a ৬০তম ফার্মেসী কাউন্সিল সার্টিফিকেট রেজি. কোর্স পরীক্ষা স্থগিত
ঢাকা শুক্রবার, ২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ এপ্রিল, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

৬০তম ফার্মেসী কাউন্সিল সার্টিফিকেট রেজি. কোর্স পরীক্ষা স্থগিত


স্বাস্থ্য ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ০৬ এপ্রিল, ২০২১, ১১:১২
৬০তম ফার্মেসী কাউন্সিল সার্টিফিকেট রেজি. কোর্স পরীক্ষা স্থগিত

৬০তম ফার্মেসী কাউন্সিল সার্টিফিকেট রেজি. কোর্স ৯ এপ্রিল পরীক্ষার স্থগিত নোটিশ

কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে অনিবার্য কারণে বাংলাদেশ ফার্মেসী কাউন্সিল কর্তৃক পরিচালিত ৬০তম ফার্মেসী সার্টিফিকেট রেজি. কোর্সের অনুষ্ঠিতব্য পরীক্ষার তারিখ ০৯ এপ্রিল ২০২১ অবশেষে স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। (নোটিশটি সংযুক্ত)

সারাদেশে ফার্মেসী কোর্সের শিক্ষার্থীরা গভীর উদ্বেগ-উৎকন্ঠায় থাকার পর ০৪ এপ্রিল ২০২১ইং তারিখ সম্বলিত নোটিশটি প্রদান করা হয়। যদিও শিক্ষার্থীরা উক্ত তারিখে বিকাল পর্যন্ত প্রবেশপত্র সংগ্রহকালে কোন ধরণের নোটিশ পাননি বলে অভিযোগ করেন।

তবে প্রবেশপত্র বিতরণকালে মাহমুদ আলম নামে একজন অফিস স্টাফ তিনি তার মোবাইল নম্বর শিক্ষার্থীদের প্রদান করে পরবর্তীতে যোগাযোগ করার কথা বলে অনেককে আশ্বস্থ করেন।

উল্লেখ্য, গত ৩ এপ্রিল শনিবার সরকারীভাবে দেশে লকডাউন সংক্রান্ত পরিপত্র ঘোষণা করা হয় যে, আগামী ৫ এপ্রিল সোমবার থেকে ১ সপ্তাহের জন্য লকডাউন শুরু হবে এবং তা আরও বাড়ার সম্ভাবনা আছে। ফলে দেশে সব ধরণের পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করা হলেও বাংলাদেশ ফার্মেসী কাউন্সিল পরীক্ষা স্থগিতের ব্যাপারে গড়িমসি করেন বলে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন।

গণমাধ্যমের দ্বারা শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশ ফার্মেসী কাউন্সিলের নিকট অনুরোধ জানান যে, পরবর্তীতে স্থগিত পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা যেন কমপক্ষে ২ সপ্তাহ আগে প্রদান করা হয়। কারন তাদের পরীক্ষা প্রস্তুতির পাশাপাশি অধিকাংশ শিক্ষার্থী তাদের কেন্দ্র থেকে বাসা বা বাড়ি অনেক দূরে। তারা এটাও দাবি করেন, বাংলাদেশ ফার্মেসী কাউন্সিল অফিসে সংরক্ষিত প্রত্যেক শিক্ষার্থীর মোবাইলে যেন ফোন ও ম্যাসেজ প্রদান করা হয়। 

 

[বি.দ্র. ২০২০-২১ ছাত্র/ছাত্রীরা গুরত্বপূর্ণ তথ্য জানতে/জানাতে নিম্নের লিংকগুলোতে সংযুক্ত থাকুন: ফেজবুক পেজ: https://www.facebook.com এবং https://www.facebook.com/profile.php?id=100011160244099
ফার্মাসিস্ট গ্রুপ পেজ: Pharmacist-c-Students-Forum-102024211981313]

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

বিশেষজ্ঞদের অভিমত, করোনার টিকা কেবল মারাত্মক অসুস্থতা কমায়


স্বাস্থ্য ডেস্ক:
রবিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২১, ১১:৪৯
বিশেষজ্ঞদের অভিমত, করোনার টিকা কেবল মারাত্মক অসুস্থতা কমায়

ফাইল ছবি

ভারতে টিকা দেওয়ার পরও করোনা সংক্রমণের হার বেড়ে যাওয়া নিয়ে দেশটির বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকা এই ভাইরাসের শরীরে প্রবেশ ঠেকাতে পারে না, এটি শুধু আক্রান্ত রোগীর মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়ার ঝুঁকি এবং মৃত্যুহার কমায়। শুধু মাস্কই এই ভাইরাস নাক-মুখের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ ঠেকাতে পারে। 

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের এক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা করোনায় একবার আক্রান্ত হয়ে সেরে উঠেছেন তাদের জন্য টিকার একটি ডোজই যথেষ্ট। খবর হিন্দুস্তান টাইমসসহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের

ভারতের পাটনা, দিল্লি, চেন্নাইসহ কয়েকটি শহরে গত কয়েক মাসে টিকা গ্রহণের পরও আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা ঘটেই চলেছে। দিল্লির শ্রী গঙ্গারাম হাসপাতালের ৩৭ জন ডাক্তার সম্প্রতি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, এদের মধ্যে ৫ জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। যাদের প্রায় সবাই অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনার দুই ডোজ টিকাই গ্রহণ করেছিলেন।

হায়দরাবাদের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক লক্ষ্মী লাবণ্য আলাপাটি বলেন, দুই ডোজ টিকা দেওয়ার পর শরীরে অ্যান্টিবডিগুলো উন্নত হয় এবং এটি সংক্রমণের জটিলতা এবং মৃত্যুহার হ্রাস করে। টিকা গ্রহণের পর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তির ঝুঁকি ৮৫ ভাগ কমে। কিন্তু টিকা ভাইরাসকে শরীরে প্রবেশ করা ঠেকায় না। শুধু মাস্কই এটি করতে সক্ষম। 

দিল্লি সরকারি হাসপাতালের এক জ্যেষ্ঠ ডাক্তার বলেন, টিকা করোনার বিরুদ্ধে পূর্ণ নিরাপত্তা সুরক্ষা দেয় না। মাস্ক না-পরলে টিকা গ্রহণকারীর নাক ও মুখের মাধ্যমে ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করে। ফলে অনেকেই টিকা গ্রহণের পর মাস্ক না-পরায় আক্রান্ত হয়েছেন। 

মনে রাখতে হবে, আমাদের সবচেয়ে বড় টিকা হচ্ছে মাস্ক। দিল্লিতে ৫৪ বছরের একজন পরিচ্ছন্নতা কর্মী ২২ ফেব্রুয়ারি করোনায় স্বাস্থ্য জটিলতায় ভুগে মারা যান। তার ছেলে ধীরাজ বলেন, আমার বাবা ১৭ ফেব্রুয়ারি টিকা নেন। বাসায় আসার পর থেকেই তিনি অসুস্থ বোধ করেন, তার তাপমাত্রা বেড়ে যায়, দু-তিন দিন পরই তিনি মারা যান। চেন্নাইতে ১৫ মার্চ টিকার প্রথম ডোজ গ্রহণকারী এক ব্যক্তির ২৯ মার্চ করোনাভাইরাস শনাক্ত হয় এবং ৩০ মার্চ হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর ৪ এপ্রিল মারা যান।

সেরে উঠলে এক ডোজ টিকাই যথেষ্ট: করোনায় যারা একবার আক্রান্ত হয়েছেন এবং পরে সেরেও উঠেছেন-কোভিড টিকার একটি ডোজই তাদের জন্য যথেষ্ট। টিকার একটি ডোজ নিলেই করোনাভাইরাস মোকাবিলার জন্য তাদের দেহের প্রতিরোধ ব্যবস্থা যথেষ্ট শক্তিশালী হয়ে ওঠে। গবেষণাটি চালিয়েছে আমেরিকার পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পেরেলম্যান স্কুল অব মেডিসিনের পেন ইনস্টিটিউট অব ইমিউনোলজির বিজ্ঞানীরা। শুক্রবার আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান গবেষণা পত্রিকা ‘সায়েন্স ইমিউনোলজি’তে গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে। 

গবেষকরা পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৪ জন সুস্থ মানুষকে বায়োএনটেক-ফাইজার ও মডার্নার তৈরি ‘মেসেঞ্জার আরএনএ (এমআরএনএ)’ কোভিড টিকা দিয়েছিলেন। ৪৪ জনের মধ্যে ১১ জন আগে কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন। পরে তারা সবাই সেরে ওঠেন। কীভাবে তাদের শরীরে প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী হয়ে উঠছে, তা বুঝতে গবেষকরা টিকা নেওয়ার আগে ও পরে দুবার করে মোট চারবার ৪৪ জনের রক্তের নমুনা পরীক্ষা করেন।

টিকাও যাদের সুরক্ষা দিতে পারবে না: এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ডা. অ্যান্ড্রু ওলোউইৎজ নিজেকে নিউইয়র্কের মামারোনেকে বাড়ির ভেতর বন্দি করে রেখেছেন। ৬৩ বছর বয়সি এ চিকিৎসক সম্প্রতি করোনার টিকা নিয়েছেন। অবশ্য তাতে ওলোউইৎজের শরীরে কোনো অ্যান্টিবডি তৈরি হচ্ছে না। তিনি হচ্ছেন লাখ লাখ আমেরিকানের একজন, যাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কাজ করে না। এদের অনেকে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাপনা ছাড়া কিংবা ত্রুটিপূর্ণ ব্যবস্থাপনা নিয়ে জন্মেছেন। অন্যরা হয় কোনো রোগে ভুগে কিংবা থেরাপির কারণে তাদের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করেছেন। 

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতায় ঘাটতি নিয়ে দীর্ঘদিন বেঁচে থাকা এ ব্যক্তিদের অধিকাংশই তাদের ঝুঁকি সম্পর্কে অবগত নন। লিউকেমিয়া অ্যান্ড লিম্ফোমা সোসাইটির প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. লি গ্রিনবার্গার বলেন, তারা বাইরে হেঁটে বেড়ান, মনে করেন যে তারা নিরাপদ, কিন্তু তেমনটা না-ও হতে পারে। সূত্র: যুগান্তর
 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আজ সারাদেশে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
রবিবার, ০৬ নভেম্বর, ২০২২, ১২:১৭
আজ সারাদেশে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু

ফাইল ছবি

আজ সারাদেশে ২ হাজার ৬৪৯টি কেন্দ্রে একযোগে শুরু হয়েছে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। পূর্বের নিয়মানুযায়ী ৩০ মিনিট আগেই কেন্দ্রে প্রবেশ করে শিক্ষার্থীরা।

রোববার (৬ নভেম্বর) বেলা ১১টায় বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষার মধ্য দিয়ে শুরু হলো ২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষা।

এবার মোট ১২ লাখ ৩ হাজার ৪০৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ২২ হাজার ৭৯৬ জন এবং ছাত্রী ৫ লাখ ৮০ হাজার ৬১১ জন।

সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থী ৯ লাখ ৮৫ হাজার ৭১৩ জন। এর মধ্যে ছাত্র পাঁচ লাখ ৮২ হাজার ১৮৩ এবং ছাত্রী পাঁচ লাখ তিন হাজার ৫৩০ জন।

মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষার্থী ৯৪ হাজার ৭৬৩ জন। তাদের মধ্যে ৫১ হাজার ৬৯৫ ছাত্র এবং ৪৩ হাজার ৬৮ জন ছাত্রী।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থী ১ লাখ ২২ হাজার ৯৩১ জন। এর মধ্যে ৮৮ হাজার ৯১৮ ছাত্র এবং ৩৪ হাজার ১৩ জন ছাত্রী।

আগামী ১৩ ডিসেম্বর এইচএসসির তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হবে। ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হবে ১৫ ডিসেম্বর, যা শেষ হবে ২২ ডিসেম্বর। সূত্র: ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

সর্বশেষ - স্বাস্থ্য