a বৃহত্তর ময়মনসিংহ ছড়া সংসদের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত
ঢাকা শুক্রবার, ২০ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ এপ্রিল, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

বৃহত্তর ময়মনসিংহ ছড়া সংসদের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত


নিজস্ব প্রতিবেদন:
শুক্রবার, ০২ এপ্রিল, ২০২১, ১০:৩৬
বৃহত্তর ময়মনসিংহ ছড়া সংসদের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

আজ সকাল সাড়ে আটটায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে বৃহত্তর ময়মনসিংহ ছড়া সংসদের এক অনির্ধারিত মিটিং অনুষ্ঠিত হয় টিটিসি প্রাঙ্গনে। মিটিংএ উপস্থিত ছিলেন প্রবীণ ছড়াকার অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ফরিদা বেগম, ছড়াকার শহীদ আল মামুন, ছড়াকার সরকার জসীম, ছড়াকার স্বপনধর, ছড়াকার তাছাদ্দুক হোসেন, কবি কথাশিল্পী ও ছড়াকার মুঈন হুদা, ছড়াকার মো: রফিকুল ইসলাম, ছড়াকার নামজুল আলম চৌধুরী, ছড়াকার অনন্য কামরুল, কবি ও ছড়াকার বিল্লাল মাহমুদ মানিক, কবি ও ছড়াকার কাঙাল শাহীন, ছড়াকার ফজলুল হক পরাগ, কবি ও ছড়াকার বেলায়েত হোসেন, ছড়াকার জুুলহাস আকন্দ, ছড়াকার শফিয়েল আলম ও আবু সাইদ কামাল।

বৃহত্তর ময়মনসিংহ ছড়া সংসদের উদ্যোগে ২০২১ বইমেলায় প্রকাশিত ‘বৃহত্তর ময়মনসিংহের ছড়া’ গ্রন্থটি গত সন্ধ্যায় সুন্দরবন পরিবহন থেকে সংগ্রহ করা হয়। আজ   সকালে গ্রন্থটির লেখক কপি সমবেত লেখকদের মাঝে বিতরণ করা হয়। 

সদ্য প্রকাশিত গ্রন্থটি হাতে পেয়ে সবাই উল্লসিত। একে একে সবাই বইটি সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেন। সুন্দর ও সমৃদ্ধ প্রকাশনার জন্য সবাই সন্তুষ্ট বলে মতামত প্রকাশ করেন। কেউ কেউ অতি উচ্ছসিত হয়ে বলেন, বইটি একটি ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। কারণ, এর আগে কখনো এমন কাজ এই অঞ্চলে হয়নি। বৃহত্তর ময়মনসিংহ ছড়া সংসদের এটিই প্রথম প্রয়াস। প্রয়াসটি অনেকটাই সফলতা পেয়েছে বলে অনেকে মতামত প্রকাশ করেন। 

ঘরোয়া অনুষ্ঠানটিতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি সরাকার জসীম এবং সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আবু সাইদ কামাল। উল্লেখ্য যে, গ্রন্থে সূচিবদ্ধ বৃহ্ত্তর ময়মনসিংহের সকল ছড়াকারের অংশ গ্রহণের মাধ্যমে জাঁকজমকপূর্ণ একটি অনুষ্ঠান করে বইটির মোড়ক উন্মোচনের পরিকল্পনা থাকলেও করোনা মহামরির কারণে তা সম্ভব হয়নি।
 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

বন্দুকের নল থুতনিতে লাগিয়ে সেলফি, উড়ে গেলো মাথা-মগজ


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
শনিবার, ২৪ জুলাই, ২০২১, ১১:০৩
বন্দুকের নল থুতনিতে লাগিয়ে সেলফি, উড়ে গেলো মাথা-মগজ

সংগৃহীত ছবি

ভারতের উত্তর প্রদেশের হারদুই অঞ্চলে গুলিভর্তি বন্দুক থুতনির সঙ্গে লাগিয়ে সেলফি তুলতে গিয়ে মারা গেছেন এক নারী। নিহত নারীর নাম রাধিকা গুপ্তা (২৬)। ট্রিগারে চাপ পড়ে বন্দুকের গুলিতে তার ঘাড় মাথা-মগজ উড়ে গেছে। বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) স্বামীর বাড়িতে এই দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি। এ খবর প্রকাশ করেছে দেশটির শক্তিশালী গণমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া।

প্রতিবেদনে জানা গেছে, বন্দুক দেখার পর রাধিকার শখ চাপে থুতনির সঙ্গে নল লাগিয়ে ছবি তুলবেন। তাও সেলফি। দারুন উৎসাহ নিয়ে প্রস্তুতি নেন তিনি। কিন্তু হায় কে জানতো, এই সেলফি তোলার উৎসবই হতে যাচ্ছে তার শেষযাত্রার শুরু! একহাতে মোবাইল ক্যামেরা অন্যহাতে বন্দুকের ট্রিগারে তার। এই সময় অসতর্কতাবশত ট্রিগারে আঙ্গুলের চাপ লাগায় গুলি বেরিয়ে যায়। পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জে বেরুনো গুলি তার গলা ও ঘাড় ছিদ্র করে বেরিয়ে যায়। হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

রাধিকার শ্বশুর রাজেশ গুপ্তা জানান, তার ছেলে আকাশ গুপ্তার সাথে রাধিকার বিয়ে হয় চলতি বছরের মে মাসে। শহরে তাদের ছোটো গহনার দোকান আছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের জন্য তাদের ১২-বোর একনলা বন্ধুকটি থানায় জমা রাখা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার আকাশ সেটা বাড়িতে ফেরত আনে। বন্দুকটি বাড়ির দ্বিতীয় তলায় ছিল। বিকেল ৪টার দিকে আমরা গুলির প্রচণ্ড শব্দ শুনতে পাই। দৌড়ে উপরে যাই। দেখি রাধিকা রক্তে ভাসছে। গুরুতর আহত। বন্দুক হাতে নিয়ে সে মেঝেতে পড়ে আছে। সামনে তার মোবাইল দেখতে পাই যা সেলফি তোলার জন্য রাখা ছিল। আমরা দ্রুতই তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাই কিন্তু তাকে বাঁচাতে পারিনি।

পুলিশ বন্দুক ও মোবাইল ফোনটি জব্দ করেছে। ইতোমধ্যে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ভিকটিমের ফোন থেকে একটি ছবি সংগ্রহ করা হয়েছে যা তার মৃত্যুর সম্ভবত কয়েক সেকেন্ড আগে তোলা হয়েছিল। পুলিশ এই ঘটনায় রাধিকার স্বামী আকাশকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। আকাশ জানান, তার স্ত্রী বন্দুক দেখার পর থেকেই ব্যাপক উৎসাহ দেখাচ্ছিল। সে বন্দুক পাশে রেখে বেশ কয়েকটি ছবিও তুলেছিল। আরও ছবি তোলার জন্য উদগ্রীব ছিল। কিন্তু সেলফি তোলার একপর্যায়ে অসতর্কতায় ট্রিগারে আঙ্গুলের চাপ পড়ে গুলি বেরিয়ে যায়।

এদিকে রাধিকার বাবা তার মেয়ের আকস্মিক মৃত্যুতে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তিনি থানায় অভিযোগ দায়েরে বলেছেন, স্বামীর বাড়ির লোকজনই যৌতুকের জন্য রাধিকাকে খুন করেছে। পুলিশের এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ফরেনসিক রির্পোটের পর এই ঘটনার সম্পর্কে তারা আরও বিস্তারিত জানতে পারবেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

চিকিৎসা বিজ্ঞানও অসহায় করোনার ভ্যারিয়েন্টের কাছে


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
সোমবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২১, ০৯:৫৬
চিকিৎসা বিজ্ঞানও অসহায় করোনার ভ্যারিয়েন্টের কাছে

ফাইল ছবি

দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা টানা তৃতীয় দিনের মতো সর্বোচ্চ ১০২ গিয়ে পৌঁছল। গতকাল রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় এই ১০২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখন পর্যন্ত এটিই এক দিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড। এর আগের দুই দিন ১০১ জন করে মৃত্যুবরণ করে। চলতি এপ্রিল মাসের এ পর্যন্ত দেশে কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত হয়ে ১ হাজার ৩৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর গত তিন দিনে মৃত্যু হলো মোট ৩০৪ জনের।

গত তিন দিনের মৃত্যুহার বিবেচনা করলে কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত হয়ে প্রতি ১৫ মিনিটে এক জনের মৃত্যু হচ্ছে। বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকেরা বলেন, করোনার ভ্যারিয়েন্টের কাছে চিকিত্সাবিজ্ঞান অসহায়। 

ভাইরাসটি বেঁচে থাকার জন্য বিভিন্ন রূপ পরিবর্তন করেছে, শক্তিশালী হয়েছে। ভাইরাসটি যে দ্রুতগতিতে পরিবর্তন হয়, গবেষণা সেই পর্যায়ে পৌঁছাতে পারছে না, পিছিয়ে পড়ছে গবেষণা। সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকেরা আরো বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মানুন, নিজেকে বাঁচান। এই ভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে এখনো কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হয়নি। তাই নিজেকেই নিজে রক্ষা করতে হবে। টিকা গ্রহণের পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললেই করোনা থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।

রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান-আইইডিসিআরের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনা ভাইরাস মহামারির দ্বিতীয় ঢেউয়ে আক্রান্তরা আগের চেয়ে দ্রুত মারা যাচ্ছে। আক্রান্ত ও মৃত্যুর হারও বেড়েছে গত বছরের চেয়ে অনেক বেশি তীব্রতা নিয়ে। মহামারির প্রভাব পড়ছে মানসিক স্বাস্থ্যেও। ঐ প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, এ বছরের মার্চে কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৬৩৮ জন। এপ্রিলের ১৫ তারিখ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৯৪১ জনের। সে অনুযায়ী দুই সপ্তাহেই মৃত্যুর হার এক লাফে ৪৭ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়েছে। 

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে প্রতিষ্ঠানটি বলছে, এ বছরের এপ্রিলে আগের বছরের সর্বোচ্চ মৃত্যুহারের চেয়ে প্রতিদিন প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি মৃত্যু হয়েছে। সামনে দেশে মৃত্যু ১০ গুণ বাড়তে পারে। বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকেরা বলেন, করোনার সঠিক কার্যকর ওষুধ ও টিকা নেই। তাই ভাইরাসটি কোন দিকে মোড় নেয়, তা বলা মুশকিল। বাতাসের মাধ্যমেও করোনা ছড়াচ্ছে। এই অবস্থায় সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে করোনা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। একমাত্র মাস্ক পরলেই ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ নিরাপদ থাকা যায়। অথচ অনেকে মাস্ক পরে না, স্বাস্থ্যবিধি মানে না। করোনার বর্তমান ভ্যারিয়েন্ট বেশি ছড়ায় আক্রান্ত উপসর্গবিহীন মানুষের মাধ্যমে। সে যে আক্রান্ত, সেটি বুঝতে পারে না, আর ঘুরে বেড়ায়। তার মাধ্যমে অনেকে আক্রান্ত হয়। আর যখন বুঝতে পারে আক্রান্ত, তখন তার ফুসফুসের অধিকাংশ ড্যামেজ হয়ে যায়। 

বিশেষজ্ঞরা বলেন, করোনার টিকাদান কার্যক্রম সারা দেশে চলছে। আরো টিকা আনার সর্বাত্মক চেষ্টা করছে সরকার। কিন্তু টিকা যদি আর সময়মতো না আসে, তখন কী হবে? আরো টিকা আসার বিষয়টি অনিশ্চিত। তাই সবাইকে মাস্ক পরতে হবে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, ‘যেহেতু করোনা ভাইরাসের বিভিন্ন ভ্যারিয়েন্ট আসছে, তাই এটার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চিকিত্সাসেবা চালিয়ে যাওয়া কঠিন। বিশ্বের অনেক দেশ করোনা রোগীদের চিকিত্সাসেবা দিতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে। বাংলাদেশে করোনা রোগীদের সুচিকিত্সা নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। সব জেলায় সেন্ট্রাল অক্সিজেনের ব্যবস্থা চালু করেছি।’ তিনি বলেন, করোনার টিকা গ্রহণ করে শতভাগ নিরাপদ থাকা যাবে না। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতেই হবে। অনেকে আইসিইউর জন্য চিত্কার করছেন। হাসপাতাল কিংবা আইসিইউতে যাতে যেতে না হয়, সেই কাজটি করতে হবে। এক্ষেত্রে সঠিকভাবে মাস্ক পরতে হবে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। নিজের রক্ষা নিজেকেই করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত চিকিত্সক অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ বলেন, করোনার ভ্যাকসিন কতটুকু কাজ করে, সেটা এখনো গবেষণার পর্যায়ে রয়েছে। তাই টিকা গ্রহণের পাশাপাশি সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মানাতে প্রয়োজনে আরও কঠোর হতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মানার ব্যাপারে কেউ কথা শোনে না। তবে এমন এক সময় শুনবে, তখন তার পাশে কেউ থাকবে না। নতুন নতুন টিকা আবিষ্কারে গবেষণা চালিয়ে যাওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

করোনা মোকাবিলায় গঠিত জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শক কমিটির সদস্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইরোলজি বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, করোনা রোগীরা হাসপাতালে বেড পাচ্ছে না। সুচিকিত্সার অভাবে অনেক রোগী মারা যাচ্ছে। বিশ্বের কোথাও করোনা রোগীদের চিকিত্সাসেবার কাজটি সঠিকভাবে সামাল দিতে পারেনি। ইতালিতে এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল যে, সবকিছু আল্লাহর ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, করোনা থেকে রক্ষা পাওয়ার একমপাত্র উপায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা। এটা নিশ্চিত করতে হবে।

বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) মহাসচিব ডা. এহতেশামুল হক চৌধুরী দুলাল বলেন, ‘শুধু মাস্ক পরলেই করোনা থেকে ৮০-৯০ শতাংশ নিরাপদ থাকা যায়। কিন্তু এই সহজ কাজটি অনেকেই করছি না। অনেকে বলছে, মরলে মরব। মনে রাখতে হবে, করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট খুবই শক্তিশালী। তাই সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতেই হবে। নিজেদের মরণ নিজেরা ডেকে আনবেন না।’

মুগদা মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর বলেন, করোনা ভাইরাস যে গতিতে পরিবর্তন হচ্ছে, চিকিত্সাবিজ্ঞান তার কাছাকাছিও যেতে পারছে না। করোনার শক্তিশালী ধরনের আক্রমণ অব্যাহত থাকলে পৃথিবীকে মানুষশূন্য করে ফেলবে ভাইরাসটি। এটা রোধ করতে হলে বিশ্বব্যাপী সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশে চায়নার মডেল বাস্তবায়ন করতে হবে। প্রসঙ্গত, চায়নার মডেলটি বাস্তবায়িত হলে টানা ছয় সপ্তাহ লকডাউন দিতে হবে। এরপর যেসব এলাকা আক্রান্ত হবে, তাদের আইসোলেশন ও কোয়ারেন্টাইনে রাখতে হবে। 

অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর বলেন, সারা দেশে ৬৪ জেলায় কোভিড রোগীদের জন্য আলাদা চিকিত্সার ব্যবস্থা করতে হবে। একই সঙ্গে নন-কোভিড রোগীদের পূর্বের মতো চিকিত্সাব্যবস্থা উন্মুক্ত করে দিতে হবে। তিনি বলেন, বর্তমানে করোনা উপসর্গবিহীন মানুষের মাধ্যমে করোনা বেশি ছড়াচ্ছে। অর্থাত্, যাদের কোনো উপসর্গ নেই কিন্তু করোনায় আক্রান্ত, তারা বেশি করে অন্যদের সংক্রমিত করছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে সামনে আরো ভয়াবহ বিপদ।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ হাজার ৬৯৮ জন নতুন করোনা রোগী শনাক্তের খবর দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ নিয়ে দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৭ লাখ ১৮ হাজার ৯৫০ জনে দাঁড়াল। গত ২৪ ঘণ্টায় ১০২ জন নিয়ে ১০ হাজার ৩৮৫ জনের মৃত্যু হলো। গত ২৪ ঘণ্টায় সেরে উঠেছেন ৬ হাজার ১২১ জন। গত এক দিনে যারা মারা গেছেন, তাদের মধ্যে ৫৯ জন পুরুষ আর নারী ৪৩ জন। তাদের ৯৭ জন হাসপাতালে এবং পাঁচ জন বাড়িতে মারা গেছেন। সূত্র:ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ