a
ফাইল ছবি
দাখিল নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম আগামীকাল ১২ আগস্ট থেকে শুরু হচ্ছে। অনলাইনে রেজিস্ট্রেশনের ফরম পূরণ ও টাকা জমা দেওয়া যাবে ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। আর ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিলম্ব ফিসহ রেজিস্ট্রেশনের টাকা জমা দেয়া যাবে।
গত শনিবার (৮ আগস্ট) মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে মাদরাসা প্রধানদের কাছে এসব তথ্য জানিয়ে দাখিল নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের (২০২৩ সালের দাখিল পরীক্ষার্থীদের) রেজিস্ট্রেশন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
জানা গেছে, দাখিল ৯ম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন ফি ১৯১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে, কেউ নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলে তাকে অতিরিক্ত ৫০ টাকা বিলম্ব ফি দিয়েও রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।
১২ বছর পূর্ণ না হলে বা ১৮ বছরের বেশি বয়সের কেউ দাখিল ৯ম শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে না। জেএসসি বা জেডিসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হলে কোনো শিক্ষার্থীর নবম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে না। ফেল করা শিক্ষার্থী নবম শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে না।
শিক্ষার্থীদের অনলাইনে ফরম পূরণ করে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। মাদরাসাগুলোতে পাঠানোর উদ্দেশ্য নির্দেশনায় অনলাইনে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন ফরম পূরণের বিস্তারিত প্রক্রিয়া তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহে নমুনা ছকও প্রকাশ করা হয়েছে।
ফাইল ছবি
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, ‘দুর্নীতি হয়েছে কি না, তা সরকারের বিভিন্ন সংস্থা খুঁজে বের করতে পারে। এর সঙ্গে আমার পরিবার জড়িত নয়।’
বৃহস্পতিবার চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ইস্যুতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলে তিনি।
চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠজনদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ব্যয়ে ভূমি অধিগ্রহণ নিয়ে গত কয়েকদিনে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়ে আসছে।
বিষয়টি নিয়ে আজ সন্ধ্যায় রাজধানীর হেয়ার রোডের সরকারি বাসভবনে ওই সংবাদ সম্মেলন করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘চাঁদপুরে আমার ক্রয় সূত্রে কোনো জমি নেই। পৈত্রিক সূত্রে থাকতে পারে। আমার কাছে যা তথ্যপ্রমাণ আছে, তা থেকে বলতে পারি, আমার বড় ভাই অধিগ্রহণের আগেই বিক্রি করে দেন।’
‘বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই জায়গায় আমার বা পরিবারের কারও জমি নেই। রাজনৈতিক কোনো সহককর্মীর জমি থাকতে পারে।’
তিনি বলেন, ‘আমার পরিবারের কেউ কোনো ধরনের দুনীতির সঙ্গে জড়িত নয়। তবে অন্য কেউ দুর্নীতি করেছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা উচিত এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।’
ফাইল ছবি
আধুনিক প্রযুক্তি বিশ্বে অন্যতম দ্রুত বেড়ে উঠা স্মার্টফোন ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে জনপ্রিয় ব্রান্ড হচ্ছে চীনাভিত্তিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান শাওমি (MI)। অল্প কিছুদিন পরেই প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠার ১১ বছরে হতে যাচ্ছে। ১১ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর পূর্বেই এই জায়ান্ট কোম্পানিটি তাদের লগোতে পরিবর্তন আনার ঘোষণা দেয়। যেমন ঘোষণা তেমনি কাজ অল্প কিছুদিন হলো নিজেদের নতুন লগো ও ব্র্যান্ড কিট উন্মোচন করেছে শাওমি।
শাওমির জন্য নতুন এই লগো ডিজাইন করেছেন জাপানীজ ডিজাইনার কেনায়া হ্যার। অবাক করার বিষয় হলো এই নতুন লগো ও ব্র্যান্ড নকশা করার জন্য নকশাবিদকে দিতে হয়েছে ৩ লাখ ডলার। এদিকে শাওমির এই নতুন লগো নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রল করা হচ্ছে। অনেকে বলছেন, আগের লগো এবং নতুন লগোর মধ্যে তেমন বিশেষ কোনো পার্থক্য নেই।
যদিও সমালোচকদের এই সমালোচনা অনেকটা যৌক্তিক বলেছে শাওমি ব্রান্ড স্বয়ং নিজেই। কেননা শাওমির নতুন লগোতে ব্যাগ্রাউন্ডের শেপ বর্গাকারের পরিবর্তে কিছুটা বৃত্তাকৃতির হয়ে গেছে। তাই সকলেই প্রশ্ন করতেছে যে এত সহজ একটা লগো ডিজাইন করতে ডিজাইনারকে এতো টাকা পারিশ্রমিক দিতে হলো কেন শাওমিকে?
বিশেষ কারন হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কোম্পানির ব্র্যান্ড ভ্যালু এবং নতুন লগোর কনসেপ্ট ফিলোসফি। শাওমির নতুন এই লগোর ডিজাইনার ‘কেনায়া হ্যার’ বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বলেন, এই ডায়নামিক লগো ডিজাইনের মূল মন্ত্র বা কনসেপ্ট ছিল ‘আলাইভ’ (জেগে উঠা)।‘কেনায়া হ্যার’ আরও বলেন, এই লগোটি দেখতে যেন ‘ভিজ্যুয়াল অপ্টিমাল ডায়নামিক’ হয় তার জন্য এই লগোটি পরিপূর্ণ ভারসাম্য করতে আমাদের বিভিন্ন গাণিতিক সূত্র, অনেক হিসেবে নিকেশ এবং নকশা ডিজাইন নিয়ম ও অনুপাত প্রয়োগ করতে হয়েছে।
আমাদের কোম্পানি এবার শাওমির জন্য লগোমার্ক এবং লগোটাইপ, এই দুই ধরণেরই লগো ডিজাইন করেছে। দুই লগোতেই আমরা ভিন্ন ধরনের টাইপোগ্রাফি ও কালার ফিলোসফি ব্যবহার করেছি।
অন্যদিকে শাওমি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আমাদের এই নতুন লগোটি একক হওয়ায় এটি এখন সঠিকভাবে এলাইনমেন্ট ছাড়াই প্রোডাক্ট ও কন্টেন্টের যে কোনো পজিশনে ব্যবহার করা যাবে। শাওমি বিশ্বাস করে, নতুন লগোর সাথে তারা অদূর ভবিষ্যতে ইলেক্ট্রনিক গাড়ি বাজারে আনার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।