a বইমেলাতে হানিফ সংকেতের নতুন বই ‘আবেগ যখন বিবেকহীন’
ঢাকা শুক্রবার, ২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ এপ্রিল, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

বইমেলাতে হানিফ সংকেতের নতুন বই ‘আবেগ যখন বিবেকহীন’


বিনোদন ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ০৬ ফেরুয়ারী, ২০২৩, ০৮:২১
বইমেলাতে হানিফ সংকেতের নতুন বই ‘আবেগ যখন বিবেকহীন’

ফাইল ছবি

দেশবরেণ্য গণমাধ্যমব্যক্তিত্ব হানিফ সংকেত অন্যান্য বছরের ন্যায় বইমেলা-২০২৩ নিয়ে এলেন নতুন বই। বইটির নাম ‘আবেগ যখন বিবেকহীন’।

তার লেখালেখি প্রসঙ্গে হানিফ সংকেত গণমাধ্যমকে বলেন, ‘মিডিয়াতে আমার শুরুটাই লেখালেখি দিয়ে। আর সেটা সত্তুর দশকের শুরু থেকেই। দর্শকদের ভালোবাসার কারণে ইত্যাদিকে নিয়ে বেশিরভাগ সময় ব্যস্ত থাকতে হয়, তাই ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও সবসময় লিখতে পারি না। কারণ গত ৩৪ বছর ধরেই আমাকে একটা সিডিউল মেনে চলতে হচ্ছে। একটি নির্দিষ্ট তারিখে ইত্যাদি প্রচার হয় বলে আমাকে সেই তারিখের আগে অনুষ্ঠানটি নির্মাণ করে জমা দিতে হয়। তবে যত ব্যস্ত থাকি না কেন মনের ক্ষুধার তাড়নায় চেষ্টা করি সংখ্যায় বেশি না হলেও বছরে অন্ততঃ একটি হলেও বই প্রকাশ করতে।’

তিনি জনপ্রিয় টিভি অনুষ্ঠান ইত্যাদি নির্মাণ করে আসছেন গত দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে।  সামাজিক অসঙ্গতিগুলো তুলে ধরার পাশাপাশি লেখালেখিতেও তার গভীর পর্যবেক্ষণ অনুকরনীয়।

বিভিন্ন অসংগতি তুলে ধরে সমাজকে পরিশুদ্ধ করতে তিনি যেমন নিরন্তন কাজ করে যাচ্ছেন তেমনি আমাদের নাগরিক সচেতনতা, কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে ধরে রাখতেও ভূমিকা রাখছেন আন্তরিকতার সঙ্গে। তার এবারের গ্রন্থেও সেই বিষয়গুলিকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে বলে জানান।

‘আবেগ যখন বিবেকহীন’ বইটি সম্পর্কে হানিফ সংকেত বলেন, আবেগ ও বিবেকের মধ্যে পার্থক্য হলো, বিবেক উচিত-অনুচিত, ভালো-মন্দ বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। আর আবেগ ভাবাবেগে কাজ করে। আবেগের বেগ বেশি হলে মানুষ ভুল করে বসে, বিবেকও কাজ করে না। ফলে মানুষ হয়ে পড়ে বিবেকহীন। আমাদের মনে রাখা প্রয়োজন, দেখার চোখই শুধু চোখ নয়। বিবেকেরও চোখ আছে। কিন্তু আমরা অনেকেই চোখ থাকতেও অন্ধ। যে কারণে অসংগতি, দূর্গতি, ভোগান্তি এবং অশান্তি লেগেই থাকে। কারণ বিবেকহীন মানুষ কখনও সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে না।

আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশের ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়ে সাজানো হয়েছে ‘আবেগ যখন বিবেকহীন’ গ্রন্থটি। বইটি প্রকাশ করেছে অনন্যা প্রকাশনী। প্রচ্ছদ করেছেন ধ্রুব এষ। বইটি বইমেলায় পাওয়া যাচ্ছে।

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

নুসরাতের মুখের কথা আর ওয়েবসাইটের নথিতে তথ্য আলাদা


বিনোদন ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ০৯ জুন, ২০২১, ০৯:১৮
নুসরাতের মুখের কথা আর ওয়েবসাইটের নথিতে তথ্য আলাদা

ফাইল ছবি

অভিনেত্রী নুসরাত জাহানের স্বামীর নাম ওয়েবসাইটের নথিতে দেয়া আছে নিখিল জৈন। আর লোকসভার ওয়েবসাইটে স্পষ্ট লেখা নুসরাত বিবাহিত। তিনি বিয়ে করেছেন ২০১৯ সালের ১৯ জুন মাসে। আর এই বিষয়টি সামনে আসতেই হইচই শুরু হয়েছে গোটা পশ্চিমবঙ্গে।

এর আগে বুধবার দুপুরে অভিনেত্রী নুসরাত জাহান স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, ‘‘নিখিলের সঙ্গে আমি সহবাস করেছি। বিয়ে নয়। ফলে বিবাহ বিচ্ছেদের প্রশ্নই ওঠে না।’’ 

এরপরই হইচই শুরু হয়ে যায়। কিন্তু পরে দেখা যায়, নুসরাত নিখিলের সঙ্গে লিভ-ইন করেছেন বলে দাবি করলেও সরকারি নথিতে তিনি বিবাহিত এবং স্বামীর নাম নিখিল জৈন। 

সম্প্রতি জানা যায়, মা হতে চলেছেন নুসরাত। অনাগত সন্তানের পিতৃপরিচয় কী তা নিয়ে গত ৫ দিন ধরে বিতর্ক তুঙ্গে। শুধু তাই নয়, নিখিলের সঙ্গে তার বিবাহ বিচ্ছেদ হচ্ছে না কেন, এই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে চার দিক থেকে। এমনকি লেখিকা তসলিমা নাসরিনও নুসরাতের নীরবতা নিয়ে কথা বলেছিলেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

তসলিমা নাসরিন লিখেছিলেন, ‘…এই যদি পরিস্থিতি হয়, তবে নিখিল আর নুসরাতের ডিভোর্স হয়ে যাওয়াই কি ভালো নয়? অচল কোনও সম্পর্ক বাদুড়ের মতো ঝুলিয়ে রাখার কোনও মানে হয় না। এতে দু’পক্ষেরই অস্বস্তি।’ এর পরেই নুসরাত জানিয়েছেন, তিনি আদৌ নিখিলকে বিয়েই করেননি।

যদিও এর আগে খুব কম অতিথি নিয়েই তুরস্কে বিয়ে হয়েছিল নুসরাত ও নিখিলের। সেই প্রসঙ্গ টেনে নুসরাত জানিয়েছেন, তুরস্কের বিবাহ আইন অনুসারে ওই অনুষ্ঠান অবৈধ। উপরন্তু হিন্দু-মুসলিম বিবাহের ক্ষেত্রে বিশেষ বিবাহ আইন অনুসারে বিয়ে করা উচিত। যা এ ক্ষেত্রে মানা হয়নি। ফলত, এটা বিয়েই নয়। বুধবার এমনই যুক্তি প্রকাশ্যে এনেছেন অভিনেত্রী নুসরাত। তার দাবিনানুযায়ী, যে বিয়ে আইনতসিদ্ধ নয়, তার জন্য বিবাহ বিচ্ছেদের প্রয়োজন নেই।

কিন্তু সংসদকে বিবাহিত হিসেবে পরিচয় জানিয়েছেন কেন? এবার উঠবে সেই প্রশ্ন। কারণ, নিয়ম অনুযায়ী সংসদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই ওয়েবসাইটে পরিচয় দেওয়া হয়। তবে গত লোকসভা ভোটের আগে লোকসভা নির্বাচনকে যে হলফনামা দিয়েছিলে নুসরাত তাতে অবিবাহিতই দাবি করেছিলেন নিজেকে। কারণ, তার বিয়ের যে তারিখ লোকসভার ওয়েবসাইটে রয়েছে তা নির্বাচনের পরের। সূত্র: আনন্দবাজার

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে যেসব যোগ্যতা লাগবে


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বুধবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৩, ১১:৪১
গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে যেসব যোগ্যতা লাগবে

ফাইল ছবি

২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় ভর্তিতে আবেদন চলছে। গত ১৮ এপ্রিল দুপুর ১২টা থেকে গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারছেন। আবেদন করা যাবে এ মাসের শেষ দিন (৩০ এপ্রিল) রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত।

গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সমন্বিত ভর্তি কমিটির সদস্যসচিব জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. ওহিদুজ্জামান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। ভর্তি পরীক্ষার সব তথ্য গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। এবার ২২টি বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ পদ্ধতিতে থাকছে। ওয়েবসাইটে প্রকাশিত আবেদন যোগ্যতা প্রকাশ করা হয়েছে।

২০১৮, ২০১৯ ও ২০২০ সালের এসএসসি বা সমমান এবং ২০২১ ও ২০২২ সালের এইচএসসি বা সমমান, ডিপ্লোমা ইন কমার্স, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এইচএসসি (ভকেশনাল), এ লেভেল এবং অন্যান্য সমমান পরীক্ষায় (সমমান নির্ধারণ কমিটি কর্তৃক অনুমোদনক্রমে) উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরাই কেবল ভর্তি পরীক্ষার জন্য আবেদন করতে পারবেন। বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য শাখা থেকে এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত যোগ্যতা সাপেক্ষে যথাক্রমে ইউনিট এ, ইউনিট বি এবং ইউনিট সি-তে আবেদন করতে পারবেন।

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় ন্যূনতম ৩০ নম্বর (পাস নম্বর) পেতে হবে। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে

ইউনিটভিত্তিক আবেদনের যোগ্যতা নিম্নরূপ

ইউনিট এ: বিজ্ঞান শাখা থেকে এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ আবেদনকারীদের এসএসসি বা সমমান ও এইচএসসি বা সমমান উভয় পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) ন্যূনতম জিপিএ-৩.৫০–সহ সর্বমোট জিপিএ কমপক্ষে ৮ থাকতে হবে। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞান শাখাসহ মাদ্রাসা বোর্ড (বিজ্ঞান) এবং ভকেশনাল (এইচএসসি) বিজ্ঞান শাখা হিসেবে বিবেচিত হবে।

ইউনিট বি: মানবিক শাখা থেকে এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ আবেদনকারীদের এসএসসি বা সমমান ও এইচএসসি বা সমমান উভয় পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) ন্যূনতম জিপিএ-৩-সহ সর্বমোট জিপিএ কমপক্ষে ৬ থাকতে হবে। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের মানবিক শাখাসহ মিউজিক, গার্হস্থ্য অর্থনীতি এবং মাদ্রাসা বোর্ড (সাধারণ, মুজাব্বিদ) মানবিক শাখা হিসেবে বিবেচিত হবে।

ইউনিট সি: বাণিজ্য শাখা থেকে এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ আবেদনকারীদের এসএসসি বা সমমান ও এইচএসসি বা সমমান উভয় পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) ন্যূনতম জিপিএ-৩-সহ সর্বমোট জিপিএ কমপক্ষে ৬.৫০ থাকতে হবে। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের বাণিজ্য শাখাসহ ডিপ্লোমা ইন বিজনেস স্টাডিজ, ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা (এইচএসসি) এবং ডিপ্লোমা ইন কমার্স বাণিজ্য শাখা হিসেবে বিবেচিত হবে।

জিসিইয়ের ক্ষেত্রে আইজিসিএসই (ও লেভেল) পরীক্ষায় কমপক্ষে তিনটি বিষয়ে বি গ্রেডসহ পাঁচটি বিষয়ে পাস এবং আইএএল (এ লেভেল) পরীক্ষায় কমপক্ষে দুটি বিষয়ে বি গ্রেডসহ তিনটি বিষয়ে পাস থাকতে হবে। এ ক্ষেত্রে অনলাইনে সংশ্লিষ্ট নম্বরপত্র আপলোডসহ আবেদনের পর সমমান ও যোগ্যতা নির্ধারণ কমিটি কর্তৃক অনুমোদনক্রমে আবেদন করতে হবে।
কোন দিন কোন ইউনিটের পরীক্ষা

ভর্তি পরীক্ষা দুপুর ১২টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। ভর্তি পরীক্ষায় ন্যূনতম ৩০ নম্বর (পাস নম্বর) পেতে হবে। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে। শুধু গুচ্ছভুক্ত সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরাই যোগ্যতা থাকা সাপেক্ষে পছন্দকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করতে পারবেন। সূত্র: প্রথম আলো

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

সর্বশেষ - বিনোদন