a
ফাইল ফটো:মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা সোহরাব আলীর স্ত্রী ও সন্তানগণের ছবি
মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা সোহরাব আলীর স্ত্রী ও সন্তানরা হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা ও পৌর শহরের বাগুনিপাড়া গ্রামের বাসিন্ধা। জেলা প্রতিনিধি পাঠানো খবরে জানা যায়, মুক্তিযোদ্ধা সোহরাব আলীর পরিবারের প্রতিবেশী শাহ আ: মতিন গংদের অত্যাচার ও জুলুমে সোহরাব আলীর পরিবারের লোকজন বাড়ীঘরে বসবাস করতে পারছেননা। জীবন বাঁচাতে তারা পালিয়ে বেড়াচ্ছেন বলে জানা যায়। শাহ আব্দুল মতিন গং প্রতিবেশী মরহুম শাহ আরজু মিয়ার পুত্র ।
মুক্তিযোদ্ধা পরিবার নিজ গ্রামে স্বামীর ভিটায় বসবাস করার জন্য মুক্তিযোদ্ধা মরহুম সোহরাব আলীর স্ত্রী বাদী হয়ে মাননীয় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার হবিগঞ্জ বরাবরে প্রতিকার চেয়ে লিখিত আবেদন করেছেন।
বাদীনী তাঁহার আরজিতে ন্যায় বিচার ও জবরদখলকৃত ভূমি উদ্ধারের জন্যে সকল মহলের সাহা্য্য ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করছেন। উল্লেখ্য, গত ০৭/০৩/২০২১ ইং তারিখে জেলা পুলিশ সুপার এবং ১০/০৩/২০২১ ইং তারিখে মন্ত্রী মহোদয় বরাবরে দরখাস্ত করেছেন মুক্তিযোদ্ধা পরিবারটি।
ফাইল ছবি
সুশান্ত কুলু ৩০ বছর বয়সে এসে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার চরদোয়ানী ইউনিয়নের আমড়াতলা গ্রামের সদানন্দ কুলুর ছেলে বেলাল।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টায় পাথরঘাটা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে অ্যাডভোকেট আব্দুর রহমান জুয়েল ও অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন সোহাগের উপস্থিতিতে কালেমা পড়ান কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মাওলানা এইচএম গোলাম কিবরিয়া।
ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পূর্বে বেলালের নাম ছিল সুশান্ত কুলু। বেলাল জানান, ইসলাম ধর্মের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে নিজ ইচ্ছায় ও স্বেচ্ছায় আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে দুজন উকিলের উপস্থিতিতে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছি।
ইসলাম ধর্মের সব বিষয় যেন মেনে চলতে পারি সেজন্য সবার কাছে দোয়া চাই।
ফাইল ছবি
আমেরিকার পরমাণু বোমা বহনে সক্ষম একটি বি-৫২ বোমারু বিমানকে প্রশান্ত মহাসাগরের আকাশ থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে রাশিয়ার তিনটি এসইউ-৩৫ জঙ্গিবিমান।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, মার্কিন বোমারু বিমানটি প্রশান্ত মহাসাগরের আকাশ দিয়ে রাশিয়ার সীমান্ত ঘেঁষে যাচ্ছিল। খবর সিএনএন
রাশিয়ার রাডার ব্যবস্থায় মার্কিন বিমান ধরা পড়ে এবং তার পরই মার্কিন বিমানটিকে রুশ জঙ্গিবিমানগুলো বাধা দেয়।
এ সময় রুশ জঙ্গিবিমানগুলো মার্কিন বোমারু বিমানকে এস্কর্ট করে নিয়ে যায়। পরে রাশিয়ার এসব বিমান নিরাপদে ঘাঁটিতে ফিরে আসে।
রুশ মন্ত্রণালয় বিবৃতিতে জানায়, তাদের দেশের আকাশসীমা লঙ্ঘনের সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না।
রাশিয়ার সঙ্গে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আমেরিকার সম্পর্ক ক্রমেই উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মার্কিন সামরিক বাহিনীর বিভিন্ন বিমান রুশ সীমান্তে প্রায়ই চক্কর দিয়ে থাকে।