a
ফাইল ছবি
সৌদি আরবের কিং আবদুল আজিজ ইউনিভার্সিটি বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ফুল ফ্রি স্কলারশিপ (বৃত্তি) ঘোষণা করেছে। ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের স্নাতক, মাস্টার্স ও পিএইচডি পর্যায়ে এই স্কলারশিপ দেওয়া হবে। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরাও এই স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবে।
বিজ্ঞান, মানবিক, চারুকলা ব্যবসায় প্রশাসন, প্রকৌশল, কম্পিউটার প্রকৌশলসহ বেশকিছু একাডেমিক প্রোগ্রামে বৃত্তি দেওয়া হবে। চার বছরের স্নাতক, দুই বছরের স্নাতকোত্তর এবং তিন বছরের পিএইচডি ডিগ্রির জন্য এই বৃত্তি দেওয়া হবে।
বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সব খরচ বহন করবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে বিমানের টিকিট (রিটার্নসহ), পিএইচডি ও মাস্টার্স শিক্ষার্থীদের জন্য ৪,০০০ রিয়াল ও ৩,০০০ রিয়াল থিসিস প্রিন্টিং ভাতা, বই কেনার ভাতা, থাকা-খাওয়া, স্বাস্থ্যসেবা, প্রস্তুতি ভাতাসহ মাসিক ভাতাও থাকবে।
আবেদনে যোগ্যতা
ভালো একাডেমিক রেকর্ডের পাশাপাশি প্রার্থীদের বয়স মাস্টার্সের জন্য ১৭-২৫ বছর এবং পিএইচডির জন্য সর্বোচ্চ ৩০ বছর হতে হবে। সমাজবিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় আবেদনকারীদের আরবি ভাষায় দক্ষতা লাগবে। বিস্তারিত জানতে ও আবেদন করতে এখানে (https://dsa-scholarships.kau.edu.sa/404.htm) ক্লিক করুন।
ফাইল ছবি
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজে এসএসসি বা সমমান ও এইচএসসি বা সমমানের ফলাফলের ভিত্তিতে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি নেওয়া হবে। এবার কোনো ভর্তি পরীক্ষা হচ্ছে না। ভর্তি আবেদন আবার শুরু হবে ২৮ জুলাই। অনলাইনের মাধ্যমে এ আবেদন চলবে আগামী ১৪ আগস্ট পর্যন্ত।
গতকাল শনিবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে ভর্তির নির্দেশিকাও প্রকাশ করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ভর্তি বিজ্ঞপ্তির তথ্যমতে, ২৮ জুলাই বিকেল চারটা থেকে স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি আবেদন আবার শুরু হবে। অনলাইনে এ আবেদন চলবে আগামী ১৪ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত।
ভর্তি–ইচ্ছুক প্রার্থীদের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির ওয়েবসাইটে আবেদন পূরণ করে আগামী ১৬ আগস্টের মধ্যে প্রাথমিক আবেদন ফি বাবদ ২৫০ টাকা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রদান করতে হবে। ভর্তির সব কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর অনলাইনে শুরু হবে স্নাতক প্রথম বর্ষের ক্লাস।
ফাইল ছবি
আর্মেনিয়ার দখল থেকে ২৮ বছর পর নাগোরনো কারাবাখ মুক্ত করেছে আজারবাইজান। যুদ্ধে কীভাবে আর্মেনিয়ার বিপক্ষে লড়াই করেছে আজারবাইজান, সেকথা নিজেই জানালেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ।
রাশিয়ার একটি ম্যাগাজিনকে সাক্ষৎকারে তিনি জানান, কারাবাখ যুদ্ধে তিনি তুর্কি ড্রোন ব্যবহার করে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছেন। ১০ বছর আগ থেকেই তিনি তুর্কি ড্রোন কিনে সংগ্রহ করতে থাকেন। তিনি বলেন, দ্বিতীয় কারাবাখ যুদ্ধের আগে মনুষ্যবিহীন বিমান (ড্রোন) ব্যবহার করিনি। অনেকদিন আগ থেকেই আমরা ড্রোন সংগ্রহ করতে থাকি, ১০ বছরের বেশি সময় ধরে, যদি আমার স্মৃতি ভুল না করে।
তিনি জানান, সেই সময়ে তুরস্কের সামরিক প্রতিষ্ঠান এটি (ড্রোন) তৈরি শুরু করেনি। আমি প্রথম বায়রাকতার টিবি-২ ড্রোনের বিদেশি ক্রেতা ছিলাম। এটি খুবই কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে এবং এটি সঠিকভাবে হামলা চালাতে পেরেছে।
বায়রাকতার টিবি২ সশস্ত্র ড্রোন তুরস্কের প্রতিরক্ষা কোম্পানি বায়কার টেকনোলজিস তৈরি করছে। এই ড্রোনটি তুরস্কের সামরিক বাহিনী ২০১৫ সাল থেকে দেশের নিরাপত্তার জন্য সামরিক বাহিনীতে সংযুক্ত করে। সম্প্রতি আজারবাইজানের সেনাবাহিনী সেসব ড্রোন ব্যবহার করে কারাবাখ যুদ্ধে ব্যাপকভাবে সফলতা অর্জন করে।