a
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকারের জারি করা বিধিনিষেধ অমান্য করে অকারণে ঘর থেকে বের হওয়ায় শুক্রবার (২ জুলাই) ভোর থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে ৩২০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসময় ২০৮ জনকে মোবাইল কোর্টে জরিমানা করা হয়।
ডিএমপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রাজধানীর মিরপুরে শতাধিক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। পাশাপাশি অর্ধশত যানবাহনকে মামলা দেওয়া হয়েছে। এসময় ১ লাখ ১৯ হাজার ৯০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে সারাদেশে কঠোর লকডাউন শুরু হয়েছে। যা আগামী ৭ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।
ফাইল ছবি
প্রফেসর ড. ইউনূসকে নিয়ে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এমরান আহম্মদ ভূঁইয়ার বক্তব্যের পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য আছে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন। তিনি বলেন, কাউকে খুশি করার জন্য ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এমন বক্তব্য দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন এ কথা বলেন।
অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, আমার সঙ্গে কথা না বলে গণমাধ্যমে বিবৃতি দেওয়া মানে কাউকে খুশি করার জন্য তিনি এসব কথা বলেছেন।
এর আগে সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এমরান আহম্মদ বলেন, নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিচার স্থগিতে ১৭৬ বিশ্বনেতার বিবৃতির সঙ্গে আমি একমত। বিশ্বনেতাদের বিবৃতির প্রতিবাদ জানিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস থেকে একটি বিবৃতি দেওয়ার কথা রয়েছে। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এই বিবৃতিতে আমি স্বাক্ষর করব না। আমি মনে করি তার সম্মানহানি এবং বিচারিক হয়রানি করা হচ্ছে।
সই না করার কারণ হিসেবে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ইসরায়েলে বিচার সম্পর্কিত যে আইন সংস্কার হচ্ছে তার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন সেদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল। তাই বিবৃতিতে সই না করা আমার নিজস্ব চিন্তা। সূত্র: ইত্তেফাক
সংগৃহীত ছবি
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হযরত আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী নিজ দেশে তৈরি করোনাভাইরাস ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ নিয়েছেন।
শুক্রবার সকালে তিনি করোনা ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ নেন।
'কোভ-ইরান বারাকাত' নামে ওই ভ্যাকসিন ইরানের তরুণ গবেষক ও বিজ্ঞানীদের নিরলস প্রচেষ্টার ফসল। সকল প্রকার ট্রায়াল শেষে অতি সম্প্রতি এই ভ্যাকসিন প্রদানের অনুমতি মিলেছে।
ভ্যাকসিন গ্রহণের পর সর্বোচ্চ নেতা বলেন, 'প্রথমত আমি বিদেশি কোনো ভ্যাকসিন নিতে ইচ্ছুক ছিলাম না'। এ কারণেই টিকা নিতে অনেক পীড়াপীড়ির পরও তিনি ইরানি ভ্যাকসিনের জন্য অপেক্ষা করেছেন। তিনি নিজ দেশে ভ্যাকসিন তৈরি ইরানের জাতীয় গর্ব বলে উল্লেখ করেন। ইরানের এই গর্বকে যথাযোগ্য সম্মান জানানো সকল ইরানির উচিত বলে তিনি মনে করেন।
সর্বোচ্চ নেতা আরও বলেন, দেশের ভেতরেই যখন রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসার সুযোগ রয়েছে তখন আমরা কেন সেই সুযোগকে কাজে লাগাবো না? তবে প্রয়োজনে বিদেশি ভ্যাকসিন নেওয়ার মধ্যে দোষের কিছু নেই বলেও উল্লেখ করেন সর্বোচ্চ নেতা।
ইরানি ভ্যাকসিন কোভ-ইরান বারাকাত তৈরির ক্ষেত্রে যেসব তরুণ বিজ্ঞানী ও গবেষক নিজেদের শ্রম ও মেধা দিয়ে জাতিকে সম্মানিত করেছেন এবং যারা এই ভ্যাকসিন উৎপাদনে কাজ করে যাচ্ছেন তাদেরকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
কোভ-ইরান বারাকাত ভ্যাকসিন ব্যবহারের লাইসেন্স পাবার মধ্য দিয়ে ইরান করোনার টিকা প্রস্তুতকারী বিশ্বের ছয়টি দেশের মধ্যে নিজেদের স্থান সংযুক্ত করেছে। সূত্র: পার্সটুডে