a
সংগৃহীত ছবি
উল্টাপাল্টা কথার জন্য প্রায় সময়ই বিতর্কিত হন রাখি সাওয়ান্ত। বিভিন্ন আলোচিত ইস্যু নিয়ে নিজের মনগড়া কথা বলে খবরের শিরোনামে চলে আসেন বলিউডের এই অভিনেত্রী। এজন্য তাকে নানা আলোচনা-সমালোচনার শিকারও হতে হয়। কিন্তু তাতে তার কিছুই আসে যায়না। সে চলে তার নিজের গতিতেই।
এবার সুপারস্টার আমির খান ও কিরণ রাওয়ের বিবাহবিচ্ছেদের খবরে মন্তব্য করে ফের আলোচনায় আসলেন রাখি।
এ বিষয়ে রাখি বলন, ‘আমার সংসারই হচ্ছে না, আর ওদিকে মানুষের ডিভোর্স হচ্ছে’।
এর আগে বেশ কয়েকবারই রাখি নিজেকে বিবাহিত দাবি করে জানান, তার স্বামীর নাম ঋতেশ। যিনি প্রবাসী। কিন্তু কে সেই ঋতেশ, দেখতেও বা কেমন তিনি, সেটা আজ অব্দি প্রকাশ্যে আসেনি। তাই প্রশ্ন থেকে যায়, আদৌ কি বিয়ে করেছেন রাখি?
প্রসঙ্গত, সালমান খান সঞ্চালিত টিভি শো ‘বিগ বস’-এ অংশ নিয়ে রাখি বলেছিলেন, ‘আমার স্বামী ক্যামেরার সামনে আসতে চাইছে না। বর্তমানে ইউরোপে রয়েছে সে। আমার বিয়ে যে এভাবে ট্র্যাজেডি হয়ে যাবে, তা আগে বুঝতে পারিনি।’
সংগৃহীত ছবি
আলোচিত নায়িকা পরীমণি রাজধানীর বিভিন্ন সামাজিক ক্লাব ও বারে নিষিদ্ধ হচ্ছেন। সবাই এ সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন তার সাম্প্রতিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে বিরক্ত হয়ে। এর মধ্যে সামাজিক ক্লাবগুলোর কর্তৃপক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়েছে পরীমণিকে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করার।
পরীমণি কিংবা তার মত কাউকে ক্লাবে কোনো সদস্য নিয়ে গেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শুধু তাই নয়, কোন অনাকাংঙ্খিত ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট সদস্যের সদস্যপদ খারিজ করা হবে। ক্লাব ও বারগুলোর এ সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়েছেন চলচ্চিত্র প্রযোজক, পরিচালক, শিল্পী ও প্রদর্শকরাও।
তারা বলছেন, ব্যক্তি বিশেষের দায়ভার কোনোভাবেই পুরো চলচ্চিত্র জগত নিতে পারে না। পরীমণি বাংলাদেশের সিনেমার বড় ধরণের ক্ষতি সাধন করেছে। নেতিবাচক ধারণা তৈরি করেছেন চলচ্চিত্র জগত সম্পর্কে। তার কারণে ক্ষতির শিকার হচ্ছেন অন্য অভিনেত্রীরাও।
এদিকে, পুলিশ গুলশান অল কমিউনিটি ক্লাবে পরীমণির ভাঙচুর ও মাতলামির সকল সিসিটিভির ফুটেজ পরীক্ষা করে সত্যতা পেয়েছে। এখন পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে বোট ক্লাবের ফুটেজগুলো। প্রয়োজনে পুলিশ পরীমণি ও তার সঙ্গীদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
ছবি:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
দেশের ২২টি সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় ঐতিহ্যবাহী চাঁদপুর জেলা থেকে আগত শিক্ষার্থীদের জন্য ‘হেল্প ডেস্ক’ স্থাপন করে পর্যাপ্ত সহায়তা করেছে জবিস্থ চাঁদপুর জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদ।
শনিবার (৩০ জুলাই) গুচ্ছের ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার্থীদের সহায়তা ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করে উক্ত ছাত্রকল্যাণ পরিষদ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদের সভাপতি জয়নাল আবেদীন, সাধারণ সম্পাদক বায়েজিদ বোস্তামী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, ফজলে রাব্বি ও রাফি, সাংগঠনিক সম্পাদক রবিনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা।
সরেজমিনে দেখা যায়, চাঁদপুর জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে ভর্তিচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্য তথ্য সহায়তা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়। সহায়তা কেন্দ্র থেকে শিক্ষার্থীদের আসন পরিকল্পনা বিষয়ক তথ্য প্রদান করা হয়। হেল্প ডেস্কে শিক্ষার্থীদের ব্যাগ, মোবাইল গচ্ছিত রাখা হয়। এছাড়াও আগত পরীক্ষার্থীদের মাঝে মাস্ক, কলম, পানি বিতরণ করা হয়, অভিভাবকদের বসার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়।
সার্বিক কার্যক্রমের বিষয়ে জবিস্থ চাদপুর জেলা ছাত্রকল্যাণের সভাপতি জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘আমরা আমাদের জেলা থেকে আগত শিক্ষার্থীদের সাধ্যমত সহযোগিতা করার চেষ্টা করেছি। তাদের সাথে নিয়ে আসা জিনিসপত্র (ব্যাগ, ঘড়ি, মোবাইল) সংগ্রহ করে আমাদের হেফাজতে রেখে তাদেরকে পরীক্ষা শেষে আবার ফিরিয়ে দিয়েছে।’
সাধারণ সম্পাদক বায়েজিদ বোস্তামী বলেন, নিজ জেলা থেকে আসা পরীক্ষার্থীদের মাঝে মাস্ক, কলম পানিসহ অন্যান্য সহায়ক দ্রব্যাদি বিতরণের মাধ্যমে তাদের পাশে থাকার চেষ্টায় ছিলাম আমরা। আমাদের এ আয়োজনে যারা পাশে ছিলো তাদেরকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। ভবিষ্যতেও আমরা এমন আয়োজন অব্যাহত রাখার চেষ্টা করবো।
নেতৃবৃন্দের সাথে কথা বলে আরো জানা যায় যে, সামনে আরো দুই ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় তাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ্য যে, গুচ্ছভুক্ত ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা আজ থেকে শুরু হয়েছে। ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে দ্বিতীয়বারের মত গুচ্ছভুক্ত ভর্তি পরীক্ষা।