a মুগদা জেনারেল হাসপাতালে আইসিইউতে আগুন
ঢাকা শুক্রবার, ২০ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ এপ্রিল, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

মুগদা জেনারেল হাসপাতালে আইসিইউতে আগুন


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক:
বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর, ২০২১, ০১:৪৩
মুগদা জেনারেল হাসপাতালে আইসিইউতে আগুন

ফাইল ছবি

রাজধানীর মুগদা জেনারেল হাসপাতালের আইসিইউতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের ৭টি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজ করে যাচ্ছে। তবে আগুন লাগার কারণ ও হতাহতের খবর এখনো পাওয়া যায়নি।

ফায়ার সার্ভিস কন্ট্রোল রুম থেকে ডেপুটি অ্যাসিসটেন্ট ডিরেক্টর এনায়েত হোসেন গণমাধ্যমকে এ খবর নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দুপুর সাড়ে ১২টায় আমরা খবর পাই। আগুন নেভানোর জন্য প্রথমে ৩টি পরে আরও ৪টি ইউনিট পাঠানো হয়। বর্তমানে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে দাবি করেন।

বিস্তারিত....

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

রোগীর সংকুলান হচ্ছে না হাসপাতালগুলোতে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী


স্বাস্থ্য ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ১২ আগষ্ট, ২০২১, ০৪:১০
রোগীর সংকুলান হচ্ছে না হাসপাতালগুলোতে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সংগৃহীত ছবি । স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক

করোনায় (কোভিড-১৯) আক্রান্ত রোগীতে হাসপাতাল ভরে গেছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ‌‘হাসপাতালগুলো আর রোগী সংকুলান করতে পারছে না। তবে সরকার সাধ্যমতো চেষ্টা করছে, পরিস্থিতি সামাল দিতে।’

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীতে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘করোনা ও ডেঙ্গু মোকাবিলার চ্যালেঞ্জ’ নিয়ে এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সোসাইটি অব মেডিসিন এবং সিডিডি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সংক্রমণ কমে আসছে। এ ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। সরকার বয়স্কদের টিকার আওতায় আনতে সব ধরনের উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। অল্প দিনেই আমাদের চার থেকে পাঁচ হাজার টেকনিশিয়ান নিয়োগ হয়ে যাবে, যেটা খুবই প্রয়োজন। আমরা ফিল্ড হাসপাতাল বানাচ্ছি। এসবের পাশাপাশি ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রমও চলমান।’

হাসপাতালে শয্যা আর বাড়ানো সম্ভব নয় জানিয়ে অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) এ বি এম খুরশীদ আলম বলেন, ‘হাসপাতালে আর শয্যা বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। তাই সংক্রমণ কমিয়ে আনা ছাড়া গতি নেই।’ সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ভাষা শহীদদের প্রতি বাংলাদেশ বেকার সম্প্রদায়ের শ্রদ্ধা নিবেদন


সাইফুল, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ২২ ফেরুয়ারী, ২০২৩, ০৫:৫৪
ভাষা শহীদদের প্রতি বাংলাদেশ বেকার সম্প্রদায়ের শ্রদ্ধা নিবেদন

ছবি:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

মহান ২১শে ফেব্রুয়ারি শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। এই উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে বাংলাদেশ বেকার সম্প্রদায়। রাত ১টা ৩০ মিনিটে সংঘটনের সভাপতি মো: আল কাওছার এবং সাধারণ সম্পাদক মো: সাইফুল আলমের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ফুলেল শুভেচ্ছা নিবেদন করেন।

একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে রাত ১২টা ১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রথমে রাষ্ট্রপতি এবং পরে প্রধানমন্ত্রী শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এরপর স্পিকার ও প্রধান বিচারপতি শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তার কিছুক্ষণ পরেই বাংলাদেশ বেকার সম্প্রদায় সকল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সকলে মিলে কিছুক্ষণ নীরবতা পালন করেন। পরবর্তীতে উপস্থিত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাসহ বিশিষ্টজনদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

বেকারের অধিকার আমাদের অঙ্গীকার এই শ্লোগানকে সামনে রেখে সারাদেশের লাখ লাখ বেকারের কর্মসংস্থান এবং বেকারদের জন্য ৪ দফা দাবী বাস্তবায়নের লক্ষে সক্রিয় আন্দোলন এবং গণসংযোগ করে যাচ্ছেন এই সংগঠনটি। জাতির সূর্যতরুণদের আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সবাই। শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক মো: জসীম নায়েক, সহ- সভাপতি - জোবাইদুল হক সবুজ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক - আ আ ম আশিকুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক - বঙ্কিম চন্দ্র সরকার, প্রচার সম্পাদক - মো: রোমান গাজী সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা (ইউনেস্কো) মহান একুশের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি দেওয়ার পর থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও গত কয়েক বছর ধরে দিবসটি পালিত হচ্ছে।

বাঙালি জাতির জন্য এই দিবসটি হচ্ছে চরম শোক ও বেদনার। অনদিকে মায়ের ভাষা বাংলার অধিকার আদায়ের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত। যেকোনো জাতির জন্য সবচেয়ে মহৎ ও দুর্লভ উত্তরাধিকার হচ্ছে মৃত্যুর উত্তরাধিকার-মরতে জানা ও মরতে পারার উত্তরাধিকার। ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদরা জাতিকে সে মহৎ ও দুর্লভ উত্তরাধিকার দিয়ে গেছেন।

১৯৫২ সালের এদিনে ‘বাংলাকে’ রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে বাংলার (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) ছাত্র ও যুবসমাজসহ সর্বস্তরের মানুষ সে সময়ের শাসকগোষ্ঠীর চোখ-রাঙানি ও প্রশাসনের ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাজপথে নেমে আসে। মায়ের ভাষা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে দুর্বার গতি পাকিস্তানি শাসকদের শংকিত করে তোলায়  সেদিন ছাত্র-জনতার মিছিলে পুলিশ গুলি চালালে সালাম, জব্বার, শফিক, বরকত ও রফিক গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন। সেই থেকে দিবসটি গুরুত্বের সঙ্গে পালিত হয়ে আসছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

সর্বশেষ - স্বাস্থ্য