a
ফাইল ফটো
পাকিস্তান আরও একটি নতুন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে। এ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা সফল হয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটির কর্মকর্তারা। আনাদোলু এজেন্সি জানিয়েছে, ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য শাহিন-ওয়ান এ নামের এ ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা নয়শ কিলোমিটার (৫৫০ মাইল)।
শুক্রবার পাকিস্তান সেনাবাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়, ক্ষেপণাস্ত্রটির বিভিন্ন নকশা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা যাচাই করতেই এই পরীক্ষা চালানো হয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দেশটির প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি, প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ও দেশটির শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা অভিনন্দন জানিয়েছেন এ ক্ষেপণাস্ত্রের সহিত সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীদের।
ফাইল ছবি
ইউক্রেনে ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আয়রন ডোমের প্রয়োজন নেই। কারণ রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্রের মুখে টিকতে পারবে না এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। ইউক্রেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওলেকসি রেজনিকভ গত শনিবার ফোর্বস শীর্ষ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই আয়রন ডোম ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার নাম জানি কিন্তু এটি ১০০% সুরক্ষা দিতে সক্ষম নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘সত্যি কথা বলতে কি আমি ইসরায়েলে গিয়েছিলাম এবং তাদের অস্ত্র নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ও রাষ্ট্রীয় কোম্পানির সাথে কথা বলেছি। আয়রন ডোম তৈরি করা হয়েছে ধীর, কম উচ্চতার এবং কম ক্ষমতাসম্পন্ন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ করার জন্য এবং এটি মূলত গ্যারেজে তৈরি হয়েছে। আয়রন ডোম ক্রুজ এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে কার্যকর নয়।’
গত বছরের মে মাসে ইহুদিবাদী ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গাজার প্রতিরোধ যোদ্ধারা কয়েক হাজার ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়ে কিন্তু ইসরাইলের আয়রন ডোম ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা সে সমস্ত ক্ষেপণাস্ত্রের বেশিরভাগই ভূপাতিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। অথচ ইসরায়েল এসব ব্যবস্থা নিয়ে ব্যাপক গর্ব করে থাকে। সূত্র : জেরুজালেম পোস্ট
ফাইল ছবি
পবিত্র হজ পালন শেষে দেশে ফিরতে শুরু করেছেন হাজিরা। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ৪১৬ জন হাজি দেশে ফিরেছেন।
শিডিউল অনুসারে রাত ১০টায় ঢাকা বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা থাকলেও আধা ঘণ্টা বিলম্বে বিমানের বিশেষ ফ্লাইট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এ বছর প্রথম ফিরতি হজ ফ্লাইট এটি। হজের ফিরতি ফ্লাইট চলবে ৪ আগস্ট পর্যন্ত।
বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েচে, এ বছর বাংলাদেশ থেকে ৬০ হাজার ১৩৯ জন পবিত্র হজ পালনের জন্য সৌদি আরব গেছেন। এরমধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৮৭টি ফ্লাইটে ৩০ হাজার ৩৬১ জন, সৌদি এয়ারলাইনসের ৬৩টি ফ্লাইটে ২৩ হাজার ৯১৪ জন ও নাস এয়ারের ১৪টি ফ্লাইটে পাঁচ হাজার ৮৬৪ জন সৌদি আরবে গেছেন। মোট তিনটি এয়ারলাইনসের ফ্লাইটের সংখ্যা ১৬৪টি। সূত্র: বিডি প্রতিদিন