a
ফাইল ছবি
আজ বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস। ‘প্রজন্মের জন্য নিরাপত্তা ও সুস্বাস্থ্য’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও আজ পালিত হচ্ছে ‘বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস’।
বাংলাদেশে ১৮ বছরের কম বয়সী ছেলে মেয়েদের শিশু বলা হয়। শিশু শ্রম বাংলাদেশের আইনে যেমন গর্হিতকাজ তেমনি বিশ্বের অন্যান্য দেশের কাছে শিশুশ্রম নিষিদ্ধ। প্রতিবছর ১২ জুন বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৮০টি দেশে আন্তর্জাতিক শিশু শ্রম দিবস পালিত হয়।
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আইএলও, সেইভ দ্যা চিলড্রেন, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরাম এবং ওয়ার্ল্ড ভিশন-এর সহযোগিতায় শিশুশ্রম প্রতিরোধে গণসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক আলোচনাসভা, সারা দেশে পোস্টারিং এবং লিফলেট বিতরণসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয় এই দিবসকে ঘিরে । এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ দেশে প্রায় ৩৪ লাখের ও বেশি শিশু কাজে জড়িত তাদের ভিতর প্রায় ১৭ লাখই শিশু বাকিরা অনুমোদনযোগ্য।
১৯৫৯ সালে জাতিসংঘে শিশু অধিকার সনদ ঘোষণা করা হয়। বাংলাদেশ এই সনদে স্বাক্ষর করে। বর্তমান আইনে ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত শিশু হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। শিশু অধিকার সনদে ৫৪টি ধারা এবং ১৩৭টি উপ-ধারা আছে। এই উপ-ধারাগুলোতে বলা হয়েছে, শিশুদের ক্ষেত্রে কোন ধরনের বৈষম্য করা যাবে না। ২০০৬ সালের বাংলাদেশ শ্রম আইনের ১ থেকে ১৪ এবং ১৯৭৫ সালের শিশু আইনে বলা হয়েছে, শূন্য থেকে ১৬ বছরের শিশুদের ভারী কাজ করানো যাবে না।
আজকের শিশু আগামীদিনের কর্ণধার, তাই শিশুদেরকে যোগ্য করে গড়ে তুলতে হলে শিশু শ্রমপ্রতিরোধ করতে হবে এ জন্য এগিয়ে আসতে হবে সমাজের সচেতন নাগরিকদের। যেখানে শিশুদের হাতে থাকার কথা খাতা কলম সেখানে শিশুদের হাতে ভারীযন্ত্রপাতির ভার কখনো কাম্য নয় আমাদের সমাজ থেকে।
শিশুশ্রম নিরসনে নিরলস ভাবে যারা কাজ করে যাচ্ছেন তাদের প্রচেষ্টা সফল করতে আমাদের সকলের এগিয়ে আসা একান্ত কর্তব্য। শিশুরা হলো নিস্পাপ ফুলের মতন তাদেরকে দিয়ে ইটভাটা, ইটভাঙা, হোটেলে কাজ করানো, বাসের হেল্পার, লেগুনার হেল্পার হিসেবে কাজ করানোর মত ঝুকি বন্ধ করতে হবে তাহলে অতি শীগ্রই আমরা পাবো একটি সুন্দর সমাজ।
ছবি সংগৃহীত
নির্বিচার হামলা চালিয়ে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার প্রায় ৩০,০০০ নিরীহ ও নিরস্ত্র মানুষকে হত্যা করেছে ইসরায়েলের বাহিনী এবং দিনকে দিন এই সংখ্যা বেড়েই চলছে। অথচ ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী বলেছে, তারা গাজার জনগণের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধ করছে না।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি বুধবার ইসরায়েলের সামরিক মুখপাত্র ড্যানিয়েল হ্যাগারি ওয়ার্ল্ড জায়নিস্ট অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউজেডও) জরুরি সম্মেলনে এমন মন্তব্য করেন। তিনি বলেছেন, ‘‘ইসরায়েল হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে, গাজার জনগণের বিরুদ্ধে নয়।’’
ড্যানিয়েল হ্যাগারি আরও বলেন, ‘‘এই যুদ্ধে আমাদের লক্ষ্য, আমাদের প্রধান লক্ষ্য হল জিম্মিদের উদ্ধার করা। একই সঙ্গে গাজার নাগরিকদের হামাসের হাত থেকে মুক্তি নিশ্চিত করাও আমাদের অন্যতম লক্ষ্য।’’
তিনি বলেন, ‘‘আমরা উত্তর থেকে দক্ষিণে হামাসের সামরিক কাঠামো গুঁড়িয়ে দিয়েছি। আমরা ইতিমধ্যে হামাসের ২৪টির মধ্যে অন্তত ১৮টি ব্যাটালিয়ন ধ্বংস করেছি। বাকিগুলো ধ্বংস করার কাজ চলছে। এর মধ্যে অন্তত চারটি ব্যাটালিয়ন রাফাহতে রয়েছে।’’
হ্যাগারি বলেছেন, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী রাফাহর ১৪ লাখ মানুষের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করতে পারে না। একটি নিরাপদ অঞ্চল প্রতিষ্ঠার জন্য সেখানকার লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হবে।
অথচ ইসরায়েল হামাসকে নির্মুলের নামে গাজার স্কুল, মসজিদ, মাদ্রাসা, হাসপাতাল এমনকি জাতিসংঘ কর্তৃক বিভিন্ন শরণার্থ শিবিরে বোমা মেরে শত শত নারী-শিশুকে হত্যা করেছে এবং বাড়ি-ঘর সব ধ্বংস করেছে। আর ইসরায়েলের এই সামরিক মুখপাত্র বর্তমানে তাদের নিজেদের অবস্থা বেগুতিক দেখে বলছে রাফাহর ১৪ লাখ মানুষের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করতে পারে না। ৩০ হাজার নিরীহ মানুষকে হত্যার আগে এসব তত্ত্বকথা তাদের মনে ছিলো না?
ইসরায়েল-আমেরিকার এসব ভন্ডামী দু’মুখো কথা বিশ্বের সকলে কম-বেশি জানে বলেই আস্তে আস্তে আমেরিকামুখী ছোট-বড় দেশগুলোর জনগণ ও সরকার আমেরিকা থেকে মুখ ফিরিয়ে তারা রাশিয়া তথা অন্য বৃহৎ দেশগুলোর সাথে জোটবদ্ধ হয়ে সামনে দিনগুলোতে চলার পথ খুঁচছে!
আমেরিকা আফগানিস্তানসহ মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় সব দেশগুলো থেকে তাদের সেনাবাহিনী নিজ দেশে আনতে বাধ্য হয়েছে। নিকট অতীতে ইউক্রেনকে রাশিয়ার সাথে যুদ্ধ বাধিয়ে দিয়ে বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলকে সাহায্যের নামে ইউক্রেন থেকে তাদের মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। হয়তো নিকট ভবিষ্যতে আমেরিকা অন্য দেশের দ্বারা আক্রান্ত হয়ে ইসরায়েল তথা মধ্যপ্রাচ্য থেকেও তাদের গুটিয়ে নিয়ে নিজেদের দেশ রক্ষায় ব্যস্ত থাকতে বাধ্য হবে, এই সময় খুব একটা দূরে নয়!
লেখক: কলাম লেখক ও আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক
এবং নির্বাহী পরিচালক, হিউম্যানরাইটস এন্ড এনভায়রমেন্ট ডেভোলপমেন্ট সোসাইটি(হিডস)
ছবি: সংগৃহীত
স্বাধিকার, স্বাধীনতা ও স্বকীয়তার চেতনায় মোড়ানো মাস ফেব্রুয়ারি। জাতীয় চেতনা স্ফুরণের মাস ফেব্রুয়ারি। ভাষা রাষ্ট্রের জন্ম দিতে পারে, এই উদাহরণ সৃষ্টির মহিমায় মোড়া এই মাস। এ মাসের আগমনী সুরে বদলে যায় জাতীয় মন ও মানস। গোটা জাতি বাঁধা পড়ে যায় এক সূত্রে। এক ভাষা, এক সুর, এক চেতনায় বিলীন হয়ে যায় ধর্মীয় ও জাতিগত ভেদাভেদ।
ছোট বড় সকলে এক সারিতে এসে দাঁড়ায় এই মাসে। জাতীয় ঐক্যতানের এক অপূর্ব রঙধনু দ্যুতি ছড়ায় এই মাসে। ভাষাকে কেন্দ্র করে রকমারি আয়োজনের মধ্যে হারিয়ে যায় বাংলা ভাষা আন্দোলনের গোড়ার কথা। হারিয়ে যায় ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ প্রসঙ্গ, বাংলা ভাষার বর্তমান অবস্থানের স্বপ্নদ্রষ্টা যিনি। আমরা কুণ্ঠাবোধ করি অধ্যাপক আবুল কাসেম এবং তমদ্দুন মজলিসের কথা স্মরণ করতে। আমাদের স্মৃতির মোহনা থেকে হারিয়ে যায় কেন্দ্রীয় বাংলা উন্নয়ন বোর্ডের অবদানের কথা। অথচ এই টুকরো টুকরো অধ্যায়গুলো বাংলা ভাষার অবস্থানকে বর্তমান পর্যায়ে নিয়ে এসেছে। ভাষার মাসে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি তাদের। তাদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।
বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন আমাদের জাতীয় জীবনের এক অবিস্মরণীয় ঐতিহাসিক ঘটনা। এটি আমাদের জাতীয় স্বাতন্ত্র্য ও চেতনাবোধকে শাণিত করেছে। উদ্দীপ্ত করেছে, উজ্জীবিত করেছে। এক সূত্রে গেঁথেছিল তৎকালীন পাকিস্তানের বাংলা ভাষাভাষীদের। পাকিস্তানের প্রভাব বলয়ের ভেতরে ধীরে ধীরে পল্লবিত হয়ে এক সময় বিরাট মহীরুহে রূপান্তরিত ভাষা আন্দোলন ভবিষ্যৎ স্বাধীনতার ভিত্তি রচনা করেছিল।
একই সাথে তৎকালীন পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার বিচারপতি এস এম মোর্শেদকে সভাপতি করে কেন্দ্রীয় বাংলা উন্নয়ন বোর্ড গঠন করে। উদ্দেশ্য ছিল যথোপযুক্ত পরিভাষা তৈরি, প্রয়োজনীয় বই রচনা, শিক্ষক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জাতীয় ভাষায় পাঠদান প্রক্রিয়া চালুকরণ।
কেন্দ্রীয় বাংলা উন্নয়ন বোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে বাংলায় রাষ্ট্রবিজ্ঞান, রসায়নশাস্ত্র, পদার্থবিদ্যা, প্রভৃতি বই রচনায় সাফল্য দেখায়। সাথে সাথে নজরুল রচনাবলী (চার খণ্ড), ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচনাবলী, ড. জি সি দেবের বিখ্যাত গ্রন্থ ‘তত্ত্ব বিদ্যাসার’ প্রকাশ করে। প্রকাশ করে পাকিস্তানের লোককাহিনী। কেন্দ্রীয় বাংলা উন্নয়ন বোর্ড একই সাথে মধ্যযুগের বাংলা পাণ্ডুলিপি ও প্রাচীন বইপত্র সংগ্রহ, মানসম্মত বাংলা মুদ্রণযন্ত্র উদ্ভাবন ও উন্নয়ন, সাহিত্য সাময়িকী প্রকাশ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উন্নয়নের জন্য আর্থিক প্রণোদনা দেয়ার মতো কিছু মৌলিক কার্যক্রম গ্রহণ করে। এ ক্ষেত্রে সমন্বিতভাবে কাজ করেছিলেন ড. মমতাজউদ্দীন আহমেদ (সাবেক ভিসি, রাবি), মো: শামসুল হক (ডিপিআই, ইপি), ড. কাজী মোতাহার হোসেন, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, অধ্যাপক মু. আ: হাই, কবি জসিম উদ্দীন, কবি গোলাম মোস্তফা, ড. সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন, প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ, ড. মুহম্মদ এনামুল হক। বোর্ড পাঠ্যপুস্তক রচনা ও প্রকাশের সাথে সাথে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে বাংলা পাঠ্যক্রম তৈরিতে অভ‚তপূর্ব সাফল্য দেখায় বোর্ড। পদার্থবিদ্যা, রসায়নশাস্ত্র, সমাজবিজ্ঞান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ের বাংলা পরিভাষায় বই রচনায় তাদের অবদান আজো শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করতে হয়।
তালপাতায় লেখা পুঁথি ও অসংখ্য দুর্লভ বই সংগ্রহ করে এক সমৃদ্ধ সংগ্রহশালা তৈরি করেছিল কেন্দ্রীয় বাংলা উন্নয়ন বোর্ড যা পরবর্তী সময়ে বাংলা একাডেমির সাথে একীভূত হয়ে যায়। বোর্ডের অর্থায়নে ও পৃষ্ঠপোষকতায় অধ্যাপক মুনীর চৌধুরীর বাংলা কি-বোর্ডের (মুনীর অপটিমা) আধুনিকায়ন বোর্ডের একটি অনন্য অবদান। একই সাথে বাংলা একাডেমি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, এশিয়াটিক সোসাইটিকে বাংলা ভাষায় সাহিত্য সাময়িকী, বিজ্ঞানবিষয়ক পত্রিকা, ইতিহাস সম্পর্কিত গবেষণা ও প্রকাশনার জন্য আর্থিক সহযোগিতা প্রদান এক অভ‚তপূর্ব কর্মচাঞ্চল্য তৈরি করে। বোর্ডের পৃষ্ঠপোষকতায় পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘ভাষা সাহিত্য সপ্তাহ’ বাংলা ভাষা চর্চার ক্ষেত্রে অন্যরকম আরেকটি মাইলফলক। প্রদর্শনীতে বাংলা সাহিত্যের ক্রমবিবর্তন; চর্যাপদ থেকে শুরু করে ক্রমধারায় নজরুলকে ধারণ করে তালপাতার পুঁথি, তুলোট কাগজে লেখা দুর্লভ বইপত্র প্রদর্শন করা হয়। আয়োজন করা হয় কয়েক প্রস্থ সেমিনারের, প্রাচীন বাংলা সাহিত্য, মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য, আধুনিক বাংলা সাহিত্য প্রসঙ্গে আলোচনা উপস্থাপন করেছিলেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, ড. এনামুল হক ও সৈয়দ আলী আহসান। আলোচকমণ্ডলীর ভেতর ছিলেন অধ্যাপক আহমদ শরীফ, ড. নীলিমা ইব্রাহিম, অজিত গুহ, মুনীর চৌধুরী ও সৈয়দ মুর্তজা আলী। বাংলা ভাষা উন্নয়ন ও চর্চার ক্ষেত্রে এ ধরনের আয়োজন আর হয়েছে কিনা আমার জানা নেই। বোর্ডের আরেকটি মহতী উদ্যোগ ছিল ‘বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস’ রচনার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগকে আর্থিক মঞ্জুরি- যদিও কার্যত ইতিহাস রচনার কাজ সম্পাদিত হয়নি।
স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বাংলা একাডেমি এবং বাংলা উন্নয়ন বোর্ডকে একীভূত করা হয় ড. মযহারুল ইসলামকে একই সাথে উভয় প্রতিষ্ঠানের মহাপরিচালক নিয়োগের মাধ্যমে। উচ্চশিক্ষা, অফিস আদালতে বাংলা ভাষা প্রচলনের ক্ষেত্রে বোর্ডের কার্যক্রম আজো প্রশংসার দাবিদার। স্বল্প সময়ে ৩৫ হাজার ৮৭টি দুর্লভ বিভিন্ন ভাষার বই, পত্র-পত্রিকা, সাময়িকী ছাড়াও বিভিন্ন মানচিত্র এবং মুদ্রা সংগ্রহ করে এক বিশাল ভাণ্ডার গড়ে তোলা হয়েছিল ভবিষ্যতে বাংলা ভাষার বিস্তারের লক্ষ্যে। বাংলা একাডেমির লাইব্রেরিতে পুরোনো বইয়ের সংগ্রহ তালিকায় বোর্ডের সংগৃহীত বই তাদের ঐকান্তিক একনিষ্ঠ চেষ্টার কথা, সফলতার কথা সগৌরবে ঘোষণা করছে। সূত্র: নয়াদিগন্ত