a বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিনের দেশে ফিরতে আর কোন বাধা নেই
ঢাকা শুক্রবার, ২০ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ এপ্রিল, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিনের দেশে ফিরতে আর কোন বাধা নেই


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক:
বৃহস্পতিবার, ০২ মার্চ, ২০২৩, ০৮:৫৮
বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিনের দেশে ফিরতে আর কোন বাধা নেই

ফাইল ছবি: সালাহউদ্দিন আহমেদ

ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায় থেকে বেকসুর খালাস পেয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মেঘালয়ের শিলং জজ আদালতের আপিল বিভাগ এ রায় ঘোষণা করেন। ফলে ভারত থেকে সালাহউদ্দিনের দেশে ফিরতে আর কোনো বাধা নেই।

বুধবার (১ মার্চ) বিকালে ভারতের শিলং থেকে এ কথা জানান সালাহউদ্দিন নিজেই। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘গতকাল মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভারতের শিলংয়ের জজ কোর্টের রায়ে আমি বেকসুর খালাস পেয়েছি, আলহামদুলিল্লাহ।’

আদালতের রায় প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন বলেন, ‘২০১৮ সালের ২৬ অক্টোবর নিম্ন আদালত খালাস দিয়েছিলেন। পরে সেই রায়ের বিরুদ্ধে সরকার আপিল করে। শিলংয়ের জজ কোর্ট গতকাল মঙ্গলবার আবারও আমাকে বেকসুর খালাস দিয়ে মামলা নিষ্পত্তি করতে আদেশ দিয়েছেন। দ্রুত যেন আমাকে দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করা হয়, সেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

সালাহউদ্দিন আরও  বলেন, ‘আমার প্রায়োরিটি এখন দেশে ফেরা। যত শিগগিরই সম্ভব দেশে ফিরতে চাই।’

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের মার্চে যখন সালাহউদ্দিন নিখোঁজ হন, ওই সময়ে বিএনপি পুরোদমে আন্দোলনে, তিনি সেসময়ে গোপনে বিভিন্ন জায়গায় থেকে মিডিয়া কথা বলতেন এবং দলের মুখপাত্রের ভূমিকা পালন করছিলেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে অজ্ঞাত জায়গা থেকে প্রতিদিন দলের কর্মসূচি ও নেতাকর্মীদের কাছে শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশনা গণমাধ্যমে মাধ্যমে পাঠানোর কাজটি করতেন বিশ্বস্থতার সাথে। 

২০১৩ সালে বিএনপির স্থায়ী কমিটির অধিকাংশ সদস্য, তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ ঢাকার গ্রহণযোগ্য নেতারা যখন গ্রেফতার হয়ে কারাগারে, তখন সালাহউদ্দিন আহমেদ দলের মুখপাত্রের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

দল ও পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ, ২০১৫ সালের ১০ মার্চ গভীর রাতে রাজধানীর উত্তরার বাসা থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে সালাহউদ্দিনকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এর দুই মাস পর ভারতে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায় তাকে।

উদ্ধারের পর সালাহউদ্দিনের বিরুদ্ধে দেশটিতে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে মামলা হয়। প্রায় সাড়ে তিন বছর মামলার কার্যক্রম চলার পর ২০১৮ সালের ১৩ আগস্ট বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ হয়। পরে পক্ষে-বিপক্ষে রায় সম্পন্নের পর বর্তমানে মামলায় নির্দোষ হিসেবে রায় পান সালাহউদ্দিন আহমেদ। সূত্র: ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এমরান পরিবার নিয়ে মার্কিন দূতাবাসে


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
শুক্রবার, ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ০৬:৫০
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এমরান পরিবার নিয়ে মার্কিন দূতাবাসে

ফাইল ছবি: ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) এমরান আহম্মদ ভূঁইয়া ও তার পরিবার

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) এমরান আহম্মদ ভূঁইয়াকে তার পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার রাতে বিজ্ঞপ্তি জারি করে। রাষ্ট্রপতির আদেশে এ অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

এদিকে এমরান আহম্মদ ভূঁইয়া শুক্রবার বিকেলে জানান তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তাই তিনি পরিবারকে নিয়ে আশ্রয়ের জন্য আমেরিকান দূতাবাসে অবস্থান করছেন।

তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। তাই পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে হাজির হয়েছি। বন্ধের দিন হওয়ায় নিরাপত্তাকর্মীরা ভেতরে যেতে দেননি। মূল ফটকের পাশে একটি কক্ষে আমাদের বসতে দিয়েছেন।

এরপর বিকাল পাঁচটার দিকে আবারও ফোন দিলে এমরান জানান, এখনো তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন।

শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিষয়ে বিবৃতি সংক্রান্ত বক্তব্য দিয়ে আলোচনায় আসেন এমরান আহম্মদ। শুক্রবার সকালে এমরান আহম্মদকে বরখাস্তের বিষয়টি জানান আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগের দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘দ্য বাংলাদেশ ল অফিসার্স অর্ডার, ১৯৭২–এর ৪ (১) অনুচ্ছেদ অনুসারে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এমরান আহম্মদ ভূঁইয়ার নিয়োগ আদেশ জনস্বার্থে বাতিলক্রমে তাকে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হলো।’

ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে শ্রম আইন লঙ্ঘন ও দুর্নীতির মামলা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে খোলা চিঠি (বিবৃতি) পাঠিয়েছিলেন বিশ্বের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নেতৃত্বস্থানীয় দেড় শতাধিক ব্যক্তি। তাদের মধ্যে শতাধিক নোবেলজয়ী রয়েছেন। এ বিষয়ে গত সোমবার হাইকোর্টের বর্ধিত ভবনের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এমরান। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, ড. ইউনূস একজন সম্মানিত ব্যক্তি। তার সম্মানহানি করা হচ্ছে এবং এটি বিচারিক হয়রানি।’

শতাধিক নোবেলজয়ীর ওই খোলা চিঠির বিপরীতে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় থেকে প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দেওয়ার কথা রয়েছে- এমন দাবি করে এমরান আহম্মদ বলেন, ‘অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসে কর্মরত সবাইকে এতে স্বাক্ষর করার জন্য নোটিশ করা হয়েছে। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এ বিবৃতিতে স্বাক্ষর করব না।’

এর পরদিন মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের আইনমন্ত্রী বলেন, ‘তিনি (এমরান আহম্মদ ভূঁইয়া) অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন ডিএজি (ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল)। তিনি যদি সাংবাদিকদের সামনে কথা বলেন, তাহলে তাকে হয় পদত্যাগ করে কথা বলা উচিত অথবা অ্যাটর্নি জেনারেলের অনুমতি নিয়ে কথা বলা উচিত। তিনি সেটি করেননি।

ওই দিন অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস থেকে ড. ইউনূসের বিপক্ষে বিবৃতির কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। অন্য কোনো পক্ষকে খুশি করার জন্য ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এমরান আহম্মদ ভূঁইয়া এটা বলেছেন। নিশ্চয়ই এখানে তার অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল।

এরপর বৃহস্পতিবার অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেন। ওই প্রজ্ঞাপনে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিস সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো প্রকার বক্তব্য প্রদানের পূর্বে অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে পরামর্শ ও পূর্ব অনুমতি নিতে হবে বলে নির্দেশনা আসে।

এদিকে পদ থেকে অব্যাহতির বিষয়ে জানতে চাইলে এমরান আহম্মদ ভূঁইয়া শুক্রবার বিকাল ৪টার দিকে জানান, তিনি আশ্রয়ের জন্য আমেরিকান দূতাবাসে যাচ্ছেন। তিনি বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

রাজনীতিতে যুদ্ধ


কর্ণেল আকরাম, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বুধবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৪, ১২:৫৬
রাজনীতিতে যুদ্ধ

প্রতিকী ছবি: সংগৃহীত

 

নিউজ ডেস্ক: রাজনৈতিক যুদ্ধের গুরুত্ব আমাদের সামনে এসে দাঁড়ায় যখন জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের প্রধান স্থপতি ও উপদেষ্টা মাহফুজ আলম এর প্রয়োজনীয়তা প্রকাশ্যে উল্লেখ করেন। তিনি সরাসরি পুরনো প্রথাগত রাজনীতির বিপরীতে নতুন ধাঁচের রাজনীতি স্থাপনের প্রয়াসে একটি রাজনৈতিক যুদ্ধের সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেন, যা আগামীতে একটি নতুন বাংলাদেশের পথ তৈরি করতে পারে।  

তবে তিনি এই নতুন ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে কিছুই স্পষ্ট করেননি। পুরো জাতি এখন ভবিষ্যৎ রাজনীতির দিকনির্দেশনার অপেক্ষায় রয়েছে এবং এই সম্ভাব্য রাজনৈতিক যুদ্ধের উদ্দেশ্য সম্পর্কে একেবারে অন্ধকারে রয়েছে।  

গত পাঁচ দশকে গড়ে ওঠা রাজনৈতিক কাঠামো রাতারাতি কোনো যুদ্ধ ঘোষণার মাধ্যমে বদলে দেওয়া সম্ভব নয়, বিশেষত যখন জাতি এমন একটি পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত নয়। এই ধরনের ঘোষণাগুলি সাধারণ মানুষের কাছে একটি উচ্চাভিলাষী ধারণা মনে হতে পারে এবং সমাজে পরিবর্তনের উদ্দেশ্য নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে।  

বিপ্লবের ইতিহাস আমাদের বলে, পুরনো ব্যবস্থার বিরুদ্ধে নতুন ব্যবস্থার উত্থান ধাপে ধাপে ঘটে। প্রতিটি বিপ্লব, যা অতীতে ঘটেছে, সামাজিক কাঠামোয় একটি মৌলিক পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। সাম্প্রতিক ইরানের ইসলামী বিপ্লব একটি উজ্জ্বল উদাহরণ, যেখানে ১৯৭৯ সালে ইসলামী রাজনীতির মাধ্যমে স্বৈরাচারী শাসনকে উৎখাত করা হয়েছিল। সেই বিপ্লবের পর থেকে নতুন ব্যবস্থাটি পুরনো ব্যবস্থার মানুষদের বিরুদ্ধে এবং বিদেশি আগ্রাসীদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক যুদ্ধ চালিয়ে আসছে।  

বাংলাদেশের মানুষ এখনো খুব স্পষ্ট নয় যে কী ধরণের নতুন রাজনৈতিক ব্যবস্থা প্রবর্তন করতে চাওয়া হচ্ছে, যা পুরনো ব্যবস্থাকে প্রতিস্থাপন করবে। জাতিকে এই পরিবর্তনের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত করা প্রয়োজন; অন্যথায়, এটি উল্টো ফল বয়ে আনতে পারে এবং শত্রুরা এই সুযোগে উভয় পক্ষের মধ্যে ফাটল ধরিয়ে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে পারে।  

রাজনীতিতে মাইনাস ফর্মুলা ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে না। বরং, রাজনৈতিক যুদ্ধ দেশকে গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে পারে এবং সমাজ তার শিকার হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে জাতি মারাত্মক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পড়বে, যা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে।  

তরুণ প্রজন্মের উচিত দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনা করা, বিশেষ করে যখন তারা রাজনীতিতে একটি মৌলিক পরিবর্তনের পথে হাঁটতে চায়। অভিজ্ঞতা এবং পরিপক্কতা নতুন বাংলাদেশ গড়তে অপরিহার্য। শুধুমাত্র তরুণরা সমাজ পরিবর্তনে সক্ষম নয়; তাদের উচিত অভিজ্ঞ ও প্রবীণদের গুরুত্ব উপলব্ধি করা।  

আবেগ দিয়ে কোনো জাতি দীর্ঘমেয়াদে চলতে পারে না। বরং এটি জাতির জন্য গভীর সংকট তৈরি করতে পারে। আমরা ভুলে যেতে পারি না যে, প্রাকৃতিক ও মানবসম্পদ উভয় দিক থেকে আমরা দরিদ্র একটি জাতি। হঠাৎ কোনো পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত জাতিকে বিপদের মুখে ফেলতে পারে, এমনকি যদি তা সমাজের জন্য ভালোও হয়। যে কোনো ভুল পদক্ষেপ জাতির জন্য ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে।  

তরুণ প্রজন্ম নিঃসন্দেহে দেশপ্রেমিক এবং প্রতিশ্রুতিশীল, কিন্তু তাদের অভিজ্ঞতার অভাব রয়েছে, যা দক্ষ রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। অন্যথায়, দীর্ঘমেয়াদে জনগণই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।  

আমরা কি সঠিক পথে এগোচ্ছি, নাকি ভ্রান্ত পথে, তা জাতির জন্য একটি বড় চিন্তার বিষয়। আমাদের জন্য বিকল্প নেই, কিন্তু পরিবর্তনের প্রয়োজনীয় কাঠামোগত পরিবর্তন সংলাপের মাধ্যমে হওয়া উচিত, যুদ্ধের মাধ্যমে নয়।  

বর্তমানে যদি নতুন রাজনৈতিক ব্যবস্থার নামে কোনো শত্রুতাপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করা হয়, তাহলে তা ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের মাধ্যমে অর্জিত শান্তি ও ঐক্য ধ্বংস করে দেবে।

 

প্রফেসর ড. এস কে আকরাম আলী
কলামিস্ট ও লেখক, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

সর্বশেষ - আইন