a
সংগৃহীত ছবি
রাশিয়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, কৌশলগত কৃষ্ণ সাগরের পানিসীমায় আমেরিকা ও ব্রিটেন যুদ্ধজাহাজ পাঠিয়ে নিজেদের ভাগ্য পরীক্ষা করছে। এভাবে শত্রুতামূলক তৎপরতা অব্যাহত রাখলে সামরিক উপায়সহ যেকোনও পদক্ষেপ নিয়ে রাশিয়া তার সীমানা রক্ষা করবে।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মেজর জেনারেল ইগোর কোনাশেঙ্কভ শুক্রবার এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন,“আমরা পেন্টাগন এবং ব্রিটিশ নৌবাহিনীকে আহ্বান জানাব যাতে তারা কৃষ্ণ সাগরে অহেতুক নিজেদের ভাগ্য পরীক্ষা না করে।”
জেনারেল কোনাশেঙ্কভের এই বক্তব্য শুক্রবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেলে সম্প্রচার করা হয়।
জেনারেল কোনাশেঙ্কভ বলেন, যারা ব্রিটিশ এবং মার্কিন যুদ্ধজাহাজকে ক্রিমিয়া উপদ্বীপের রুশ পানিসীমার কাছে পাঠিয়েছে তারা খারাপ মতলবে তা পাঠিয়েছে।
গত বুধবার কৃষ্ণ সাগরের রুশ নৌবহর ও রাশিয়ান জেনারেল সিকিউরিটি সার্ভিস নিজেদের পানিসীমা থেকে মাত্র তিন কিলোমিটার দূরে থাকাকালীন রুশ টহল জাহাজ থেকে সতর্কতামূলক গুলি চালায় এবং জঙ্গিবিমান থেকে ওই ডেস্ট্রয়ারের সামনে বোমা বর্ষণ করলে ব্রিটিশ জাহাজটি এলাকা ছেড়ে চলে যায়।
ফাইল ছবি
আগামী জাতীয় নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ সরকার চাইলে সহযোগিতা করবে জাতিসংঘ। ঢাকায় নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপ্পো একথা জানিয়েছেন।
আজ রবিবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ডিকাব) আয়োজিত ‘ডিকাব টক’ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
মিয়া সেপ্পো বলেন, জাতিসংঘ কোনো দেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করেনা। তবে কোনো দেশের সরকার নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সহায়তা চাইলে জাতিসংঘ সহায়তা দিয়ে থাকে। আগামী জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ সরকার জাতিসংঘের কোনো সহযোগিতা চাইলে আমরা সেই সহযোগিতা দিতে পারি।
মিয়া সেপ্পো বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপব্যবহার বন্ধে আমরা বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও নারীর প্রতি সংহিংসতা নিয়ে আমাদের উদ্বেগ রয়েছে।
অন্য এক প্রশ্নের জবাবে জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি বলেন, মিয়ানমার ও আফগানিস্তান একটি জটিল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে চলছে। জাতিসংঘের আসন্ন সাধারণ অধিবেশনে দেশ দু’টির প্রতিনিধিত্ব কে করবে, সেটা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। বাংলাদেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার জন্য সরকারকে আমরা স্বাগত জানাই। এর মধ্যে দিয়ে প্রান্তিক শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করতে পারবে।
ফাইল ছবি
বাংলাদেশের হজযাত্রীদের জন্য সমুদ্রপথে জাহাজ নামাতে চায় কর্ণফুলী শিপ বিল্ডার্স লিমিটেড প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সৌদি আরবের জেদ্দাবন্দরে যেতে জাহাজে সময় লাগবে ১০ দিন।
যাওয়া-আসা ও হজের আনুষ্ঠানিকতা মিলিয়ে একজন হজযাত্রীর মোট সময় লাগবে ৩৭ দিন। জাহাজে গেলে উড়োজাহাজের চেয়ে এক থেকে দেড় লাখ টাকা খরচ কম হবে।
সমুদ্রপথে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিতে প্রতিষ্ঠানটি নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছে। গত ২৯ জানুয়ারি প্রস্তাবটি নিয়ে সচিবালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
নৌপরিবহণ সচিব মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে সভায় সমুদ্রপথে হজযাত্রী নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে মতামত আসে। কেউ কেউ জাহাজে করে হজ করতে যাওয়াকে ইতিবাচক বলেছেন। নানামুখী চ্যালেঞ্জের কথাও তুলে ধরেছেন কেউ কেউ। সমুদ্রপথে সৌদি আরব সরকার অনুমতি দেবে কিনা, তা-ও নিশ্চিত নয়।
নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, সভায় সিদ্ধান্ত হয়, প্রস্তাবটি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে। সেখান থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেলে সৌদি সরকারের সঙ্গে আলোচনা শুরু হবে। দেশটি রাজি হলে তখন অন্যান্য প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র:যুগান্তর