a
ফাইল ছবি: নেতানিয়াহু
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর শরীরে পেসমেকার বসানো হয়েছে। এ জন্য তাঁর অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। স্থানীয় সময় গতকাল শনিবার নেতানিয়াহুর কার্যালয় এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
নেতানিয়াহুর কার্যালয় এক বিবৃতিতে আরও জানায়, তেল হাশোমের এলাকায় সেবা মেডিকেল সেন্টারে রাতে নেতানিয়াহুর শরীরে পেসমেকার বসানো হয়। এ সময় নেতানিয়াহুকে ঘুম পাড়িয়ে রাখা হয়। নেতানিয়াহু অসুস্থ থাকাকালীন দায়িত্ব পালন করবেন বিচারমন্ত্রী ও উপপ্রধানমন্ত্রী ইয়ারিভ লেভিন।
ফেসবুক পেজে পোস্ট করা ভিডিওতে নেতানিয়াহু বলেন, ‘এক সপ্তাহ আগে বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে আমার হৃদ্যন্ত্র পরীক্ষা করা হয়। চিকিৎসকেরা পেসমেকার বসানোর প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। ’ খুবই ভালো বোধ করছেন ও চিকিৎসকের পরামর্শমতো চলছেন বলে জানান নেতানিয়াহু।
গত সপ্তাহে সেবার ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের হৃদ্রোগবিষয়ক চিকিৎসক অমিত সেগেভ বলেন, তাঁর হৃদ্যন্ত্রের কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণের জন্য হোল্টার মনিটর নামে বিশেষ একটি যন্ত্র বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিচারব্যবস্থার সংস্কার নিয়ে চাপের মুখে রয়েছেন ইসরায়েলের দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতায় থাকা নেতানিয়াহু। দেশটিতে এই সংস্কারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ চলছে। আজ রোববার সংস্কার বিলের ওপর পার্লামেন্টে ভোট হওয়ার কথা ছিল। নেতানিয়াহুর অসুস্থতার কারণে আগামীকাল সোমবার এই ভোট হবে।
এক সপ্তাহ আগে ৭৩ বছর বয়সী নেতানিয়াহুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রচণ্ড গরমে পানিশূন্যতার কারণে অসুস্থ হয়ে তিনি সেখানে ভর্তি হন। এক রাত থাকার পর তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। সূত্র: প্রথম আলো
ফাইল ছবি
যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ডেমোক্রেটিক পার্টি ও রিপাবলিকান পার্টির মধ্যে তুমুল লড়াই চলছে। সিনেটের নিয়ন্ত্রণ শেষ পর্যন্ত কাদের হাতে যাবে, তা চূড়ান্তভাবে এখনো নির্ধারিত হয়নি। তবে দুই দলের কেউই এবারের ভোটে প্রত্যাশা অনুযায়ী ফল করতে পারেনি। এর পরিপ্রেক্ষিতে দেশটির প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, গণতন্ত্রের জয় হয়েছে। তবে ডেমোক্র্যাটদের জন্য এটা কঠিন একটি রাত (ফলাফল ঘোষণার রাত)। খবর বিবিসি ও আল–জাজিরার
ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউসে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাতে বাইডেন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। এ সময় নির্বাচনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সংবাদমাধ্যমসহ অনেকেই বলেছিল, এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে দেশজুড়ে রিপাবলিকানদের “লাল ঢেউ” বয়ে যাবে। তবে তেমনটা হয়নি।’
তবে ডেমোক্রেটিক পার্টি প্রত্যাশা অনুযায়ী ফল করতে পারেনি উল্লেখ করে বাইডেন বলেন, ‘নির্বাচনে যে কোনো আসন হারানোই দুঃখজনক। এবারের ভোটে আমাদের দলের অনেক ভালো ভালো প্রার্থী জয় পাননি। ডেমোক্র্যাটদের জন্য এটা কঠিন একটি রাত। তবে আমি পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে সন্তুষ্ট।’
এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচন ‘গণতন্ত্রের জন্য সুখকর’ বলে মন্তব্য করেন বাইডেন। তিনি বলেন, ‘সাম্প্রতিক বছরগুলোয় গণতন্ত্র বড় ধরনের পরীক্ষার মুখে পড়েছে। তবে এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ গণতন্ত্রের পক্ষে ছিল। এটা গণতন্ত্রের জন্য একটি শুভদিন।’
কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ৫১টি আসন। সবশেষ ফলাফলে ডেমোক্রেটিক পার্টি ও রিপাবলিকান পার্টির নিয়ন্ত্রণে এসেছে যথাক্রমে ৪৮ ও ৪৯টি আসন। অর্থাৎ আর দুটি আসনে জয় পেলে সিনেট রিপাবলিকানদের নিয়ন্ত্রণে চলে যাবে। সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাবে ক্ষমতাসীন ডেমোক্রেটিক পার্টি।
অন্যদিকে নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে নিয়ন্ত্রণ পাওয়ার পথে রয়েছে রিপাবলিকান পার্টি। তবে কত বেশি আসনে দলটি জয়ী হবে, তা এখন দেখার বিষয়। নিম্নকক্ষের ৪৩৫ আসনের মধ্যে ২০৩টিতে জয় পেয়েছেন রিপাবলিকান প্রার্থীরা। ডেমোক্রেটিক প্রার্থীরা ১৮৭টি আসনে জয় পেয়েছেন। প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য মোট ২১৮টি আসনে জয় প্রয়োজন। সূত্র: প্রথম আলো
ফাইল ছবি
এবার কোভিড-১৯ এর তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথে রোগীরা দ্রুত মারা যাচ্ছেন বলে জানিয়েছে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)। শনিবার রাতে এক বুলেটিনে এ তথ্য জানায় সংস্থাটি।
এতে বলা হয়েছে, ২৮ জানুয়ারি থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত রোগীদের হাসপাতালে ভর্তির হার ছিল ৪৪ শতাংশ। যারা মারা গেছেন তাদের ৫২ শতাংশই উপসর্গ শুরু হওয়ার ৫ দিনের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।
করোনা আক্রান্তদের ৪৮ শতাংশই হাসপাতালে ভর্তির ৫ দিনের মাথায় মারা গেছেন। আর হাসপাতালে ভর্তির ৫ থেকে ১০ দিনের মারা গেছেন ১৬ শতাংশ রোগী। এছাড়া এবার গত বছরের তুলনায় নারীদের মৃত্যুহার বেড়েছে। সেই সঙ্গে বৃদ্ধি পেয়েছে মানসিক সমস্যা।
এতে আরও বলা হয়, কোভিড-১৯ মহামারিতে গত মার্চে মৃতের সংখ্যা ছিল ৬৩৮, যা এপ্রিলের প্রথম ১৫ দিনে এসে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৪১–এ। মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২ দশমিক ২ শতাংশ।