a
ফাইল ছবি
রাজধানীর উত্তর বাড্ডা থেকে গুম করার চেষ্টা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর। রবিবার সন্ধ্যায় ফেসবুক লাইভে তিনি এই অভিযোগ জানান। নুর বলেন, আমি ভাড়ায় একটি গাড়িতে করে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ খেয়াল হলো চালক কার সঙ্গে কথা বলছে, তার লোকেশন কথা বলছে। হঠাৎ সে থেমে গাড়ি থেকে নেমে যাই। কিছু লোকের সঙ্গে সে কথা বলে এবং তারা গাড়িচালককে বলে আপনি চলে যান আমরা গাড়ি চালিয়ে নিয়ে যাব। এরপরই দ্রুত আমরা গাড়ি থেকে নেমে আশেপাশের মানুষকে বিষয়টি জানাই এবং পরে একটি শো-রুমের মধ্যে ঢুকে পড়ি।
ভিপি নুর বলেন, আমি গুলশান-১ নম্বর থেকে আমার আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে ফিরছিলাম। আমাদের মামলাগুলো কীভাবে আইনিভাবে লড়া যায় সেই পরামর্শের জন্য তার চেম্বারে যাই। ফেরার পথে এই ঘটনা ঘটেছে। ড্রাইভারকে তারা বলেছে, তারা নাকি ডিবির লোক। কিন্তু তাদের গায়ে কোনো পোশাক ছিল না। আমরা যখন বুঝতে পারলাম তখন গাড়ি থেকে তাড়াতাড়ি নেমে গেছি। তারা মূলত আমাকে গুম করার জন্য আটক করতে চেয়েছিল।
নুর আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, আমাদের দলের নেতা, শুভাকাঙ্ক্ষী একাধিক ব্যক্তি এভাবে গুম হয়েছেন। আমিও যে কোনো সময় বাসা থেকে গুম কিংবা খুনও হতে পারি। আমি আগেই দেশবাসীর কাছে বিচার দিয়ে রাখলাম। সূত্র:বিডিপ্রতিদিন
মুক্তা দাশ
মন কেমনের লকডাউন
এমন মিঠে বৃষ্টির আলাপনে ...
বড্ড মন কেমন করে সারাক্ষণ !
কেউ কেউ এর মধ্যে ই শাসায়... লক ডাউন!
লকডাউন চিৎকারে, বড্ড বিরক্তি ধরায়ে দেয় ।
কিভাবে থাকি বলো তো !?
তোমাকে ছাড়া এই বৃষ্টিমুখর জলসায় !
একটু মুড়ি-চানাচুরমাখা মুখোমুখি বৈঠকে
হাসিতে মুখর মাথা ঠোকাঠুকিতে
নাকে নাকে মিলমিশ
চোখে মুখে প্রেমের বন্যা ..
কি করে থাকি বলো তো ???
তোমায় যে বড্ড বেশি প্রয়োজন ।
এমন বৃষ্টি ভেঁজা মাদল হাওয়ায়
তোমার সুখটানের ধোঁয়ায় আমি ভেসে যাই,
বৃষ্টি আমায় ভিজিয়ে দেয় আপাদমস্তক !
তোমার আলতো স্পর্শ পাই ,, হারিয়ে যাই
সৃষ্টি রহস্যে! উন্মাদনার আগুন জ্বলে উঠে
পুড়িয়ে দেয় মনোভূমি কৃষ্ণচূড়ার রঙে দেহবল্লরী।
অমাবস্যার ঘুটঘুটে আঁধারে নির্বিকার! আমি
জানালার এপাশেে বৃষ্টি খুঁজে ফিরি ,
স্বৈরাচারী করোনার শাসনে
ভালোবাসাও শাসিয়ে বলে ...!!
সবেতেই লকডাউন এ ধরায় ।।
ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় আজ শনিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানী ঢাকা শীর্ষে উঠে এসেছে। সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) স্কোর ৩৭০ নিয়ে রাজধানীর বাতাসের মান ‘ঝুঁকিপূর্ণ’।
১০১ থেকে ২০০ এর মধ্যে একিউআই স্কোর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য 'অস্বাস্থ্যকর' বলে মনে করা হয়। ২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে থাকা একিউআই স্কোর ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। আর ৩০১ থেকে ৪০০ এর এর মধ্যে থাকা একিউআইকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করে।
ভারতের দিল্লি ও মুম্বাই যথাক্রমে ২৫১ ও ২২০ একিউআই স্কোর নিয়ে যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে।
বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের পাঁচটি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে, সেগুলো হল- বস্তুকণা (পিএম ১০ ও পিএম ২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (এসও৩)।
দীর্ঘদিন ধরে বায়ু দূষণে ভুগছে ঢাকা। এর বাতাসের গুণমান সাধারণত শীতকালে অস্বাস্থ্যকর হয়ে যায় এবং বর্ষাকালে এর কিছুটা উন্নতি হয়।
২০১৯ সালের মার্চ মাসে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ঢাকার বায়ু দূষণের তিনটি প্রধান উৎস হল, ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলো বালি। সূত্র:ইত্তেফাক