a গাজীপুর সিটি নির্বাচনে একের পর এক বিধি লঙ্ঘন ঘটছে
ঢাকা শুক্রবার, ২০ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ এপ্রিল, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

গাজীপুর সিটি নির্বাচনে একের পর এক বিধি লঙ্ঘন ঘটছে


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
রবিবার, ০৭ মে, ২০২৩, ১২:৩৩
গাজীপুর সিটি নির্বাচনে একের পর এক বিধি লঙ্ঘন ঘটছে

ফাইল ছবি

গাজীপুর সিটি নির্বাচনে একের পর এক আচরণবিধি ভঙ্গের ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের স্থানীয় মন্ত্রী ও প্রার্থীর একাধিকার আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনায় চিঠি দিয়ে সতর্ক করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এরপরও আচরণবিধি লঙ্ঘন করেই যাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। এসব ঘটনায় বিব্রত কমিশন ফের আওয়ামী লীগের প্রার্থী আজমতউল্লাকে নির্বাচন কমিশনে তলব করেছে।

আজ রবিবার বেলা ৩টায় সশরীরে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা প্রদান করতে হবে। আওয়ামী লীগ প্রার্থীর ব্যাখ্যা সন্তোষজনক না হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বলেন, আওয়ামী লীগের প্রার্থী দুই দফা আচরণবিধি তিনি ভঙ্গ করেছেন বলে গণমাধ্যমের ফুটেজ দেখে আমাদের প্রতীয়মান হয়েছে। সেজন্য তাকে আমরা নির্বাচন ভবনে উপস্থিত হয়ে কারণ দর্শাতে বলেছি। এক্ষেত্রে তিনি যদি সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেন, তাহলে কোনো সমস্যা নেই। আর যদি না দিতে পারেন, তবে কিছু না কিছু শাস্তি তো হবেই। কী শাস্তি হবে তা নির্ভর করবে অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায়। তিরস্কার যেমন শাস্তি তেমনি জেল-জরিমানা এবং প্রার্থিতা বাতিলের বিধানও আছে আইনে।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন পাঁচ সিটির ভোট সুষ্ঠু করতে বেশ তৎপর নির্বাচন কমিশন। জাতীয় নির্বাচনের আগে অনুষ্ঠিত এই ভোটে বিএনপি অংশ না নিলেও ভোটকে সুষ্ঠু করার জন্য কোনো কমতি নেই কমিশনের।

ইতিমধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, জাতীয় পার্টি-জাপার মহাসচিব বরাবর আচরণবিধি প্রতিপালনে সহযোগিতা চাওয়া হয়। কিন্তু পাঁচ সিটির আগে অনুষ্ঠিত গাজীপুরে বিধি লঙ্ঘনের হিড়িক পড়েছে। গাজীপুর সিটি নির্বাচনে বিধি ভঙ্গের কারণে গত ৩০ এপ্রিল মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীকে সতর্ক করেছিল ইসি। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে ইসিতে তলব করা হয়। এরপরও আরেকদফা বিধিভঙ্গ করেন সংশ্লিষ্ট তিন জনই।

গত বৃহস্পতিবার ছুটি রিসোর্টে গাজীপুর বাড়ীয়া ইউনিয়নের যৌথসভা অনুষ্ঠিত হয়। ঐ সভায় মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রার্থী আজমতউল্লা অংশ নেন। নৌকার প্রার্থীর পক্ষে সংশ্লিষ্টরা প্রকাশ্যে ভোট প্রার্থনা করেন। ঐ ঘটনায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে জরুরি বৈঠকে আচরণবিধি ভঙ্গের জন্য আজমত উল্লা খানকে ফের তলবের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে ইসি।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল সভা করে নৌকার পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেছেন; যেখানে প্রার্থী নিজে উপস্থিত ছিলেন। এটি সিটি করপোরেশন (নির্বাচন আচরণ) ২০১৬ বিধি-৫-এর পরিপন্থি বলে জানিয়েছে ইসি। এজন্য বিধির ৩২ ধারা অনুযায়ী প্রার্থিতা বাতিলের সুযোগ রয়েছে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে সাংবিধানিক এই প্রতিষ্ঠান। একান্ত সচিবের মাধ্যমে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে পুনরায় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীকে সতর্ক করা হয়েছে। সূত্র: ই্ত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে যমুনার পানি আবারও বৃদ্ধি


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
শনিবার, ০৭ অক্টোবর, ২০২৩, ১১:৩৯
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে যমুনার পানি  আবারও বৃদ্ধি

ফাইল ছবি

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও কয়েক দিনের ভারি বৃষ্টিতে ফের টাঙ্গাইলের যমুনা নদীসহ জেলার ছোট-বড় সব নদ-নদীর পানি ব্যাপক পরিমাণে বৃদ্ধি পাচ্ছে। একটানা ভারি বৃষ্টিপাতে জেলার বিভিন্ন উপজেলার নিম্নাঞ্চলে রোপনকৃত ধানের চারা, শাক-সবজিসহ আবাদি ফসললের জমি এবং পুকুরও তলিয়েছে এ বৃষ্টিতে। এর আগে কয়েক সপ্তাহ ধরে নদীর পানি কমে আসলে কৃষকরা নতুন করে ধান চাষসহ রবি ফসল রোপন শুরু করেছিল।

টাঙ্গাইল জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানি পোড়াবাড়ি পয়েন্টে ৩২ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ১ দশমিক ৬৬ সেন্টিমিটার, ধলেশ্বরী নদীর পানি এলাসিন পয়েন্টে ৫৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ১ দশমিক ৩৮ সেন্টিমিটার ও ঝিনাই নদীর পানি জোকারচর পয়েন্টে ৩৭ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ১ দশমিক ৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এছাড়াও জেলার বংশাই নদীর পানি মির্জাপুর পয়েন্টে ৪৮ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৭৩ সেন্টিমিন্টার ও মধুপুর পয়েন্টে ২২ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৩ দশমিক ২৮ সেন্টিমিটার এবং কাউলজানী পয়েন্টে ৯৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ১ দশমিক ৬ সেন্টিমিটার, ফটিকজানি নদীর নলচাপা পয়েন্টে ৭৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ১ দশমিক ৪৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

জেলার ভূঞাপুর উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের কয়েড়া গ্রামের কৃষক আয়েত আলী, ওমর ও ছানোয়ার বলেন, আগের বন্যার পানি কমে যাওয়ায় নতুন করে ফের জমিতে ধানের চারা রোপন করেছিলাম। কিন্তু হঠাৎ টানা দু’দিনের ভারি বৃষ্টিতে আবারও তা তলিয়ে গেছে। শাক-সবজির ক্ষেতসহ পুকুরও তলিয়ে যাওয়ার কারণে মাছের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

টাঙ্গাইল জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী নূরুল আমিন জানান, কয়েক সপ্তাহ আগেও টাঙ্গাইলের যমুনা নদীসহ জেলার ছোট-বড় সকল নদ-নদীর পানি কমে যায়। কয়েকদিন যাবৎ আবারও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও সেইসাথে দু’দিন ধরে টানা বর্ষণ হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে বড় ধরনের বন্যার সম্ভাবনা নেই। আরও কিছুদিন যমুনাসহ জেলার অন্যান্য নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহতের আশঙ্কা রয়েছে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ইসলামপুরে (জামালপুর) হাজার হাজার একর জমির ফসল পানির নীচে


ইসলামপুর প্রতিনিধি:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ৩১ আগষ্ট, ২০২১, ০৮:০৪
ইসলামপুরে (জামালপুর) হাজার হাজার একর জমির ফসল পানির নীচে

ফাইল ছবি

জামালপুরের ইসলামপুরে যমুনা-ব্রহ্মপুত্র, দশআনীসহ সবগুলো নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। যমুনার পানি বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্টে ৩৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে নদীর তীরবর্তী এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে তলিয়ে গেছে হাজার হাজার একর রোপা আমন ধান, বীজতলা ও শাক-সবজির ক্ষেত।

এ বছর সময় মতো বন্যা না হওয়ায় কৃষকরা রোপা আমনসহ নানা ফসল করেছেন। নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় অসময়ে বন্যায় পানির কারণে দিশেহারা হয়ে পড়েছে প্রান্তিক কৃষকরা।
 
চিনাডুলি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস ছালাম জানান, ইতোমধ্যে ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা পানিতে ডুবে গেছে।

সাপধরী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন বলেন, যমুনা আমার ইউনিয়নকে জালের ন্যায় ঘিরে রেখেছে। ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর বন্যা হবে না এমন ধারণা থেকে কৃষকরা এক টুকরো জমিও খালি রাখেননি। এই অসময়ের বন্যা কৃষকদের ক্ষয়ক্ষতির মুখে ফেলে দিয়েছে।

উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মেহেদি হাসান টিটু জানান, এ পযর্ন্ত পাঁচ হাজার পরিবারের ২৫ হাজারের অধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র সূত্র জানায়, আগামী সাত দিন পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে।

এদিকে, জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, যমুনার পানি বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

সর্বশেষ - জাতীয়