a
ফাইল ছবি
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানের পক্ষে সহায়তাকারী রাজাকার বাহিনী ছাড়া বাংলাদেশের সব নাগরিককে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ঘোষণার রিটের শুনানি বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) অনুষ্ঠিত হবে।
মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসেন দোলনের হাইকোর্ট বেঞ্চ রিটটি শুনানির জন্য দিনটিকে ধার্য করা হয়। আদালতে রিট আবেদনটি শুনানির জন্য উপস্থাপন করেন অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ।
তিনি বলেন, সংবিধানে বলা হয়েছে, ‘আমাদের রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য হইবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এমন এক শোষণ-মুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজের প্রতিষ্ঠা- যেখানে সকল নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত হইবে। আমরা দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করিতেছি যে, আমরা যাহাতে স্বাধীন সত্তায় সমৃদ্ধি লাভ করিতে পারি এবং মানবজাতির প্রগতিশীল আশা-আকাঙ্ক্ষার সহিত সঙ্গতি লক্ষ্য করিতে আন্তর্জাতিক শান্তি ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে পূর্ণ ভূমিকা পালন করিতে পারি, সেইজন্য বাংলাদেশের জনগণের অভিপ্রায়ের অভিব্যক্তিস্বরূপ এই সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুণ্ণ রাখা এবং ইহার রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তা-বিধান আমাদের পবিত্র কর্তব্য।’
তিনি আরও বলেন বলেন, এখানে ‘আমরা’ শব্দটি চারবার ব্যবহার করা হয়েছে। সুতরাং রাজাকার বাদে তখনকার সব নাগরিকই মুক্তিযোদ্ধা ছিল মর্মে ঘোষণা আবশ্যক ও নির্দেশনা প্রয়োজন। সূত্র: ইত্তেফাক
ফাইল ছবি
ভোক্তা-গ্রাহকদের আকৃষ্ট করতে চটকদার, লোভনীয় ও অসত্য বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধে কর্তৃপক্ষের নিস্ক্রিয়তা কেনো অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
একইসঙ্গে এ ধরনের বিজ্ঞাপন দাতাদের বিরুদ্ধে কেনো আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি মো. মাহমুদ হোসেন তালকুদারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম। তার সঙ্গে ছিলেন তামজিদ হাসান পাপুল ও রবিউল আলম।
আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে তথ্য সচিব, বাণিজ্য সচিব, সংস্কৃতি সচিব এবং ভোক্তা অধিদফতরের মহাপরিচালক এবং প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারম্যানকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এর আগে গত ১৫ সেপ্টেম্বর লোভনীয় বিজ্ঞাপন নিয়ন্ত্রণে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তাকে নিয়ে চ্যালেঞ্জ রিট দায়ের করেন সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী কামরুল ইসলাম।
ফাইল ছবি
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে পদ্মা সেতু দেখার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার হায়দরাবাদ হাউজে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সময় এ আহ্বান জানান তিনি।
বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বুধবার দিল্লিতে গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নরেন্দ্র মোদিকে পদ্মা সেতু দেখতে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। কারণ এটা (পদ্মা সেতু) হওয়ায় শুধু বাংলাদেশ নয়; এই অঞ্চলের সব দেশই কমবেশি উপকৃত হবে।’
ভারত সফরসূচির অংশ হিসেবে বুধবার দেশটির ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশিও।
২৫ জুন মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে ফলক উন্মোচনের মধ্য দিয়ে পদ্মা সেতুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই দিন মাওয়া প্রান্তে টোল দিয়ে সেতু অতিক্রম করেন প্রধানমন্ত্রী। সূত্র: যুগান্তর