a
ফাইল ছবি
সিরাজগঞ্জের রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪ শিক্ষার্থীর মাথার চুল কেটে দেওয়ার ঘটনায় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগের শিক্ষক ফারহানা ইয়াসমিন বাতেনকে অবশেষে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
একই সঙ্গে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি স্থগিত করা হয়েছে সব পরীক্ষাও।
বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬তম সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্র্রার মো. সোহরাব আলী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানা যায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তদন্ত কমিটির সুপারিশে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনে সাময়িক বরখাস্তকৃত শিক্ষকের বিরুদ্ধে পরবর্তীতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মুন্না শেখ, জবি প্রতিনিধিঃ সাধারণ শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মীদের সম্মিলিত অংশগ্রহণে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখার ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় । আজ শনিবার (১৫ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগে আয়োজিত হয় এই অনুষ্ঠানটি ।
এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জবি ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, ছাত্র অধিকারসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সদস্য ও নেতাকর্মীরা। তারা ক্যাম্পাসে সংগঠনগুলোর পারস্পরিক সহনশীল সম্পর্ক, সহাবস্থান ও জুলাই অভ্যুত্থানে সবার সামগ্রিক অবদান ও ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের গতিপথ নিয়ে আলোচনা তুলে ধরেন।
এসময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, “আমরা সবাই মিলে একটি সুন্দর ক্যাম্পাস ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে চাই। বৈষম্য বিরোধীর আয়োজনে সবার উপস্থিতি দেখে বোঝা যাচ্ছে, আমাদের মধ্যে সহাবস্থানের জায়গাটি মজবুত আছে। এভাবেই আমরা এগিয়ে যেতে চাই। আমাকে এখানে ডাকার জন্য বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন, জবি শাখাকে ধন্যবাদ।”
জবি ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রায়হান রাব্বি বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে আমাদের আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ থাকা উচিত ছিল। আমরা অনেকাংশে তা করতে ব্যর্থ হয়েছি। আজকের আয়োজন আমাদের সহাবস্থানের প্রমাণ। এভাবেই আমাদের থাকতে হবে।”
জবি বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক মাসুদ রানা বলেন, “স্বৈরাচার হাসিনার পতন সম্ভব হয়েছে আমাদের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে। আমাদের দলমত নির্বিশেষে এক হয়ে থাকতে হবে। আমাদের রাজনৈতিক মত ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু জুলাই প্রশ্নে আমরা যেন এক থাকি সবার প্রতি এই আহ্বান।”
ফাইল ছবি
ইয়েমেনের সেনাবাহিনী ও দেশটির সশস্ত্র হুতি বিদ্রোহীদের মধ্যে কয়েকদিনের তুমুল লড়াইয়ে ১৪০ জনের বেশি নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
চলতি সপ্তাহে দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় মারিব শহর এ হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলে শুক্রবার ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী এবং স্বাস্থ্য দফতরের বরাতে ডন এ খবর জানিয়েছে।
খবরে বলা হয়, গত চারদিনের সংঘর্ষে সরকারি বাহিনীর অনুগত প্রায় ৪৭ সেনা প্রাণ হারিয়েছেন। উভয়পক্ষের যুদ্ধে ইরান সমর্থিত ৯৩ জন হুতি বিদ্রোহী নিহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়, সরকারি বাহিনীর বিমান হামলায় তারা নিহত হয়েছেন বলে জানানো হয়।
তেলসমৃদ্ধ অঞ্চল মারিবের আধিপত্য নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সরকারি বাহিনী ও হুতি গোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরেই লড়াই চালিয়ে আসছে। যদিও হুতি বিদ্রোহীদের পক্ষ তাদের সদস্য হতাহতের বিষয়টি
এখনো নিশ্চিত করেনি।
ইরানি মদদপুষ্ট হুতি বিদ্রোহীরা ২০১৪ সালে ইয়েমেনের রাজধানী সানা দখল করার পর দেশটির সৌদি সমর্থিত প্রেসিডেন্ট আব্দে রাব্বি মানসুর হাদিকে ক্ষমতাচ্যুত করে। পরে আব্দে রাব্বি মানসুর দেশ ছেড়ে পালিয়ে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে চলে যান।
এরপর ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে হস্তক্ষেপ করে সৌদি সামরিক জোট। প্রতিশোধ নিতে কিছুদিন পর সৌদি শহরগুলোতে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে ইরানের মিত্র হুতি বিদ্রোহীরা।