a
ফাইল ছবি
হঠাৎ করেই ঠান্ডা বাতাস বইছে। এই বাতাসে শীত আরও বাড়বে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। উত্তরের বাতাস বয়ে যাওয়ার কারণে আজ রবিবার (১৯ ডিসেম্বর) সকাল থেকে ঢাকায় বেশ ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৭ ডিগ্রি, আর শনিবার এই তাপমাত্রা ছিল ১৬ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আজ সকাল ৯টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টায় দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। চলতি সপ্তাহের শেষের দিতে উত্তরাঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহ শুরু হতে পারে। এছাড়া বাতাসের কারণে ঠান্ডাটা আরেকটু বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ আফরোজা সুলতানা।
চলতি সপ্তাহের শেষে উত্তরাঞ্চল থেকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ শুরু হতে পারে বলেও জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। শনিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে তেঁতুলিয়ায় ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল ও আজ সেখানে একই তাপমাত্রা ছিল।
আজ তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। উল্লেখ্য, এখনও উত্তরাঞ্চল কিংবা দেশের অন্য কোথাও শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়নি।
ফাইল ছবি
দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস (ব্রাজিল, রাশিয়া, ইন্ডিয়া, সাউথ আফ্রিকার সমন্বয়ে বাজার অর্থনীতির বর্ধিষ্ণু দেশগুলোর শান্তি, নিরাপত্তা, উন্নয়ন ও সহযোগিতাবিষয়ক ফোরাম) শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মধ্যে বৈঠক হতে পারে। সম্মেলন চলবে ২১ আগস্ট থেকে ২৪ আগস্ট পর্যন্ত। মোদি ও হাসিনা এ সম্মেলনে যোগ দেবেন বলে সরকারি সূত্র জানিয়েছে। বাংলাদেশে আগস্ট হচ্ছে ‘শোকের মাস’। সাধারণত এ মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিদেশ সফর করেন না। এবার যেহেতু ব্রিকস গোষ্ঠীতে নয়া সদস্য রাষ্ট্র অন্তর্ভুক্তি নিয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে, তাই তিনি সফর করবেন।
দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা জেনেভায় সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ব্রিকসে যোগদানের আমন্ত্রণ জানান। দক্ষিণ আফ্রিকা বর্তমান ব্রিকস প্রেসিডেন্ট। পরে প্রধানমন্ত্রী হাসিনাও জানান, বাংলাদেশ ব্রিকসে যোগ দিতে আগ্রহী।
সম্প্রতি কিছু আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সংবাদ প্রকাশ করে যে, ভারত সম্প্রসারণের বিরোধী। এ বিষয়ে সর্বশেষ সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র প্রকাশিত সংবাদ সম্পূর্ণ খণ্ডন করে বলেন, আমরা ব্রিকস সম্প্রসারণে বিরোধিতা করছি, এ তথ্য সম্পূর্ণ ভুল। আবারও বলছি ভুল। বরং চতুর্দশ ব্রিকস সম্মেলনে রাষ্ট্রনেতারা ব্রিকস সম্প্রসারণে সহমত হয়েছিলেন। এখন ব্রিকস সমন্বয়কারী সব রাষ্ট্রের শেরপারা এ বিষয়ে আলোচনা করছেন।
আমরা মনে করি সব কিছুই ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে। নয়া সদস্য রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্তি বিষয়ে নীতিমালা তৈরি হচ্ছে। বিষয়টি চূড়ান্ত হলেই নয়া সদস্য নেওয়া হবে। বাংলাদেশ ছাড়াও সৌদি আরব, আর্জেন্টিনা ও কয়েকটি রাষ্ট্র ব্রিকস সদস্য হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠেয় সম্মেলনে ৭০টি রাষ্ট্র আমন্ত্রিত। তার মধ্যে বাংলাদেশও রয়েছে। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং এই শীর্ষ সম্মেলনে থাকবেন বলে ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠক হবে।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সরাসরি যাবেন না। তিনি ভিডিও মারফত যোগ দেবেন। ইউক্রেনে যুদ্ধ অপরাধের দায়ে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। তাই তিনি যাবেন না। এ বৈঠকের সময়ই প্রধানমন্ত্রী মোদি ও শেখ হাসিনা সাক্ষাৎ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ সাক্ষাৎটা হবে সেপ্টেম্বর মাসে জি-২০ সম্মেলনে দুই নেতার সাক্ষাতের আগে আরও একবার। ব্রিকস সদস্য হতে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে ভারত প্রস্তুত।
সরকারি সূত্র মতে, এবার হয়তো সদস্যপদ ঘোষণা নাও হতে পারে। তবে নীতিমালার ঘোষণায় বাংলাদেশের সদস্য হওয়ার পথ প্রশস্ত হতে পারে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
ইরানের সাথে সরাসরি আলোচনা করতে চান বলে জানিয়েছেন সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান। তিনি চান ইরানি ও সৌদি কর্তৃপক্ষের পাস্পারিক বিশ্বাস প্রতিষ্ঠার জন্য সকল আলোচনা সরাসরি অনুষ্ঠিত হোক। বুধবার মিডল ইস্ট আই এমন সংবাদ প্রকাশ করেছে।
সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যে অনেক পুরোনো বৈরী সম্পর্কের কারণে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এমন তিক্ত সম্পর্ক থাকার কারণে দু’পক্ষই আলোচনার জন্য তেমন কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। এরপর বুধবার জাতিসঙ্ঘের সাধারণ পরিষদে দেয়া (আগে রেকর্ডকৃত ভার্চুয়াল) ভাষণে সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান বলেন, ইরান আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র।
আমরা আশা করি, সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যকার এ প্রাথমিক আলোচনার ফলে আমাদের মধ্যে পাস্পারিক বিশ্বাস সৃষ্টি হবে। উভয় দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা ও পরস্পরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতি হবে এ বিশ্বাসের মূল ভিত্তি।
সৌদি বাদশাহ আরো বলেন, ইরান যাতে পারমাণবিক শক্তি অর্জন করতে না পারে তার জন্য যে আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা ছিল তাকে আমরা সমর্থন করি। যদিও ইরান সবসময় বলে থাকে যে তাদের পরমাণু কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ তবুও আমরা দেখেছি তারা কিভাবে তাদের প্রতিজ্ঞার পরিপন্থী কাজ করে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, ইরান ও সৌদি আরব মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের প্রধান আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ। সিরিয়া ও ইয়েমেনে তারা অনেক দিন ধরে যুদ্ধে লিপ্ত আছে। এ যুদ্ধে উভয় দেশের মদদপুষ্ট যোদ্ধারা পরস্পরের বিরুদ্ধে লড়ছে। এ কারণে ২০১৬ সালে দু’দেশের মধ্যকার কূটনীতিক সম্পর্ক ছিন্ন হয়। অল্প কিছু দিন আগে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে উত্তেজনা প্রশমনের লক্ষ্যে দুটি দেশ ইরাকে বৈঠক করে। সূত্র : মিডল ইস্ট আই