a ইসলাম ধর্মের পথে চলতে বিনোদনকে বিদায় জানালেন আরেক অভিনেত্রী
ঢাকা শুক্রবার, ২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ এপ্রিল, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

ইসলাম ধর্মের পথে চলতে বিনোদনকে বিদায় জানালেন আরেক অভিনেত্রী


বিনোদন ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ১০ অক্টোবর, ২০২২, ১২:০২
ইসলাম ধর্মের পথে চলতে বিনোদনকে বিদায় জানালেন আরেক অভিনেত্রী

ফাইল ছবি

দীর্ঘ দিনের বলিউডের গোছানো ক্যারিয়ারকে বিদায় জানিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী জাইরা ওয়াসিম ও সানা খানসহ অনেকে। কারণ হিসেবে তারা বলেছিলেন ইসলামে সমর্পণ করতে চান নিজেদের। এবার জানা গেল ইসলাম ধর্মের পথে চলতে বিনোদন জগতকে বিদায় জানিয়েছেন ভোজপুরী সিনেমার আরেক অভিনেত্রী সহর আফসাহ। সামাজিক মাধ্যমে নিজের এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

তিনি লিখেছেন, ‘আমি সকলকে জানাতে চাই যে আমি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি ছেড়ে দিয়েছি আর এর সঙ্গে যুক্ত থাকতে চাই না। বাকি জীবনটা ইসলামের শিক্ষা এবং আল্লাহর নিয়ম মেনেই কাটিয়ে দিতে চাই। অতীতে আমি যেভাবে জীবন কাটিয়েছি তার জন্য আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা ভিক্ষা করছি।’

সহর আরও লিখেছেন, ‘বিপুল সাফল্য আর অর্থ পেয়েও আমি তৃপ্ত ছিলাম না। কারণ আমি ছোটবেলায়ও এই ধরণের জীবনযাপন করার কথা ভাবিনি। হঠাৎ করেই এই ইন্ডাস্ট্রিতে আমি এসে পড়ি আর এগিয়ে যেতে থাকি। কিন্তু এইসব কিছু শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

এর আগে ২০১৯ এ অভিনেত্রী জায়রা ওয়াসিম বলিউড ছাড়েন। বেছে নেন ধর্মের পথ। সূত্র: ডিএনএ ইন্ডিয়া।

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী করোনায় আক্রান্ত


নাঈম,বিনোদন ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২১, ০৩:৫৯
অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী করোনায় আক্রান্ত

ফাইল ছবি

ভারতে ক্রমশ বাড়তে থাকা করোনায় নাজেহাল দেশটির জনগণ। আর মাত্র এক দফার ভোট বাকি। একটানা ভোট প্রচারে অতিরিক্ত জন সমাগমের জন‍্যই করোনার এমন সংক্রমণ বাড়ছে বলে অভিযোগ করছে অনেকে। 

ইতিমধ‍্যেই বেশ কয়েকজন তারকা থেকে রাজনীতিবিদের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন মিঠুন চক্রবর্তী। শোনা যাচ্ছে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন তিনি। ফিল্মফেয়ারের অফিশিয়াল টুইটার হ‍্যান্ডেলে এমনটাই জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে আপাতত হোম কোয়ারেন্টাইনেই থাকবেন মিঠুন চক্রবর্তী। 

বর্তমানে চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে চলছেন তিনি। তবে অভিনেতার পরিবারের তরফ থেকে এখনো এই বিষয়ে কিছুই জানানো হয়নি।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

বাংলাদেশকে ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দক্ষ খেলোয়াড় হিসেবে চ্যালেঞ্জগুলো দৃঢ়ভাবে মোকাবিলা করতে হবে


কর্নেল আকরাম, কলাম লেখক, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শুক্রবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৫, ০৭:৫২
বাংলাদেশকে ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দক্ষ খেলোয়াড় হিসেবে চ্যালেঞ্জগুলো দৃঢ়ভাবে মোকাবিলা করতে হবে

ছবি সংগৃহীত

 

রাজনীতি একটি দেশের সরকারের গঠন এবং পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি মূলত দুটি প্রধান রাজনৈতিক দলের মধ্যে ক্ষমতা দখল এবং নির্দিষ্ট সংবিধানিক সময়ের জন্য সরকার গঠনের প্রতিযোগিতা। এই প্রতিযোগিতা কখনো সংবিধান অনুসারে সুষ্ঠুভাবে হতে পারে, আবার কখনো ক্ষমতার লোভে একে অপরের বিরুদ্ধে সংঘাতমূলক মনোভাব নিয়ে পরিচালিত হয়, যা দেশের এবং জনগণের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।  

বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত যে রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে, তা খুবই সংঘাতপূর্ণ। এর পেছনে রয়েছে স্বাধীনতার শুরু থেকেই বিদ্যমান কিছু অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জ। "বাংলা জাতীয়তাবাদ বনাম বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ" এবং "জয় বাংলা বনাম বাংলাদেশ জিন্দাবাদ"—এই বিতর্কিত বিষয়গুলো এখনো মীমাংসিত হয়নি। শেখ মুজিব এবং জিয়া ইস্যুও এখনো অমীমাংসিত। এছাড়া, ধর্মনিরপেক্ষতা বনাম ইসলামের রাজনীতিও বাংলাদেশের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।  

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা একটি রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত হয়েছিল। পাকিস্তানের দুই অংশের মধ্যে সংঘটিত এই যুদ্ধে লক্ষ লক্ষ মানুষকে জীবন উৎসর্গ করতে হয়। এটি মূলত পশ্চিম পাকিস্তানের সেনা সরকারের ভুল রাজনীতির ফল। অথচ পূর্ববঙ্গের বাঙালি মুসলমানদের অবদান ছিল অখণ্ড ভারতের অন্যান্য মুসলিম সম্প্রদায়ের তুলনায় কম নয়।  

পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ এবং তাদের নেতা শেখ মুজিব কখনো পাকিস্তান ভাঙতে চাননি। কিন্তু ক্ষমতার নোংরা রাজনীতির ফলে তা সম্ভব হয়েছিল। স্বাধীনতার পর থেকেই বাংলাদেশ সুষ্ঠু রাজনীতি প্রত্যক্ষ করতে পারেনি এবং শুরু থেকেই নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। শেখ মুজিব স্বাধীন বাংলাদেশের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেও, তাঁকে নিজের দলের অভ্যন্তরে এবং পরাজিত রাজনৈতিক গোষ্ঠীর বিরোধিতার মুখোমুখি হতে হয়।  

শেখ মুজিব জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার বদলে নিজেকে স্থায়ী ক্ষমতায় রাখার উদ্দেশ্যে দেশকে বিভক্ত করেছিলেন। নিজের শাসন সুরক্ষিত রাখতে তিনি গঠন করেছিলেন প্যারামিলিটারি বাহিনী জেআরবি এবং একদলীয় ব্যবস্থা বাকশাল। এ পদক্ষেপগুলো সেনাবাহিনী এবং তাঁর দীর্ঘদিনের মিত্র যুক্তরাষ্ট্রকে বিরক্ত করেছিল। দলীয় গণতন্ত্রে বিশ্বাসী এবং যুক্তরাষ্ট্রপন্থী অনেক নেতাও তাঁর বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। তাঁর স্বৈরাচারী শাসন জনগণের কাছে জনপ্রিয়তা হারায়।  

অভ্যন্তরীণ এবং বহিরাগত চ্যালেঞ্জের মোকাবিলায় ব্যর্থ হয়ে শেখ মুজিব শেষ পর্যন্ত নিজের জীবন দিয়ে ঋণ শোধ করেন। শেখ মুজিবের পতনের পর দেশের রাজনীতিতে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়। কিন্তু জিয়াউর রহমানের ক্ষমতায় আরোহণের ফলে সাময়িক স্থিতিশীলতা ফিরে আসে। জিয়াউর রহমান রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও বিচক্ষণতার মাধ্যমে দেশকে সঠিক পথে পরিচালিত করেন এবং জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেন। তবে, তাঁর শাসন দীর্ঘস্থায়ী হয়নি এবং একটি হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে তা শেষ হয়।  

এরশাদ সরকারের আমলে বিরোধী দলগুলোর জন্য নতুন সংকট তৈরি হয় এবং নির্বাচনের নামে প্রহসন চলে। শেষ পর্যন্ত এরশাদকে ক্ষমতা ছাড়তে হয়।  

এরশাদের পতনের পর দেশে দ্বিদলীয় গণতান্ত্রিক চর্চার সূচনা হয়। তবে, ২০০৭ সালের সামরিক হস্তক্ষেপ এই ধারাকে বাধাগ্রস্ত করে। ২০০৮ সালের নির্বাচন, যা অনেকের মতে প্রভাবিত নির্বাচন ছিল, শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় নিয়ে আসে।  

এরপর রাজনীতিতে আবার চ্যালেঞ্জ দেখা দেয়, বিশেষ করে বিডিআর হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে দেশের সামাজিক নিরাপত্তা চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যায়। শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসনের পতন ২০২৪ সালের জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ঘটে।  

জুলাই বিপ্লবের পর বাংলাদেশ আবারও চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়। বিপ্লবী সরকারের বদলে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়, যা দেশে আরও সংকট তৈরি করে।  

বর্তমানে দেশ বহুমুখী অভ্যন্তরীণ এবং বহিরাগত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। প্রয়োজনীয় সংস্কার, নির্বাচন এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতি সরকারের জন্য বাড়তি মাথাব্যথার কারণ। আওয়ামী অপরাধীদের বিচারও সরকারের জন্য বড় একটি চ্যালেঞ্জ।  

অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে দলগুলোর মধ্যে সমঝোতার অভাব আশঙ্কার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিএনপি এবং তার মিত্ররা একদিকে, আর ইসলামী দলগুলো এবং নতুন একটি রাজনৈতিক দল অন্যদিকে প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুত। কিন্তু এ প্রতিযোগিতা যেন কাদা ছোড়াছুড়ি না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায়, অনৈতিক রাজনীতি দেশের জন্য বিপর্যয় ডেকে আনবে।  

বহিরাগত চ্যালেঞ্জগুলোও বাংলাদেশের জন্য গুরুতর উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। জুলাই বিপ্লবের পর দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক পরিস্থিতি পরিবর্তনের মুখে। দীর্ঘদিনের মিত্র ভারত বর্তমান সরকারের সঙ্গে সহযোগিতা কমিয়ে দিয়েছে, যেখানে পাকিস্তান দীর্ঘ সময় পর বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ হয়েছে।  

এ পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশকে দক্ষ খেলোয়াড় হিসেবে প্রমাণ করতে হবে এবং সামনে যে চ্যালেঞ্জই আসুক না কেন, তা দৃঢ়ভাবে মোকাবিলা করতে হবে।


লেখক: অধ্যাপক কর্নেল আকরাম
সম্পাদক, মিলিটারি হিস্ট্রি জার্নাল এবং আইন ও ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

সর্বশেষ - বিনোদন