a হবিগঞ্জ জেলা সদরে রায়ধর, আলাপুরসহ অনেক রাস্তা যান চলাচলে অনুপযোগী
ঢাকা শুক্রবার, ২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ এপ্রিল, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

হবিগঞ্জ জেলা সদরে রায়ধর, আলাপুরসহ অনেক রাস্তা যান চলাচলে অনুপযোগী


কাজল,সিলেট প্রতিনিধি:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ২৮ জুলাই, ২০২১, ১১:৫০
হবিগঞ্জ জেলা সদরে রায়ধর, আলাপুরসহ অনেক রাস্তা যান চলাচলে অনুপযোগী

ছবিঃ মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জ জেলা সদর এর রায়ধর, আলাপুর, যাত্রাবড়বাড়ী, দীঘলবাক, নারায়নপুর এলাকার রাস্তাগুলো মানুষ ও যানবাহন চলাচলে অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে। রাস্তা সংস্কাকালে যদি যত্ন সহকারে কাজ করা হতো তাতে সরকারের টাকার অপচয়ও কম হতো।

অপরদিকে জনগণ চলাচলে এরকম দূর্ভোগ পোহাতে হতো না। হালকা কাজ, কোন রকম নিয়ম শৃংখলার তোয়াক্কা না করে সম্পন্ন করে। দায়িত্বশীল ঠিকাদাররা সরকারী ইন্জিনিয়ারদের ম্যানেজ করে, কিংবা সরকারীদলের লোক হওয়ার প্রভাব খাটিয়ে যেন-তেনভাবে, কম বিটুমিন এর ব্যবহার করে রাস্তার কাজ হয়ে গেছে দেখিয়ে বিল উঠাইয়া নেন।

এসব রাস্তাঘাট এক বৃষ্টি মৌসমেই ভেংগে যায় এবং বৃষ্টির জমা পানিতে গর্ত হয়ে জনচলাচলে মারাত্মক ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়। রাতের বেলায় কত লোকজন এসব স্থানে পিছলে পড়ে আঘাতপ্রাপ্ত হন। এ বিষয়ে স্থানীয় মেম্বার তাজুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি জানান এসব রাস্তার কাজতো করেন ঠিকাদার। তদারকি করেন এলজিইডির দায়িত্বপ্রাপ্ত ইঞ্জিনিয়ার। তারাই ভাল বলতে পারবেন, কি দিয়ে কি হয়। 

প্রবীন ও সাবেক মেম্বার সুবহান মিয়া বলেন পাকিস্তানের সময় যে রাস্তায় যতটুকু বিটুমিন ব্যবহার হতে দেখতাম এখন সে রকম ব্যবহার হয়না। ফলে কোন রকম যত সামান্য বিটুমিন দিয়ে রোলার মেশিন দিয়ে ঘসাইয়া রাস্তা বানিয়ে ফেলে। এক বছরও টিকেনা। বৃষ্টির মৌসুম এলেই এমন গর্তের সৃষ্টি হয় এবং মানুষের চলাচলে দূর্ভোগ বাড়ে। 

তিনি আরও বলেন, এমন পরিস্থিতির জন্যে ইঞ্জিনিয়ার দায়ী। তারা ঠিকাদার হইতে টাকা খেয়ে রাস্তা কমপ্লিট মর্মে বিল পাস করে দিয়ে দেয়। ফলে ক্ষতিগ্রস্থ রাস্তায় চলাচলে জনদূর্ভোগ বাড়ে এবং এতে সরকারের ভাবমূর্তিই ক্ষুন্ন হয় জনসমক্ষে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

পদ্মা সেতুতে আবারো ফেরির ধাক্কা


এম.এস প্রতিদিন ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ৩১ আগষ্ট, ২০২১, ০৯:৪২
পদ্মা সেতুতে আবারো ফেরির ধাক্কা

ফাইল ছবি

আবারো পদ্মা সেতুর স্প্যানে ফেরি ‘বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীরের’ ধাক্কা লাগার ঘটনা ঘটেছে। আজ মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) সকালে মুন্সিগঞ্জের লৌহজং এলাকায় ২ ও ৩ নম্বর খুঁটির মাঝখানে ১-বি স্প্যানে এ ধাক্কা লাগে। এতে ফেরির মাস্তুল ভেঙে গেছে। যায়। তবে সেতুর কোনো ক্ষতি হয়েছে কিনা তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা জায়নি।

বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বিআইডিব্লউটিসির মেরিন অফিসার আহম্মদ আলী। তিনি বলেন, "সকালে নারায়ণগঞ্জ থেকে পাটুরিয়া যাচ্ছিল ফেরি ‘বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর’। এসময় পদ্মা সেতুর ২ ও ৩ নম্বর খুঁটির মাঝখানে ১-বি স্প্যানের সঙ্গে ওই ফেরির মাস্তুলের ধাক্কা লাগে। এতে ফেরির মাস্তুল ভেঙে গেছে।"

এর আগে গত ১৩ আগস্ট মাদারীপুরের বাংলাবাজার ঘাট থেকে আসছিল ফেরি কাকলি। সকাল ৮টার দিকে প্রবল স্রোতের কারণে ফেরিটি সেতুর ১০ নং পিলারে আঘাত হানে। এতে তেমন কোনো ক্ষতি হয়নি। ৯ আগস্ট সন্ধ্যায় ১০ নম্বর পিলারে আঘাত হানে ফেরি বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর। এ সময় ২০ যাত্রী আহত হন। ২৩ জুলাই সকাল ১০টার দিকে পদ্মা সেতুর ৭ নম্বর পিলারের সঙ্গে ধাক্কা খায় রো রো ফেরি শাহ জালাল। এতে ২০ জন যাত্রী আহত হন।

এসব ঘটনায় থানায় জিডি, তদন্ত কমিটি গঠন ও ফেরি চালকদের সাময়িক বরখাস্তও করা হয়েছে। ঘটনা তদন্তে ওই দিনই চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে বিআইডব্লিউটিসি। তাদের দাখিল করা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পিলারের সঙ্গে সংঘর্ষের পেছনে রো রো ফেরিটির ইনচার্জ মাস্টার আব্দুর রহমান খান ও সুকানির সাইফুল ইসলামের দায়িত্বহীনতা রয়েছে। ফেরি বা অন্য কোনো জলযানের সংঘর্ষ থেকে নিরাপদে রাখতে পদ্মা সেতুর পিলারগুলো রাবার দিয়ে মোড়ানোর পরামর্শও দিয়েছে ওই কমিটি।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com

রাশিয়া বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছে আমেরিকার বিরুদ্ধে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ০৯ মার্চ, ২০২২, ০৭:০৭
রাশিয়া বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছে আমেরিকার বিরুদ্ধে

ফাইল ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগে এনেছে রাশিয়া। তারা দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনে সামরিক জৈব কর্মসূচিতে অর্থ যোগান দিয়েছে। রাশিয়া আরও অভিযোগ করেছে— ইউক্রেনে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থিত জৈব সামরিক কর্মসূচিতে অ্যানথ্রাক্স, প্লেগের রোগের মতো জীবানু রয়েছে।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক দপ্তর পেন্টাগন, রাশিয়ার এসব অভিযোগ ‘হাস্যকর’ হিসেবে মন্তব্য করেছে।  

যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক এই অভিযোগ তুলে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাকারোভা বলেছেন, ইউক্রেনে তারা জৈব কর্মসূচি গ্রহণের যথেষ্ট প্রমাণ পেয়েছেন। রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই মুখপাত্র আরও অভিযোগ করেন, ২৪ ফেব্রুয়ারি তাদের সশস্ত্র বাহিনী অভিযান শুরুর পর ইউক্রেনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্লেগ, কলেরা, অ্যানথ্রাক্সের জীবাণু ধ্বংসের নির্দেশ দিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের মতো ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের একজন মুখপাত্র রাশিয়ার এসব অভিযোগ প্রত্যাখান করেছেন। সূত্র: দ্যা গার্ডিয়ান

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

সর্বশেষ - সারাদেশ