a
ফাইল ছবি
১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট এশিয়ার দেশ জাপানের হিরোশিমা শহরে প্রথম পরমাণু বোমা হামলা চালায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ওই হামলায় হিরোশিমা শহরটি ধ্বংস হয়ে যায়। এতে নিহত হয় ১ লাখ ৪০ হাজার মানুষ। এর তিনদিন পর জাপানের নাগাসাকি শহরে দ্বিতীয় পরমাণু বোমা হামলা চালায় আমেরিকা। দ্বিতীয় বোমা হামলায় আরও ৭০ হাজার মানুষ জ্বলেপুড়ে ছাই হয়ে মাটির সঙ্গে মিশে যায়।
হিরোশিমা শহরের পরমাণু বোমায় ১৫ হাজার এনটিএন ছিল। ওই বোমা বিস্ফোরণের সময় ভূপৃষ্ঠের তাপমাত্রা ছিল ৪ হাজার ডিগ্রি। ওই দুই শহরে বোমা হামলার ঘটনায় বেঁচে যাওয়া জাপানিরা বেশিরভাগই থাইরয়েড, ফুসফুস ক্যান্সারসহ আরও বিভিন্ন রকমের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়।
মানবতাবিরোধী এই হামলার জন্য ওয়াশিংটন ক্ষম চাইবে না বলে জানিয়েছে আমেরিকা।
হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ১৯ থেকে ২১ মে পর্যন্ত অনুষ্ঠেয় জি-সেভেনের বৈঠকে অংশ নিতে জাপান সফরে যাবেন। তবে তিনি হিরোশিমা এবং নাগাসাকিতে বোমা হামলার জন্য টোকিওর কাছে ক্ষমা চাইবেন না।
হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা আরও বলেন, হিরোশিমা পিস মেমোরিয়াল পার্কে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হিরোশিমা এবং নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা হামলার বিষয়ে বাইডেন কোনও বিবৃতিও দেবেন না বলে জানা গেছে।
জাপান এ বছর জি-সেভেন সম্মেলনের সভাপতিত্ব করবে। সূত্র: ডেইলি মেইল, ফক্স নিউজ, তাস
সংগৃহীত ছবি
ইন্দোনেশিয়ায় ভয়ঙ্কর রূপ নিয়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। সেখানে করোনাভাইরাস পরিস্থিতির এতটাই অবনতি হয়েছে যে, ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে মুসলিম প্রধান দেশটি।
অনেক বাড়িঘরে পড়ে আছে করোনায় মারা যাওয়া ব্যক্তিদের দেহ। যাদের মৃত্যুর সময় পাশে কেউ ছিল না। এর মধ্যে অনেকেই মারা গেছেন অক্সিজেন সংকটে। পরে প্রতিবেশীদের মাধ্যমে খবর পেয়ে এসেছেন উদ্ধারকর্মীরা।
বিবিসির স্থানীয় সাংবাদিক ভালদিয়া বারাপুতরি বলছেন, গত দেড় বছরের মধ্যে ইন্দোনেশিয়ায় সংক্রমণ এখন সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি তৈরি করেছে। এশিয়া মহাদেশের মধ্যে হয়ে উঠেছে নতুন আরেকটি হটস্পট।
ইন্দোনেশিয়ায় এখনও পর্যন্ত ২৬ লাখ মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। চলতি সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। প্রতিদিনই ৪০ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে দেশটিতে।
অতি সংক্রামক ভারতীয় ‘ডেল্টা’ ভ্যারিয়েন্টের কারণে ইন্দোনেশিয়ায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
বিবিসির প্রতিবেদনে জাকার্তায় অগ্নিনির্বাপণ কর্মী উইরাওয়ানের কথা তুলে ধরা হয়। আগুন নেভানোর পরিবর্তে তিনি এখন করোনায় মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মরদেহ উদ্ধার ও শেষকৃত্যের কাজ করছেন। গত এক বছরে আরও সাত সহকর্মীসহ বাড়ি বাড়ি গিয়ে এ কাজ করছেন তিনি।
উইরাওয়ান বলেন, বেশির ভাগ মানুষ একা একা মারা যাচ্ছেন। এর একটি কারণ হতে পারে তারা হয়তো প্রাথমিক চিকিৎসা পাননি, নয়তো হাসপাতাল থেকে তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেশীরাই ফোন করে এসব মানুষের খবর দিচ্ছেন।
করোনার সর্বশেষ ঢেউ আসার আগে উইরাওয়ান প্রতিদিন দুই-তিনটি মৃতদেহ কবর দেওয়ার জন্য ফোন পেতেন। কিন্তু এখন প্রতিদিন ২৪টি ফোন পাচ্ছেন।
ইন্দোনেশিয়ার পরিসংখ্যান গ্রুপ ল্যাপোর কোভিড-১৯ বলছে, জুন মাস থেকে এখনো পর্যন্ত ৪৫০ জন বাড়িতে মারা গেছেন। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পরে তারা সেলফ-আইসোলেশনে ছিলেন, কারণ হাসপাতালগুলোতে রোগী ভর্তি করানোর জায়গা ছিল না।
মে মাসের প্রথম দিকে ইন্দোনেশিয়ায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ হঠাৎ করেই মারাত্মক আকার ধারণ করে। তখন ঈদের ছুটিতে প্রায় ১৫ লাখ মানুষ বিধি-নিষেধ উপেক্ষা করে যাতায়াত করেছে।
বিদেশ থেকে যারা ইন্দোনেশিয়ায় ঢুকছে তাদের কোয়ারেন্টাইন করার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়েছিল। ইন্দোনেশিয়াতে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট কখনও বন্ধ করা হয়নি। সম্প্রতি বিদেশ থেকে আগত যাত্রীদের ক্ষেত্রে আট দিন কোয়ারেন্টাইন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এটি আগে ছিল ছিল পাঁচ দিন।
করোনায় দেশটিতে এখনো পর্যন্ত ৬৯ হাজার মানুষ মারা গেছে। এর মধ্যে গত সপ্তাহে প্রতিদিন প্রায় এক হাজার মানুষ মারা গেছে। তবে মৃতের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে অনেকে মনে করেন।
ইন্দোনেশিয়ার ভেতরে করোনাভাইরাস সংক্রমণের মূল কেন্দ্র হচ্ছে সবচেয়ে জনবহুল জাভা দ্বীপ। জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে সেখানকার একটি হাসপাতালে অক্সিজেন সংকটের কারণে ৬৩ জন করোনা রোগী মারা গেছে।
এসব মৃত্যুর ঘটনা পুরো দেশকে শোকাহত করেছে। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দাবি করছে সংবাদমাধ্যম মৃত্যুর সংখ্যা বাড়িয়ে বলেছে। সূত্র: বিবিসি
ফাইল ছবি: আলহাজ্ব হারুনুর রশীদ খান
শিবপুর উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব হারুনুর রশীদ খান দুর্বৃত্তের গুলিতে গুরুতর আহত হয়েছেন।
জানা গেছে, শনিবার সকালে হাঁটাহাঁটি করে বাসায় ওঠার সময় তার বাড়ির সিড়িতে দুর্বৃত্তরা গুলি করে পালিয়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে শিবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
শিবপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ তালুকদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ব্যাপারে এখনো কাউকে আটক করা যায়নি।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে দলীয় নেতাকর্মীরা শিবপুর উপজেলা সদর বাসস্ট্যান্ড, কলেজ গেইট ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ইটাখোলা মোড় সড়ক অবরোধ করে টায়ারে আগুন লাগিয়ে দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উপজেলায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। সূত্র:সমকাল