a তামিম একাদশ, শান্তদের কাছে পাত্তাই পেল না
ঢাকা শুক্রবার, ২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ এপ্রিল, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

তামিম একাদশ, শান্তদের কাছে পাত্তাই পেল না


ক্রীড়া ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ১৬ মার্চ, ২০২১, ০৪:১৪
তামিম একাদশ, শান্তদের কাছে পাত্তাই পেল না

ফাইল ফটো:

লিটন দাস-নাজমুল শান্ত এবং পেসার রুবেল হোসেনের তোপে দারুণ ব্যাটিংয়ে কুইন্সটাউনে বড় ব্যবধানে হেরেছে তামিম ইকবাল একাদশ। ওয়ানডে সিরিজের আগে নিজেদের মধ্যে খেলা এই প্রস্তুতি ম্যাচে শুরুতে ব্যাট করে তামিমরা তোলেন ২৩৩ রান। জবাবে ৯ উইকেটের জয় পায় শান্ত একাদশ।

মঙ্গলবার জন ডেভিস ওভালে শুরুতে ব্যাট করে সৌম্য সরকার ২৮ রান, নাঈম শেখরা ১২ রান সেট হয়ে ফিরে যান। ভরসা দেওয়া মাহমুদুল্লাহ রিয়াদও আউট হন সেট হয়ে। তিনি করেন ৩৫ রান। তবে মোহাম্মদ মিঠুন একপাশ দিয়ে খেলে যাচ্ছিলেন। তার ব্যাট থেকে আসে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ হার না মানা ৬৬ রান।

নিউজিল্যান্ডের বেঞ্জি চুলহান খেলেন অপরাজিত ৪৬ রানের ইনিংস। তরুণ ডানহাতি অফ স্পিন অলরাউন্ডার শেখ মাহেদি হাসান করেন ৩৬ রান। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে তামিমের একাদশ তোলে ওই রান।

নাজমুল শান্তর একাদশ জবাব দিতে নেমে উড়ন্ত শুরু করে । অধিনায়ক শান্তর ব্যাট থেকে আসে ৪০ রান। অন্যদের সুযোগ দিতে মাঠ ছেড়ে উঠে যান তিনি। লিটন দাস ৫৯ রান করে মাঠ ছাড়েন। অপরাজিত থাকেন মুশফিকুর রহিম ৫৪ রান করে। মেহেদি মিরাজও ফিফটি রান করে। তিনি পুরোপুরি ৫০ রান করে মাঠ ছাড়েন। পেস অলরাউন্ডার সাইফউদ্দিন করেন ১৬ রান।

রুবেল হোসেন দারুণ বোলিং করেন নাজমুল একাদশের হয়ে। দলের সিনিয়র এই পেসার ৪২ রানে নেন ৪ উইকেট। অন্য উইকেটটি নেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। তামিম একাদশের হয়ে একমাত্র উইকেটটি পান দলের বাঁ-হাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমান।

তামিম একাদশ: তামিম ইকবাল, নাঈম শেখ, সৌম্য সরকার, মোহাম্মদ মিঠুন, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, শেখ মাহেদি হাসান, নাসুম আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, আল আমিন হোসেন এবং নিউজিল্যান্ডের এক ব্যাটসম্যান ও বোলার।

নাজমুল একাদশ: লিটন দাস, নাজমুল শান্ত, আফিফ হোসেন, মুশফিকুর রহিম, মেহেদি মিরাজ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, শরিফুল ইসলাম, হাসান মাহমুদ, রুবেল হোসেন এবং নিউজিল্যান্ডের তিন ক্রিকেটার।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়!


ক্রীড়া ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ০৫ জানুয়ারী, ২০২২, ০৭:১০
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়!

ফাইল ছবি

টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন নিউজিল্যান্ড। সেই নিউজিল্যান্ডের মাটিতেেই হারিয়ে টেস্টে ঐতিহাসিক এক জয় পেল বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ডের মাটিতে যে কোনো ফরম্যাটেই এটিই বাংলাদেশের প্রথম জয়।

বাংলাদেশ সময় বুধবার ভোরে মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে প্রথম টেস্টের শেষ দিনে ৮ উইকেটের বড় জয় পেয়েছে মুমিনুল বাহিনী। কিউইদের দেওয়া ৪০ রানের টার্গেটে ২ উইকেট হারিয়েই পৌছে যায় বাংলাদেশ।

৫ উইকেটে ১৪৭ রান নিয়ে আজকের খেলা শুরু করে নিউজিল্যান্ড। তবে এবাদত-তাসকিনদের তোপে বেশিদূর এগোতে পারিনি নিউজিল্যান্ড, দ্বিতীয় ইনিংসে ১৬৯ রানে গুটিয়ে যায়। ৪৬ রানের বিনিময়ে ৬টি উইকেট নেন পেসার এবাদত হোসেন। এছাড়া তাসকিন আহমেদের শিকার ৩ উইকেট। প্রথম ইনিংসে ১৩০ লিড নেওয়া বাংলাদেশের সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪০ রানের।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বেগ পেতে হয়নি টাইগারদের। ১৬ দশমিক ২ ওভারে ২ উইকেট হারিয়েই জয়ের লক্ষ্যে পৌছে যায় বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্টে এটি প্রথম জয় টাইগারদের। মুুমিনুল হক ১৩ ও মুশফিকুর রহীম ৫ রানে অপরাজিত থাকেন। শান্ত ১৭ ও শাদমান ৩ রান করে আউট হন।

উল্লেখ্য, প্রথম ইনিংসে নিউজিল্যান্ড ৩২৮ ও বাংলাদেশ ৪৫৮ রান করেছিল। এই জয়ের ফলে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে থাকলো বাংলাদেশ। সূত্র: কালের কন্ঠ

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

প্রযুক্তি বিশ্বের অনন্য স্বপ্নদ্রষ্টা ইলন মাস্ক


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল, ২০২১, ০৩:২৭
প্রযুক্তি বিশ্বের অনন্য স্বপ্নদ্রষ্টা ইলন মাস্ক

ফাইল ছবি

বর্তমান প্রযুক্তি নির্ভর বিশ্বে ইলন মাস্কের নামের সাথে পরচিত নন এমন মানুষ বোধহয় একজনও খুঁজে পাওয়া যাবে না। দুই হাজার কোটি ডলারের বেশি সম্পদের মালিক বিলিয়িনিয়ার ব্যবসায়ী, যাকে নিউইয়র্ক  টাইমস “ধাতব স্যুটবহিীন আয়রনম্যান” বলে ঘোষণা করছে সেই ইলন মাস্ক এর সাফল্য, ব্যর্থতা ও স্বপ্নের কাহিনি কেমন তাই তুলে ধরা হচ্ছে

বর্তমান বিশ্বের বেশিরভাগ তরুণই উদ্যোক্তাই স্বপ্ন দেখে ইলন মাস্ক হয়ে ওঠার। তাঁকে আদর্শ মেনে অনেকেই উন্নতির পথে এগিয়ে যাবার স্বপ্ন দেখছে। আজকের বিশ্ববিখ্যাত পে-পাল, স্পেস এক্স, টেসলা তাঁরই অবদান। 

ইলন মাস্কের জন্ম:
ইলন মাস্ক জন্মগ্রহণ করেন দক্ষিন আফ্রিকার প্রিটোরিয়ায়। মার্কিন এই উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী ইলন মাস্ক এর পুরো নাম ইলন ‘রীভ’ মাস্ক। তাঁর জন্ম হয়েছিল ১৯৭১ সালের ২৮শে জুন। সারাবিশ্বে তুমুল জনপ্রিয় পে-পাল, স্পেস এক্স ও টেসলা মটরস প্রতিষ্ঠাতা এই ব্যক্তি নিজেই। ২০০২ সালে তিনি মার্কিন নাগরিকত্ব লাভ করেন। মাস্ক তাঁর জীবনের দ্বিতীয় দশকের শেষ দিকে কমপ্যাক্ট কম্পিউটার্সের একটি শাখার কাছে তাঁর প্রথম কোম্পানী “জিপ টু” বিক্রি করে প্রথমবারের মত মাল্টিমিলিয়নেয়ারের খাতায় নাম লেখান। ২০১২ সালের মে মাসে তিনি শিরোনামে উঠে আসেন যখন তাঁর কোম্পানী স্পেস এক্স প্রথমবারের মত আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রে অর্থের বিনিময়ে ভ্রমনেচ্ছুক যাত্রী প্রেরণ করে।

সম্পদ: বর্তমানে তার সম্পদের পরিমাণ ২০৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (ফেব্রুয়ারী ২০২১), গত এক বছরে হু হু করে বেড়েছিল মাস্কের সম্পত্তির পরিমাণ৷ ২০২১ এর শুরুতে তিনি জেফ বেজোসকে পিছনে ফেলে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তির শিরোপা পান। তবে এবার বেশ খানিকটা পিছিয়ে পড়লেন তিনি। ২০০২ সালে পে পাল বিক্রি করার মধ্য দিয়ে তিনি প্রথমবারের মত বিলিয়ন ডলার আয় করেন। তাঁর মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান স্পেস এক্স এর মোট সম্পদের পরিমান তাঁর ব্যক্তিগত সম্পদের থেকেও বেশি।

শিক্ষা:
১৯৮৯ সালে সতের বছর বয়সে মাস্ক কুইন্স ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি এবং বাধ্যতামূলক সামরিক দায়িত্ব এড়ানোর জন্য দক্ষিন আফ্রিকা থেকে কানাডায় পাড়ি জমান।

১৯৯২ সালে কানাডা ত্যাগ করে আমেরিকায় পাড়ি জমান পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যবসা ও পদার্থ বিজ্ঞান অধ্যয়ন করার উদ্দেশ্যে। তিনি অর্থনীতিতে ব্যাচেলর ডিগ্রি অর্জন করার পর পদার্থ বিজ্ঞানে আরেকটি ব্যাচেলর অর্জনের জন্য বিশ্ববিদ্যায়ে থেকে যান।

পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হয়ে জ্বালানী পদার্থ বিদ্যায় পিএইচডি করার উদ্দেশ্যে ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। সেই সময়েই ইন্টারনেট বিপ্লবের সূচনা হয় এবং এই বিপ্লবের অংশ হওয়ার জন্য মাস্ক মাত্র দুইদিন পিএইচডি প্রোগ্রামে কাজ করার পর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্বেচ্ছায় বের হয়ে যান।

ইলন মাস্ক ও পে-পাল:
১৯৯৯ সালে মাস্ক তাঁর ভাইয়ের সাথে মিলে অনলাইন আর্থিক লেনদেন সেবাদাতা সাইট এক্স ডট কম সহপ্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তী বছর নতুন কিছু বিষয় যোগ হওয়ার মাধ্যমে এক্স ডট কম আজকের পে-পালে পরিনত হয়। ২০০২ সালের অক্টোবর মাসে ১.৫ বিলিয়ন ডলার মূল্যমানের স্টকের মাধ্যমে ইবে পে পালকে কিনে নেয়।

স্পেস এক্স প্রতিষ্ঠা:
২০০২ সালে মাস্ক বাণিজ্যিক মহাকাশ ভ্রমণ সেবা প্রদানের উদ্দেশ্যে মহাকাশযান তৈরী করার জন্য স্পেস এক্স কোম্পানী প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি রকেটের সম্পর্কে এর আগে তেমন কিছু জানতেন না। কিন্তু অল্পকিছুদিনের মধ্যেই তিনি নিজেকে রীতিমত একজন রকেট বিজ্ঞানীতে পরিনত করেন। তিনি এটা কিভাবে সম্ভব করলেন জানতে চাইলে তাঁর উত্তর ছিল “আমি (এই বিষয়ে) অনেকগুলো বই পড়েছি।” ২০০৮ সালের ভেতরেই স্পেস এক্স একটি সুপ্রতিষ্ঠিত মহাকাশযান প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানে পরিনত হয় এবং আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রে মালামাল পৌঁছানোর চুক্তি স্বাক্ষর করে – যার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় নাসার নিজস্ব মহাকাশযানের বদলে স্পেস এক্স এর যানে মহাকাশচারী আনা নেয়ার বিষয়ও ছিল!

ফ্যালকন ৯ রকেট:
২০১২ সালের ২২শে মে মাস্ক এবং তাঁর কোম্পানী একটি নামহীন ক্যাপসুলসহ ফ্যালকন ৯ রকেট উড্ডয়ন করে। মহাকাশযানটিতে আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রে অবস্থানরত মহাকাশচারীদের জন্য ১০০০ পাউন্ড ওজনের রসদ ছিল। 

২০১৩ সালের ডিসেম্বরে স্পেস এক্স আরও একটি মাইলফলক অতিক্রম করে ফ্যালকন ৯ এর মাধ্যমে একটি স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠিয়ে। স্যাটেলাইটটি এতটা দূরত্বে পাঠানো হয় যাতে করে পৃথিবীর নিজের কক্ষপথ ও গতিকে অনুসরণ করে চলতে পারে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ