a পিইসি ও সমমানের পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে
ঢাকা শুক্রবার, ২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ এপ্রিল, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

পিইসি ও সমমানের পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
রবিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২১, ০৯:০৩
পিইসি ও সমমানের পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে

ফাইল ছবি

চলতি বছরের পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী পিইসি ও ইবতেদায়ি পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। আজ রবিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুমোদনের পর তা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। ফলে এ বছর অনুষ্ঠিত হচ্ছে না পিইসি ও ইবতেদায়ি পরীক্ষা।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় গণমাধ্যমকে এ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায় যে, এ বছর পিইসি ও ইবতেদায়ি পরীক্ষার বিষয়ে আগে থেকে সেভাবে প্রস্তুতি নেওয়া হয়নি। তাই চলতি বছরের পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষা বাতিল করতে ৭ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব পাঠায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ প্রস্তাবে সায় দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সুপারিশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না খোলার  


স্বাস্থ্য ডেস্ক:
বৃহস্পতিবার, ১৮ মার্চ, ২০২১, ১২:৩৬
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সুপারিশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না খোলার  

ফাইল ফটো: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ভবন

করোনার সংক্রমণ বাড়ার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না খোলার সুপারিশ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি রুখতে ১২ দফা সুপারিশ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এসবের মধ্যে রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা, যে কোনো পাবলিক পরীক্ষা যেমন—বিসিএস, এইচএসসি ও এসএসসিসহ অন্যান্য পরীক্ষা বন্ধ রাখা।

মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কনফারেন্স রুমে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের সভাপতিত্বে কোভিড-১৯ প্রতিরোধ ও বর্তমানে করণীয় সম্পর্কে জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ১২টি প্রস্তাব গৃহীত হয়।

১. সম্ভব হলে কমপ্লিট লকডাউনে যেতে হবে, সম্ভব না হলে ইকোনমিক ব্যাল্যান্স রেখে যে কোনো জনসমাগম বন্ধ করতে হবে। 

২. কাঁচাবাজার, পাবলিক ট্রান্সপোর্ট, শপিং মল, মসজিদ, রাজনৈতিক সমাগম, ভোট অনুষ্ঠান, ওয়াজ মাহফিল, পবিত্র রমজান মাসের ইফতার মাহফিল ইত্যাদি অনুষ্ঠান সীমিত করতে হবে।

৩. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যেগুলো বন্ধ আছে সেগুলো বন্ধ রাখতে হবে। অন্যান্য কার্যক্রম সীমিত রাখতে হবে। 

৪. যে কোনো পাবলিক পরীক্ষা (বিসিএস, এসএসসি, এইচএসসি, মাদ্রাসা, দাখিলসহ অন্যান্য) বন্ধ রাখতে হবে। ৫. কোভিড পজিটিভ রোগীদের আইসোলেশন জোরদার করা। 

৬. যারা রোগীদের সংস্পর্শে আসবে তাদের কঠোর কোয়ারেন্টাইনে রাখা। 

৭. বিদেশ থেকে বা প্রবাসী যারা আসবেন তাদের ১৪ দিনের কঠোর কেয়ারেন্টাইনে রাখা এবং এ ব্যাপারে সামরিক বাহিনীর সহায়তা নেওয়া।

৮. আগামী ঈদের ছুটি কমিয়ে আনা। 

৯. স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে আইন প্রয়োজনে জোরদার করা। 

১০. পোর্ট অব এন্ট্রিতে জনবল বাড়ানো, মনিটরিং জোরদার করা। 

১১. সব ধরনের সভা ভার্চুয়াল করা।

১২. পর্যটন এলাকায় চলাচল সীমিত করা।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

রাইদা পরিবহনের দুই বাসের অসম প্রতিযোগিতায় আঙ্গুল কাটলো এক চালকের


খোরশেদ আলম: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ২৭ জুন, ২০২২, ১১:২৯
রাইদা পরিবহনের দুই বাসের অসম প্রতিযোগিতায় আঙ্গুল কাটলো এক চালকের

ফাইল ছবি

রাজধানী ঢাকার নর্দায় রাইদা পরিবহনের দুটি বাসের মধ্যে প্রতিযোগিতায় আঙ্গুল কেটে ঝুলে পড়েছে এক চালকের। গতকাল রবিবার (২৬ জুন) রাত ১০ টার দিকে বাস দুটি একটি আরেকটিকে ওভারটেক করতে গেলে বামপাশে থাকা বাস চালকের আঙ্গুল কেটে যায়।

যাত্রীরা চালকের হাতে কাপড় দিয়ে ব্যান্ডেজ করে হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয় এবং চালকের আসনে হেলপার বসে গাড়ি য়াত্রীশুন্য করে গন্তব্যে নিয়ে যায়। এই ঘটনায় বাসযাত্রীরা ক্ষুব্ধ হলেও পরে যে যার মতো চলে যায়। কারণ তারা এসব নিত্যদিনের ঘটনা নিজেদের প্রায় মানিয়েই নিয়েছে।
 
উল্লেখ্য, রাজধানী ভেতর দিয়ে চলাচলকারী রাইদা বাস দিয়াবাড়ি টু পোস্তগোলা রোডে চলাচল করে। এই বাস সার্ভিস চালুর পর এই রাস্তায় চলাচলকারী যাত্রীদের মধ্যে অনেক আনন্দ ছিল। কারণ এদের স্টাফগুলো অন্যান্য গাড়ির তুলনায় ভাল ও দক্ষ ছিল। কিন্তু দুই এক বছর পার হতো না হতে এদের পরিবহন সেবা অনেক বাজে হয়ে গেছে। একই রোডে চলাচলকারী তুরাগ বাসের চেয়েও এতের সার্ভিস খারাপ হয়ে গেছে।

রাইদা বাস সার্ভিস চালুর পর স্কুল-কলেজের ছেলেমেয়েরা এবং মহিলাশিক্ষক রিকসা না গিয়ে এই বাসে চলাচল করতেন। তারা খরচের পাশাপাশি এই বাসে চলাচলে নিজেদের নিরাপদ মনে  করতেন। কিন্তু এখন তারা আগের মতো ভরসা পাননা। কারণ অন্যান্য সমস্যাগুলো তো আছেই, তারপর এরা পেসেঞ্জার তোলার সময় অনেক সময় নিয়ে তুললেও বাসস্টপে নামার সময় নামতে না দিয়েই দ্রুত প্রস্থান করতে গিয়ে অনেকে পড়ে গিয়ে মারাত্বক দুর্ঘটনা ঘটে।

বিশেষ করে কোন একটা বাস স্টপে অনেক সময় ধরে বসে থাকলেও পেছন থেকে একই লাইনের গাড়ি ওভারটেক করতে গেলে নিজেদের মাঝে প্রায় যুদ্ধ লেগে যায়। সামনে-সাইডে কোন লোক বা রিকসা থাকলেও সেগুলো তোয়াক্কা না করে অনেক সময় ধাক্কা দিয়েই পার হতে গিয়ে বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটে।

এসব দূর্ঘটনায় যাত্রীদের সহযোগিতায় এদের পুলিশে সোপর্দ করলেও আইনের ফাঁক-ফোকরে এরা পার পেয়ে যায় এবং পরবর্তীতে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠে। বেপরোয়া এসব চালকদের জন্য যাত্রীদের প্রায়ই ভোগান্তির শিকার হতে হয় এবং এমন ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনাও নেহায়েত কম নয়!

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

সর্বশেষ - শিক্ষা