a
ফাইল ছবি
চলমান উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে ইউক্রেনে গুগল ম্যাপের কিছু অংশ সাময়িকভাবে অচল করা হয়েছে। শনিবার বিষয়টি নিশ্চিত করে গুগল জানায়, এর ফলে ট্রাফিক পরিস্থিতি এবং বিভিন্ন স্থান কতটা ব্যস্ত সে সম্পর্কে লাইভ তথ্য সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
দেশটির আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পরামর্শ করে মানুষের সুরক্ষার জন্য দোকান ও রেস্তোরাঁগুলোর মতো ব্যস্ত স্থানগুলোতে ট্রাফিক স্তর এবং লাইভ তথ্য প্রদান কার্যক্রম বিশ্বব্যাপী বন্ধ করা দিয়েছে বলে জানায় প্রতিষ্ঠানটি।
বৃহস্পতিবার ইউক্রেনে ‘বিশেষ অভিযান’ পরিচালনার নামে হামলা করে রাশিয়ান সেনা বাহিনী। ইউক্রেনের শহরগুলোতে মিসাইল হামলার ফলে সেনাসহ হতাহত হচ্ছে সাধারণ মানুষ। এদিকে, মহিলা এবং শিশু প্রায় ৪ লক্ষাধিক ইউক্রেনীয় নাগরিক প্রতিবেশী দেশগুলোতে পালিয়ে গেছে। গুগলসহ বড় বড় প্রযুক্তি সংস্থাগুলো জানিয়েছে, তারা এ অঞ্চলে ব্যবহারকারীদের সুরক্ষার জন্য নতুন আরও ব্যবস্থা গ্রহন করবে। সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ছবি
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রতিবাদ বিক্ষোভ অব্যাহত থাকলেও এখন পর্যন্ত অধিকৃত গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি আগ্রাসনের প্রতিবাদে কয়েকটি আরব দেশ কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
ইসরাইলের সঙ্গে চুক্তি করা দেশ বাহরাইন, মরক্কো এবং সুদান এখনও ইসরাইলি বর্বরতার নিন্দা জানায়নি। আমিরাতের পক্ষ থেকে ইসরাইলের হামলার নিন্দা জানালেও এবার হামাসের জন্যও কঠিন শব্দ ব্যবহার করেছে তারা। আরব আমিরাত কিছু ক্ষেত্রে গাজার নিয়ন্ত্রণে থাকা হামাসেরও সমালোচনা করছে। আর তাতে ইসরাইলের কথারই প্রতিধ্বনী থাকছে। আর এ দেশগুলোর নীরবতাকেই আরব বিশ্বে ভাঙনের প্রথম ধাপ হিসেবে উল্লেখ করেছে দ্য গার্ডিয়ান।
ইসরাইল বনাম হামাস লড়াই বন্ধে কী করা উচিত এ নিয়ে আরব বিশ্বে অনৈক্যের আভাস পেয়েছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। যেখানে তুরস্ক ও ইরানের মতো মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ কয়েকটি দেশ গাজায় ইসরাইলের নৃশংস বর্বরতার নিন্দা জানিয়ে তা বন্ধের আহ্বান জানাচ্ছে, সেখানে এবারই প্রথম উপরের উল্লেখিত দেশগুলো এ বিষয়ে সম্পূর্ণ নীরব রয়েছে। যদিও এর আগে তাদের ভূমিকা এমন ছিল না।
বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের করা ইসরাইলের সঙ্গে শান্তি প্রতিষ্ঠা নীতি এবং তথাকথিত আব্রাহাম অ্যাকর্ড চুক্তি অমান্যের ভয়েই নিশ্চুপ রয়েছে দেশগুলো। আর এ কারণেই সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, মরক্কো এবং সুদানের জনগণের মধ্যে সাম্প্রতিক ইসরাইলি আগ্রাসনের প্রতিবাদ শুরু হলেও দেশগুলো কৌশলে তা স্তিমিত করার চেষ্টা করছে।
তেল সমৃদ্ধ পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের যেসব দেশগুলো গত বছর ইসরাইলের সঙ্গে সন্ধি করেছে, তারাও গাজায় হত্যা-হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে, কিন্তু কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা তারা কেউ এখনও বলেনি।
জেরুজালেমে আল-আকসা মসজিদে ইসরাইলের পুলিশের অভিযান এবং গাজা উপত্যাকায় বিমান হামলা- এসব ঘটনাকে ইসরাইলের ‘নির্লজ্জ প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ’ আখ্যায়িত করে তার নিন্দা জানিয়েছেন আরব দেশগুলোর কর্মকর্তারা। তবে সেখানেও সূক্ষ্মভাবে তারা ভারসাম্য বজায় রেখে চলেছেন।
রিয়াদের আবদুর রহমান আল-তোয়াজরির মতে, যেসব আরব দেশ ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক করেছে, তাদের আবারও সেটা ভেবে দেখা উচিত, কারণ ইসরাইল প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে বলে বিশ্বাস হয় না।
ড. একে আব্দুল মোমেন
বাংলাদেশ নিয়ে বিজেপির সাবেক সভাপতি ও ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন বলছেন, ভারতের লোকদের ৫০ শতাংশের ভালো কোনো বাথরুম নেই। আর আমাদের ৯০ শতাংশ লোকই ভালো বাথরুম ব্যবহার করেন।
আমার দেশের শিক্ষিত লোকের চাকরির অভাব আছে। তবে অশিক্ষিত লোকের চাকরির অভাব নেই। আর ভারতের লক্ষাধিক লোক বাংলাদেশে চাকরি করে। তাই আমাদের ভারতে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) ড. মোমেন গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এসব মন্তব্য করেন।
বিজেপির সাবেক সভাপতি ও ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বক্তব্য জানতে চাইলে ড. মোমেন বলেন, পৃথিবীতে অনেক জ্ঞানী লোক আছেন, দেখেও দেখেন না। জেনেও জানেন না। তবে তিনি (অমিত শাহ) যদি সেটা বলে থাকেন, আমি বলবো, বাংলাদেশ নিয়ে তার জ্ঞান সীমিত। বরং ক্ষেত্র বিশেষে বাংলাদেশ তাদের দেশ থেকে অনেক এগিয়ে।
ড. মোমেন বলেন, তারা যদি এ ধরনের চিন্তা করে থাকেন, তাহলে আমি বলবো, তাদের জ্ঞানের পরিধি বাড়াতে হবে। আর তাদের মনে হয় আমরা সঠিক তথ্য জানাতে পারিনি। এটা আমাদের দীনতা। তাদের সঠিক তথ্য জানাতে আমরা সচেষ্ট থাকবো।
বিজেপির সাবেক সভাপতি ও ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মঙ্গলবার ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকায় দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, বাংলাদেশের গরিব মানুষ এখনও খেতে পায় না, তাই ভারতে আসে। বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এলে বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশ বন্ধ করা হবে।