাদের প্রতিনিধি দুটি বাড়ির দাড়োয়ানকে জিজ্ঞাসা করলে তারা স্বীকার করেন তারা দু'জন দুটি বস্তায় কুরবানির বর্জ্য রেখেছে এবং সিটি কর্পোরেশনের গাড়ি আসলে তা নিয়ে যাবে বলে জানান। ঈদ ১০ তারিখে হয়েছে আজ ১৪ তারিখ এখনো কি সিটি কর্পোরেশেনে গাড়ি আসেনি বললে তারা সদু্ত্তর দিতে পারেনি। তবে তাদের একজন স্বীকার করেছে, কমিশনার সাহেব নাকি তাদের ময়লা সরিয়ে ফেলতে বলেছে।
দাড়োয়ানেদের সাথে কথা বলার সময়ে হঠাৎ বাসাবাড়ি থেকে ময়লা নেয়া গাড়ি দেখে দুই বাড়ির দাড়োয়ান আমাদের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে ময়লা গাড়িতে দিতে গেলে তারা নিতে রাজি হয়নি। তারা দাড়োয়ানকে বলছেন ঈদের দিন ও পরের দিন সিটি কর্পোরেশনের গাড়ি এসেছিল তারা কেন ময়লা দেয়নি? সুতরাং এতবড় বস্তা তাদের ছোট গাড়িতে (এসব গাড়ি শুধু বাসাবাড়ির ময়লা গ্রহণ করে) নেয়া সম্ভব নয়!
ঈদের ৪/৫ দিন অতিবাহিত হওয়ার পরও এসব কিছু কিছু জায়গায় কুরবানির বর্জ্য ও আবর্জনার স্তুপ রেখে দেয়ায় সিটি কর্পোরেশনের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।
সংগৃহীত ছবি
গত ২৬ মার্চ হাটহাজারীতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিবিরোধী বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত চট্টগ্রামের রাউজান পৌরসভার বেরুলিয়ায় এলাকার ওয়াহিদুল ইসলাম প্রকাশ রুমানের গ্রামের বাড়িতে যান হেফাজত নেতারা।
মঙ্গলবার সকালে আমীরে হেফাজত আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীর পক্ষ থেকে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদীর নেতৃত্বে হেফাজত নেতারা নিহত রুমানের বাড়িতে যান।
হেফাজত নেতারা নিহত রুমানের বাড়িতে পৌঁছে তার কবর জিয়ারত করে তার পিতামাতা ও ভাইয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং পরিবারের খোঁজ খবর নেন। হেফাজত নেতারা সেখানে নিহত রুমানের পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেন।
এ ব্যাপারে মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী গণমাধ্যমকে বলেন, শহীদের বাবা খুবই অসুস্থ, তিনি ঠিকভাবে চলাফেরা করতে পারেন না। তাদের নিজস্ব কোনো বাড়ি না থাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন। তাই তিনি শহীদের পরিবার ও আহতদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসার জন্য উলামায়ে কেরাম ও তৌহিদী মুসলমানদের প্রতি আহ্বান জানান।
নিহত রুমান রাউজান পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বেরুলিয়া এলাকার ডেপুটি বাড়ির সৈয়দুল হকের কনিষ্ঠ পুত্র। সে রাউজান পৌরসভার সুলতানপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ শ্রেণির ছাত্র ছিল।
করোনাকালে পড়ালেখা বন্ধ থাকায় সে তার অসচ্ছল পরিবারের জন্য সচ্ছলতা আনতে হাটহাজারী মাদ্রাসার সামনে জেলা পরিষদ মার্কেটের আল এহসান টেইলার্সে দর্জির কাজ করত।
ফাইল ছবি: মার্কিন উপসহকারী মন্ত্রী মিরা রেজনিক
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র নবম নিরাপত্তা সংলাপে অংশ নিতে ঢাকায় পৌঁছেছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের রাজনৈতিক সামরিকবিষয়ক ব্যুরোর উপসহকারী মন্ত্রী মিরা রেজনিক।
আজ সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) এক টুইট বার্তায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস।
টুইট বার্তায় বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক-সামরিক বিষয়ক ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মিরা রেজনিককে স্বাগতম। তিনি যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক নিরাপত্তা সংলাপের জন্য ঢাকায় এসেছেন।
এতে আরও বলা হয়, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলকে মুক্ত, অবারিত এবং শান্তিপূর্ণ রাখা নিয়ে একই ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশের। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল আঞ্চলিক উন্নয়ন, মানবাধিকার, নিরাপত্তা সহায়তা এবং সন্ত্রাসবাদ দমন নিয়ে আলোচনা হবে। সূত্র: ইত্তেফাক