a
ফাইল ছবি
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অতি গোপনীয় নথি ফাঁস এবং সেসব নথি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় সন্দেহভাজন বিমানবাহিনীর ১ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই। তার নাম জ্যাক টাশেরা (২১) । সে মার্কিন বিমানবাহিনীর এয়ার ন্যাশনাল গার্ডের একজন সদস্য।
বৃহস্পতিবার গ্রেফতারের বিষয়টি জানায় যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেল মেরিক গারলান্ড। তিনি বলেন, অনুমতিব্যতিত যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় প্রতিরক্ষা বিষয়ক অতি গোপনীয় নথি সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও এর তথ্য বেহাতের ঘটনা তদন্তে সন্দেহভাজন টাশেরাকে গ্রেফতার করেছে এফবিআই।
যুক্তরাষ্ট্রের বিচারবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে গারলান্ড জানান, “এফবিআই সদস্যরা টাশেরাকে গ্রেফতার করেছে। এ নিয়ে তদন্ত চলমান।”
এফবিআই জানিয়েছে, ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের সংস্থাটির সদস্য নর্থ ডিগটন শহরের একটি বাড়ি থেকে টাশেরাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সেখানে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত তৎপরতা চলছে। সূত্র: নিউ ইয়র্ক টাইমস, দ্য গার্ডিয়ান, সিএনএন
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন হুমকি দিয়ে বলেছেন, উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে আজ রাতেই যুদ্ধ করতে প্রস্তুত। দক্ষিণ কোরিয়া এবং আমেরিকা সামরিক মহড়া শুরুর পর উত্তর কোরিয়া আমেরিকার সমালোচনা করলে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী এক সংবাদ সম্মেলনে এই হুঁশিয়ারী উচ্চারন করলেন।
তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে চলমান সামরিক মহড়া অব্যাহত থাকবে বলেও ঘোষণা দেন।
গত মঙ্গলবার উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের প্রভাবশালী বোন মার্কিন প্রশাসনকে হুঁশিয়ার করে বলেছিলেন, তারা প্রথম পদক্ষেপে নিন্দারযোগ্য কাজ করেছেন। যদি আগামী ৪ বছর তারা (আমেরিকানরা) শান্তিতে ঘুমাতে চান তাহলে তাদের এই ধরণের কর্মকাণ্ড বন্ধ রাখা উচিত।
কিম জং উনের বোন এবং উপদেষ্টা কিম ইয়ো জং আরও বলেছিলেন, যুদ্ধের মহড়া ও সংলাপ পাশাপাশি চলতে পারে না।
দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে আমেরিকার চলমান এই সামরিক মহড়াকে উত্তর কোরিয়া আগ্রাসনের রিহার্সেল বলে উল্লেখ করেছে। সূত্র: পার্সটুডে
ফাইল ছবি
ইরানের পরমাণু সমঝোতায় পুরোপুরি ফিরতে প্রস্তুত রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বলে ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট।
মঙ্গলবার রাতে জাতিসংঘের ৭৬তম সাধারণ অধিবেশনের ভাষণে এই ঘোষণা দেন। এদিন ইরানের প্রেসিডেন্ট সাইয়্যেদ ড. ইব্রাহিম রায়িসিও ভাষণ দেন।
ঘোষণায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেন, ইরানের সঙ্গে আবার কূটনৈতিক আলোচনা শুরু করে পরমাণু সমঝোতায় পুরোপুরি ফেরার লক্ষ্যে তার প্রশাসন ৫+১ গ্রুপের সঙ্গে শলাপরামর্শ চালিয়ে যাচ্ছে।
জাতিসংঘের পাঁচ স্থায়ী সদস্যদেশ ও জার্মানি ২০১৫ সালে ইরানের সঙ্গে পরমাণু সমঝোতা সই করেছিল এবং এই ছয় দেশ ৫+১ গ্রুপ নামে পরিচিত।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার বক্তব্যের অন্যত্র দাবি করেন, ইরানকে পরমাণু অস্ত্র তৈরি করতে না দেওয়ার ব্যাপারে ওয়াশিংটন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রয়েছে।
বিশ্বের সব সমস্যা সামরিক উপায়ে সমাধান করা সম্ভব নয় বলে সরল স্বীকারোক্তি দেন বাইডেন। তিনি বলেন, আমেরিকার সামরিক শক্তিকে আমরা সর্বপ্রথম নয় বরং সবার শেষে ব্যবহার করব। যেকোনও সমস্যা হলেই সামরিক শক্তি ব্যবহারের প্রক্রিয়া থেকে আমাদেরকে বেরিয়ে আসতে হবে।