a
ফাইল ছবি
পদ্মা সেতুর উদ্বোধনকে ঘিরে নিরাপত্তার কোনো শঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘মানুষের মধ্যে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনকে ঘিরে যে পরিমাণ উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখছি, তাতে বৃষ্টি না হলে মানুষ ১০ লাখ ছাড়াবে।’
আজ শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। সেখানে আগামীকাল শনিবার বিশাল জনসভায় বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আগামীকাল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বহুল প্রতীক্ষিত পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করবেন। এরপর তিনি মাদারীপুরে জনসভায় বক্তব্য দেবেন। এখানে নিরাপত্তার শঙ্কা নেই।
আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের কর্তব্য পালন করে যাচ্ছেন। আমাদের দলীয় ভলান্টিয়ার টিমও কাজ করছে। প্রয়োজনে আমরা বিজিবি নিয়ে আসব। তাই মানুষের শঙ্কার কোনো কারণ নেই।’ সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ছবি সংগৃহীত
রাত পোহালেই পহেলা বৈশাখ। নতুন বছরকে বরণের আয়োজন করতে চলছে শেষ সময়ের প্রস্তুতি। নববর্ষের অনুষ্ঠান ঘিরে কোনো জঙ্গি হামলা বা নাশকতার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন র্যাব মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন।
শনিবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে রমনা বটমূলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। র্যাবের মহাপরিচালক বলেন, ‘পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠান ঘিরে পুলিশ, র্যাবসহ গোয়েন্দা বাহিনী সম্মিলিতভাবে কাজ করছে। দেশব্যাপী গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। টিএসসি, শাহবাগ, রমনা, হাতিরঝিলসহ যেসব জায়গায় জনসমাগম হবে, সেখানে র্যাবের পর্যাপ্ত সদস্য মোতায়েন থাকবে।’
বৈশাখের অনুষ্ঠানে নারীদের হেনস্তা ঠেকানো প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘সাধারণ মানুষকে হয়রানি, নারীদের উত্ত্যক্তের বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকবে র্যাব। কারণ, প্রতিবারই জনসমাগমস্থলে নারীদের হেনস্তার ঘটনা ঘটে। এ জন্য ইভটিজিং রোধে র্যাবের মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।’
র্যাবের মহাপরিচালক আরও বলেন, ‘বৈশাখের অনুষ্ঠান ঘিরে জঙ্গি হামলার কোনো আশঙ্কা নেই। তারপরও জঙ্গিদের যে কোনো তৎপরতা নস্যাৎ করে দিতে র্যাব প্রস্তুত রয়েছে।’ সূত্র: ইত্তেফাক
ফাইল ছবি: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
শনিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১১টার দিকে কোটালীপাড়ায় পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তালিমপুর তেলিহাটি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জনসভায় বক্তব্য দেবেন। এ উপলক্ষে দলের প্রতীক নৌকার আদলে জনসভার মঞ্চ প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় প্রায় ২০ লাখ মানুষের সমাগম হবে বলে আশা করছেন নেতা-কর্মীরা।
এই সফরে প্রধানমন্ত্রী ৪২টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ৬টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।
প্রধানমন্ত্রীর গোপালগঞ্জ সফর উপলক্ষে স্থানীয় প্রশাসন নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে। ৪ বছর পর নিজ নির্বাচনী এলাকায় আওয়ামী লীগ সভাপতির জনসভা ঘিরে উচ্ছ্বসিত কর্মী-সমর্থকরা। জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে সমাবেশস্থল। প্রধানমন্ত্রীর আগমণ উপলক্ষে কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়ার নেতা-কর্মীসহ স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। এসব জায়গার বিভিন্ন স্থানে টাঙানো হয়েছে লাল নীল ব্যানার ও ফেস্টুন। সূত্র: ইত্তেফাক