a
ফাইল ছবি
আগামী বছরের (২০২৪ সাল) এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার সম্ভাব্য সময় ঘোষণা করেছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। এর মধ্যে এসএসসি পরীক্ষা হবে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে এবং এইচএসসি পরীক্ষা হবে জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহে।
আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এ–সংক্রান্ত নোটিশ শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটেও দেওয়া হয়েছে। এইচএসসি পরীক্ষা হবে ২০২৩ সালের পুনর্বিন্যাস করা পাঠ্যসূচি অনুযায়ী, তবে এসএসসি পরীক্ষা হবে পূর্ণাঙ্গ পাঠ্যসূচি অনুযায়ী।
আগামী বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা এপ্রিল মাসের নেওয়ার চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দিপু মনি।
২০২০ সালের মার্চে করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকার কারণে পরীক্ষার সময়সূচি ওলট-পালট হয়ে গেছে। কখনো কখনো পরীক্ষা হয়েছে দেরি করে। আবার কখনো কখনো পরীক্ষা ছাড়াই ভিন্ন মূল্যায়নে ফল প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী বছর থেকে এসএসসি পরীক্ষা স্বাভাবিক সময়ে ফিরছে। তবে এইচএসসি পরীক্ষা হবে আগামী বছরেও স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে কিছুটা দেরিতে।
সাধারণত স্বাভাবিক সময়ে ফেব্রুয়ারির শুরুতে এসএসসি এবং এপ্রিলের শুরুতে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হতো। সূত্র: প্রথম আলো
ফাইল ছবি
করোনা ভাইরাসের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স) অধিভুক্ত সরকারি সাতটি টেক্সটাইল ইঞ্জিািনয়ারিং কলেজের ভর্তি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) ভর্তি কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতে বস্ত্র অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির আহবায়ক মো. নুরুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির ৩য় সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক করোনা ভাইরাস সংক্রমণ সংক্রান্ত বিষয় বিবেচনা করে বস্ত্র অধিদপ্তরের অধীন সাতটি সরকারি টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলজের ভর্তি পরীক্ষা স্থগিত করা হলো। আগামী ৩ সেপ্টেম্বর ভর্তি পরীক্ষা হচ্ছে না।
এতে আরও বলা হয়, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের লেভেল-১, টার্ম-১ ভর্তি পরীক্ষার তারিখ পরবর্তীতে জানানো হবে। ভর্তি পরীক্ষার অন্যান্য শর্তাবলী অপরিবর্তিত থাকবে।
ছবি সংগৃহীত: সাবের হোসেন চৌধুরী
১৯৯৬ সালে ঢাকা-৬ নির্বাচনি আসন (বর্তমানে-৯ আসন) থেকে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন সাবের হোসেন চৌধুরী। শেখ হাসিনার প্রথম মন্ত্রিসভায় তিনি নৌপরিবহণ উপমন্ত্রী হিসেবে ১৯৯৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর থেকে ১৯৯৮ সালের ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ১৯৯৮ সালের ২৪ ডিসেম্বর থেকে ২০০১ সালের ১৫ জুলাই পর্যন্ত তিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এবার তিনি পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেন সাবের হোসেন চৌধুরী। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।
সাবের হোসেন চৌধুরীর জন্ম ১০ সেপ্টেম্বর ১৯৬১ সালে। তার পিতৃ-ভিটা ফেনী জেলার দাগনভূঞা উপজেলায়। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি ছিলেন তিনি। তার সময়কালীন ২০০০ সালের জুন মাসে বাংলাদেশ আইসিসির পূর্ণ সদস্য পদ এবং টেস্ট স্ট্যাটাস পায়।
বাংলাদেশের ক্রিকেটের উন্নয়ন এবং বিশ্ব ক্রিকেটে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০২ সালের অক্টোবর মাসে লন্ডনে মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাব তাকে আজীবন সদস্যপদ প্রদান করে। তিনি ব্যক্তিগতভাবেও ক্রিকেট উন্নয়নে সর্বদা কাজ করার চেষ্টা করে গেছেন।
তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক রাজনৈতিক সচিব ছিলেন। ২০০১ সালের ডিসেম্বর মাসে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মনোনীত হন।