a
সংগৃহীত ছবি
এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১০৫ জন রোগী। এটি চলতি বছরে একদিনে সর্বোচ্চ সংখ্যক রোগী হাসপাতালে ভর্তির রেকর্ড।
এ নিয়ে এখন সরকারি, বেসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত হাসপাতালে মোট ভর্তি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫২৭ জনে।
আজ রবিবার বিকালে এই তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব মতে, ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের অধিকাংশই বর্তমানে হাসপাতাল ছেড়ে গেছেন। তবে এখনো রাজধানীতে ৪৬০ জন ও রাজধানীর বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে বাকিদের ডেঙ্গু রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ফাইল ফটো: করোনাভাইরাস
গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ১৩ জন। এ নিয়ে করোনাভাইরাসে দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ৮ হাজার ৪৮৯ জন।
এদিকে, গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে শনাক্ত হয়েছে ৯১২ জন। এ নিয়ে দেশে মোট করোনাভাইরাসে শনাক্তের সংখ্যা ৫ লাখ ৫২ হাজার ৮৭ জন।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে আরও জানানো হয়, গত ১ দিনে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ১২২৯ জন রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট ৫ লাখ ৫ হাজার ৩৪৯ জন করোনারোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন।
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
আজ সাংবদিক রোজিনা ইসলামের নিঃশর্ত মুক্তি, হেনস্তাকারীদের গ্রেপ্তার ও কালো আইন বাতিলের দাবীতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক প্রতিবাদী মানববন্ধনে গণফোরামের মুখপাত্র সিনিয়র আইনজীবী সুব্রত চৌধুরীসহ অন্যান্য বক্তারা বক্তব্য রাখেন।
জননেতা সুব্রত চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভায় অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন এডভোকেট মহসীন রশিদ, এডভোকেট জগলুল হায়দার আফ্রিক, মেজর (অবঃ) আসাদুজ্জামান বীর বিক্রম, বীর মুক্তিযোদ্ধা খান সিদ্দিকুর রহমান, এডভোকেট হেলাল উদ্দিন, লতিফুল বারী হামিম, রওশন ইয়াজদানি, মোকলেসুর রহমান বাবুল, এডভোকেট মাহবুবুর রহমান, যুব নেতা মুহাম্মদ উল্লাহ মধু, ছাত্রনেতা সানজীদ রহমান শুভ, কামাল উদ্দিন সুমন।
জননেতা সুব্রত চৌধুরী বলেন, রোজিনা ইসলাম একজন সনামধন্য পেশাদার সাংবাদিক। তাকে হেনস্তা ও কারাবন্ধী করার মধ্য দিয়ে সরকার সাংবাদিক ও প্রতিবাদী মুখ বন্ধ করার চক্রান্ত করছে। জবাবদীহিহীন আমলা নির্ভর এ সরকারের স্বাস্থ্য, আইসিটি, অর্থ, শিক্ষা ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়সহ সকল জায়গায় লাগামহীন দুর্নীতির চিত্র সংবাদপত্র ও গনমাধ্যমে ভেসে উঠছে। দুর্নীতির তদন্ত হয় না। দেশের সম্পদ লুন্ঠন ও ভাগাভাগি হচ্ছে। অনতিবিলম্বে দুর্নীতিবাজ আমলা ও তার সহযোগী রাজনিতীবিদ আশ্রয়দাতাদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনা হোক।
এডভোকেট মহসিন রশিদ বলেন, বিচার ব্যাবস্থাকে কন্ঠরোধ করা হচ্ছে। রোজিনার জামিন না দিয়ে তাকে জেলখানায় হেনস্তা ও নির্যাতন করা হচ্ছে। মন্ত্রিরা বলে বেড়াচ্ছেন রোজিনা সুষ্ঠু বিচার পাবে। কিন্তু আমরা শুনেছি আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন সাংবাদিক রোজিনাকে থানা ও জেল হাজতে চিহ্নিত দাগী কুখ্যাত আসামীদের সাথে রেখে তার সাথে অমাননিবক আচরণ করা হচ্ছে। বিচারককে প্রভাবিত করা হচ্ছে। এ বিষয়ে উচ্চ আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
নেতৃবৃন্দ আরো বলেন সংবাদপত্র, টেলিভিশন ও অনলাইন মিডিয়ার কন্ঠরোধ করার চক্রান্ত চলছে। রোজিনার মুক্তির দাবীতে সাংবাদিকদের সর্বাত্বক আন্দোলনের প্রতি আমরা সমর্থন জানাই। এ ঐক্য ভাঙ্গার নানারকম চক্রান্ত চলছে। সকলকে সতর্ক থাকার আহবান জানাচ্ছি। করোনাকালে লক্ষ কোটি টাকা প্রনোদনা দেওয়া হলেও সাংবাদিকদের নামমাত্র দশ কোটি টাকা প্রনোদনা দেওয়া হয়েছে। যা হাজার হাজার সাংবাদিকদের সাথে তামাশা করার সামিল।