a
ফাইল ছবি
বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করতে সিলেটে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সকাল ১০টার কিছুক্ষণ আগে প্রধানমন্ত্রী সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন বলে সিলেটের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) দেবজি সিংহ জানান।
দুপুর ১টা পর্যন্ত তিনি সিলেটে নির্ধারিত কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন। অতিবৃষ্টিতে উজানের ঢলে সিলেট ও সুনামগঞ্জ অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে, ফলে এখানে দুর্দশায় পড়েছে প্রায় অর্ধ কোটি মানুষ।
সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন জানান, প্রধানমন্ত্রী বিমানবন্দরে আসার পর সার্কিট হাউজে আসবেন। সেখানে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় প্রশাসনকে বন্যা মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা প্রদান করবেন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
রাজশাহীতে করোনা সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় রাত ৮টার পর দোকানপাট বন্ধ রাখার গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে জেলা প্রশাসন।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, শনিবার রাত ৮টা থেকে রাজশাহী জেলার সব বিপণিবিতান, শপিং মল, বিনোদনকেন্দ্র ও রেস্তোরাঁসহ সব ধরনের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।
রাজশাহীর জেলা প্রশাসক আবদুল জলিল স্বাক্ষরিত গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২৭ জানুয়ারি রাজশাহী জেলা করোনা নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক জেলার বিপণিবিতান, শপিং মল, বিনোদনকেন্দ্র, রেস্তোরাঁসহ সব ধরনের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রাত ৮টা পর বন্ধ থাকবে। এই নির্দেশনার বিষয়ে মানুষকে জানাতে শুক্রবার রাতে মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় পুলিশকে মাইকিং করতে দেখা গেছে।
চলতি বছরের শুরু থেকেই রাজশাহী জেলায় করোনার সংক্রমণ ক্রমাগত হারে বাড়তে থাকে। শুক্রবার এই জেলায় সংক্রমণ হার ছিল মহামারি শুরুর পর থেকে সর্বোচ্চ ৭১ দশমিক ৩৯।
১৬ জানুয়ারি থেকেই এ জেলা রেড জোনে রয়েছে। এ অবস্থায় মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি হয়নি। এমন পরিস্থিতিতে করোনা নিয়ন্ত্রণে আনতে জনগণকে অপ্রয়োজনে বাড়ির বাইরে যেতে নিরুৎসাহিত করতে জেলা করোনা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা কমিটি এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
জেলা প্রশাসক আবদুল জলিল বলেন, রাজশাহী জেলায় করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে। মানুষ সচেতন না হলে কারো একার পক্ষে করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। এই মুহূর্তে জনগণের মধ্যে জনসচেতনা বৃদ্ধি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সবকিছু বিবেচনায় করোনা নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
ফাইল ছবি
সাইবার অপরাধ দমনে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এ আইন কোনো মতেই বাতিল করা যায় না বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক।
রবিবার দুপুরে সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
আইনমন্ত্রী বলেন, আইজিপির সঙ্গে প্রতিনিয়ত মামলা-মোকদ্দমা নিয়ে আলোচনা হয়। অনেক মামলা আদালতে যাতে দ্রুত নিষ্পত্তি হয় এবং সেসব মামলার জটিলতা থাকে সেগুলো নিয়ে আমরা আলাপ-আলোচনা করি। মামলা জট কমানোর জন্য আলাপ-আলোচনা করি। সেই আলোচনার জন্য উনি এসেছিলেন। এতটুকুই হয়েছে।
তিনি বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপব্যবহার হচ্ছে। এটি বাতিলের দাবি উঠেছে এ বিষয়ে আনিসুল হক বলেন, ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধ করার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটা আইন। এ আইনকে কোনো মতেই বাতিল করা যায় না। এ আইনের তো অপব্যবহার হচ্ছে- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে আইনমন্ত্রী বলেন, সেটা তো আমরা দেখছিই। সূত্র: বিডি প্রতিদিন