a
ফাইল ছবি । আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান
রংপুর থেকে ঢাকায় আসার পথে নিখোঁজ হয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচিত ইসলামী বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান। গত তিন দিন ধরে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত থেকে নিখোঁজ রয়েছেন বলে তার পরিবার অভিযোগ করেছে। খবর বিবিসি বাংলার।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, নিখোঁজ হবার সময় তার সাথে গাড়িচালকসহ আরো তিনজন সহকর্মী ছিলেন। সেই তিনজন সহকর্মী এবং গাড়িটিরও কোন খোঁজ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ করছেন আদনানের পরিবার। এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কোন মামলা দায়ের করা হয়নি।
আদনানের নিখোঁজ হওয়ার তথ্য জানিয়ে দারুসসালাম এবং মিরপুর থানায় গেলে কোন থানাই সাধারণ ডায়েরি বা মামলা গ্রহণ করেনি বলেও অভিযোগ করছেন তার পরিবার। এ নিয়ে সর্বশেষ রংপুর সদর থানায় একটি জিডি করা হয়েছে।
তবে ঢাকায় পুলিশ বলছে, তিনি ঠিক কোন জায়গা থেকে নিখোঁজ হয়েছেন তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলেই মামলা নেয়া হয়নি।
পরিবার থেকে আদনানের স্ত্রী সাবেকুন নাহার বলেছেন, আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান বৃহস্পতিবার দুপুরে রংপুর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন। রাত ২টা ৩৭ মিনিটে তার ( আদনান) সঙ্গে শেষ কথা হয়, তিনি তখন বলেছেন কাছাকাছি চলে আসছেন। উনি তখন গাবতলী ছিলেন। এরপর রাত তিনটা থেকে তার ফোন বন্ধ পাই, এখনো পর্যন্ত নম্বর বন্ধই পাচ্ছি।
মামলা না করার কারণ জানতে চাইলে আদনানের স্ত্রী সাবেকুন নাহার পাল্টা প্রশ্ন করেন, ‘কোথায় মামলা করবো, কার কাছে অভিযোগ করবো? মামলা করবো কী, কেউ তো জিডিই নিতে রাজী হচ্ছে না।’
তিনি বলেছেন স্বামীর নিখোঁজ হওয়ার বিষয় নিয়ে শুক্রবার বিকালেই পুলিশের কাছে শরণাপন্ন হন তারা। কিন্তু রোববার বিকাল পর্যন্ত গাবতলী সংলগ্ন দারুসসালাম থানা কিংবা মিরপুর থানা কেউই মামলা গ্রহণ করেনি।
সাবেকুন নাহার অভিযোগ করেন, "থানায় ঘুরে ঘুরে ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছি। কোন থানাই দায়িত্ব নিচ্ছে না, এক থানা আরেক থানাকে দেখিয়ে দিচ্ছে।"
তবে রোববার সকালে রংপুর সদর থানায় এ নিয়ে একটি জিডি করা হয়েছে আদনানের মায়ের পক্ষ থেকে।
৩১ বছর বয়সী আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনানকে ফেসবুক এবং ইউটিউবে অনেকেই তাকে অনুসরণ করেন।
আদনানের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা নিয়ে এবং তার সন্ধান চেয়ে সামাজিক মাধ্যমে হ্যাশট্যাগ দিয়ে প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
পুলিশ কী বলছে, আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনানের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে বিবিসি দারুসসালাম এবং মিরপুর থানার সঙ্গে যোগাযোগ করে।
মিরপুর থানার দায়িত্বরত কর্মকর্তা বিষয়টি নিয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।
দারুসসালাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফায়েল আহমেদ স্বীকার করেছেন যে কোন সাধারণ ডায়েরি বা মামলা গ্রহণ করেননি তারা।
এ ব্যাপারে ওসি তোফায়েল বলেন, ‘উনি (আদনান) কোথা থেকে নিখোঁজ হয়েছেন সেই লোকেশনটা তো আমরা নিশ্চিত না। উনি গাবতলী থেকে নিখোঁজ হইছে, সেটা তো আমরা জানি না। সেক্ষেত্রে যেখান থেকে উনি রওনা হয়েছেন, সেই রংপুর অথবা উনার ঢাকায় যেখানে বাসা, সেখানে জিডি হতে পারে বা মামলা হতে পারে।
এখন পুলিশ আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনানের মোবাইল ফোনের সর্বশেষ লোকেশন শনাক্ত করার চেষ্টা করছে। এজন্য পুলিশের সংশ্লিষ্ট বিভাগের সাহায্য চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। গাবতলী এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে আদনানকে বা তার গাড়ীকে দেখা যায়নি। বাংলাদেশে নিখোঁজ ব্যক্তিকে অনুসন্ধানের জন্য পুলিশের আলাদা কোনো বিভাগ নেই।
সূত্র: বিবিসি বাংলা, যুগান্তর
সংগৃহিত ছবি
বর্তমান সময়ে অনলাইনে কেনাকাটা কম বেশি সকলেই করে থাকে। অনলাইনে ক্রয়কৃত মালামাল উলট পালটের ঘটনা হয়ত অনেকের কাছে একটি অবগত বিষয়। কিন্তু অনলাইনে কেনা কোন পন্যে যদি লুকানো থাকে হাজার হাজার টাকা তাহলে ত ক্রয়কারী লাখপতি বিনা পুজিতেই! ঠিক এমনি একটি ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ কোরিয়ার এক ব্যবসায়ীর ভাগ্যে। নিজের ব্যবসায়ীক কাজে অনলাইনে ফ্রিজার কিনেছিলেন দক্ষিণ কোরিয়ার এক ব্যক্তি।
নতুন ফ্রিজ পাওয়ার কিছুদিন পর তার মধ্যে খুঁজে পেলেন এক কোটি টাকার নোট! এত টাকার পেয়ে লোকটি কিছুটা হতবাক হলেও পরবর্তীতে পুলিশকে ফোন দিয়ে পুরো টাকা তুলে দিলেন তাদের হাতে। সততার এমনই নিদর্শন দিলেন এক ব্যক্তি। এমনি খবর নিশ্চিত করেছে হিন্দুস্তান টাইমস।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে ঐ ব্যক্তি জানান, প্রথমে খুব বিস্মিত হয়েছিলাম। কিছুক্ষণ ভেবে বুঝলাম পুলিশে খবর দেওয়াই সঠিক কাজ হবে। তাই স্থানীয় থানায় ফোন করি। এরপর তার বাড়িতে এসে টাকাগুলো উদ্ধার করেন পুলিশকর্মীরা।
এবিষয়ে এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, তিনি তার পুরো কর্মজীবনে এত টাকা একসঙ্গে কখনও উদ্ধার করেননি। তবে দক্ষিণ কোরিয়ার আইন অনুযায়ী টাকা হারিয়ে গেলে এবং তার কোনো দাবিদার না থাকলে সেটা যিনি পেয়েছেন তার হয়ে যায়। যদিও ২২% কর কাটা হয়। তবে কোনও টাকার সঙ্গে অপরাধের ইতিহাস জড়িয়ে থাকলে তা পুলিশ বাজেয়াপ্ত করে।
ছবি: সংগৃহীত
টি-২০ বিশ্বকাপে সাবেক দুই চ্যাম্পিয়ন ভারত ও পাকিস্তানের শুরুটা হয়েছে ব্যতিক্রমভাবে। আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে রোহিতরা ভালোভাবেই মিশন শুরু করেছেন।
অন্যদিকে বাবর আজমদের শুরটা ভালো হয়নি। পাকিস্তানের শুরুটা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হার দিয়ে। ফলে সুপার এইটে উঠার লড়াইয়ে ভারতের বিপক্ষে রোমাঞ্চকর ম্যাচে তাদের জয় পেতেই হবে।
আজ (রবিবার) নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী এই দুই দল। বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায় শুরু হবে এই লড়াই। গোটা ক্রিকেট বিশ্ব এই ম্যাচটি দেখতে উন্মুখ হয়ে বসে আছে।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে পাক-ভারত দ্বৈরথের ইতিহাস বেশ পুরনো। তাই শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে দুই দলের এই ম্যাচের আগে ভারত-পাকিস্তানের বিগত পরিসংখ্যানে একবার চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক।
বিশ্বকাপের অতীত পরিসংখ্যান এবং শক্তির বিচারে পাকিস্তানের চেয়ে বেশ এগিয়ে ভারত। আইসিসির টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানও এখন তাদের দখলে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দুর্দান্ত ক্রিকেট খেলছে পাকিস্তানের দল। তাই লড়াইটা যে সহজ হবে না, সেটা নিশ্চিত বলা যায়।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ৭ বার মুখোমুখি হয়েছে ভারত-পাকিস্তান। জয়ের হিসাবে পাকিস্তানের চেয়ে বেশ এগিয়ে ভারত। বিশ্বমঞ্চে মুখোমুখি ৭ বার, ছয়টিতেই জিতেছে ভারত। সবশেষ ২০২১ বিশ্বকাপে ভারতকে হারিয়েছিল পাকিস্তান।
টি-টোয়েন্টিতে দু’দলের মোট ১২ দেখায় মাত্র তিনটি ম্যাচ জিতেছে পাকিস্তান। আর ভারত জিতেছে ৯টি। তবে পরিসংখ্যান যেমনই হোক, মাঠে নিজেদের সেরাটা দিলে যেকোনো প্রতিপক্ষের জন্যই যে দুঃস্বপ্ন হয়ে উঠতে পারে পাকিস্তান, সেটার প্রমাণ অনেকবারই দিয়েছেন বাবর-রিজওয়ানদের দল।সূত্র: বিডি প্রতিদিন