a ২০২১-২২ বাজেটে যে সব পণ্যের দাম কমতে ও বাড়তে পারে
ঢাকা শুক্রবার, ২০ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ এপ্রিল, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

২০২১-২২ বাজেটে যে সব পণ্যের দাম কমতে ও বাড়তে পারে


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
বৃহস্পতিবার, ০৩ জুন, ২০২১, ১১:১৮
২০২১-২২ বাজেটে যে সব পণ্যের দাম কমতে ও বাড়তে পারে

সংগৃহীত ছবি

বৃহস্পতিবার (৩ জুন) জাতীয় সংসদে পেশ করা হবে ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট। বাজেটে নতুন করে কর আরোপ না করায় চাল, ডাল, চিনি, লবণ, দেশে উৎপাদিত পেস্ট,  ফলের জুস, পাউরুটি, সাবান, বোতলজাত পানি, মসলা ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যদ্রব্যের দাম বাড়বে না। কর অব্যাহতি-রেয়াতি সুবিধা এবং আমদানি করা সমজাতীয় পণ্যে শুল্ক আরোপ করায় বিদেশি খেলনার দাম বাড়লেও কমবে দেশি খেলনার দাম। আমদানি করা পূর্ণাঙ্গ মোটরসাইকেলের চেয়ে দেশে সংযোজিত মোটরসাইকেল কম দামে পাওয়া যাবে।

তবে করোনাভাইরাস মহামারির এই সংকটকালে সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দেওয়ার চেষ্টা থাকছে আগামী অর্থবছরের বাজেটে। দেশে উৎপাদিত এবং বেশি ব্যবহার হয় এমন বেশির ভাগ পণ্যের দাম নাগালে রাখতে দেশি শিল্পে ব্যাপক হারে রাজস্ব ছাড় দেওয়া হচ্ছে।

অপরদিকে দেশে কম্পিউটারসহ কিছু পণ্যের উৎপাদন উৎসাহিত করতে সেসব পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে বেশি হারে শুল্ক আরোপ করা হচ্ছে। তবে শুল্ক ছাড় পাচ্ছে কৃষিযন্ত্র, স্বাস্থ্য সুরক্ষা পণ্য। এতে ওই সব পণ্যের দাম কমতে পারে।

সিগারেট, বিড়িসহ তামাকজাতীয় পণ্যের ওপর বাড়তি কর আরোপের ঘোষণা অন্যান্য বছরের ন্যায় এবারও থাকছে।

জানা গেছে, প্রথমবারের মতো জিডিপির ৬ শতাংশের বেশি ঘাটতি ধরে চূড়ান্ত করা হয়েছে আগামী ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট। যার আকার হচ্ছে ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা। এটি মোট জিডিপির ১৭ দশমিক ৪৭ শতাংশ। আর চলতি সংশোধিত বাজেটের তুলনায় নতুন বাজেটের আকার বাড়ছে ৬৪ হাজার ৬৯৮ কোটি টাকা। যা বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

বাংলাদেশে ৯৮ শতাংশ রোগীই ডেলটায় আক্রান্ত: গবেষণা


স্বাস্থ্য ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ০৫ আগষ্ট, ২০২১, ০৩:৪৭
বাংলাদেশে ৯৮ শতাংশ রোগীই ডেলটায় আক্রান্ত: গবেষণা

সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশে বর্তমানে করোনায় সংক্রমিত রোগীদের মধ্যে ৯৮ শতাংশের শরীরে ডেলটা ধরন পাওয়া গেছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) এক গবেষণা প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিএসএমএমইউতে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য ও জিনোম সিকোয়েন্সিং রিসার্চ প্রজেক্টের সুপারভাইজার শারফুদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, দেশের ৮ বিভাগ থেকে করোনার ৩০০ নমুনা সংগ্রহ করে জিনোম সিকোয়েন্সিং করে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

উপাচার্য বলেন, ডেলটা অতি সংক্রামক ধরন। এ থেকে সুরক্ষা পেতে টিকা নিতে হবে। টিকার লাভ হলো, জটিলতা কম হয়। এতে মৃত্যুহার কমে যাবে। তবে সুরক্ষার জন্য মাস্ক পরতে হবে।

গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত করোনায় আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে ৫৩ শতাংশ পুরুষ। ৯ মাস বয়স থেকে ৯০ বছর বয়সী রোগী গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তবে ৩০ থেকে ৩৯ বছর বয়সী রোগীর সংখ্যা বেশি ছিল। গত ২৯ জুন থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত রোগীদের নমুনা সংগ্রহ করে এই গবেষণা করা হয়। এতে দেখা যায়, মোট সংক্রমণের প্রায় ৯৮ শতাংশ ডেলটা ভেরিয়েন্ট। আর ১ শতাংশ বিটা ভেরিয়েন্ট। 

গবেষণার প্রথম ১৫ দিনে এই বিটা ভেরিয়েন্ট ছিল ৩ শতাংশ। এ ছাড়া এক করোনা রোগী পাওয়া গেছে, যিনি মরিসাস ভেরিয়েন্ট অথবা নাইজেরিয়ার ভেরিয়েন্টে আক্রান্ত। তবে বিষয়টি নিয়ে এখনো তদন্ত চলছে।

ভারতে শনাক্ত ভেরিয়েন্টটি ডেলটা ভেরিয়েন্ট এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় শনাক্ত ভেরিয়েন্টটি বিটা ভেরিয়েন্ট হিসেবে পরিচিত।

গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে দেশে যুক্তরাজ্যে শনাক্ত আলফা ভেরিয়েন্টে সংক্রমণের হার বেশি ছিল। মার্চ মাসের প্রতিবেদন অনুসারে, ওই সময় বিটা ভেরিয়েন্টের সংক্রমণের হার বেশি ছিল।

করোনার এই জিনোম সিকোয়েন্সিং গবেষণার প্রধান গবেষক বিশ্ববিদ্যালয়টির অ্যানাটমি বিভাগের চেয়ারম্যান ও জেনেটিকস অ্যান্ড মলিকিউলার বায়োলজির অধ্যাপক লায়লা আনজুমান বানু। সহযোগী গবেষক ফার্মাকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান ও সহ–উপাচার্য (শিক্ষা) এ কে এম মোসারফ হোসেন। এ ছাড়া ১৪ জন গবেষক এই গবেষণায় অংশ নিয়েছেন। সূত্রঃ প্রথম আলো

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

সময়ের সাতকাহন- জেবুন নাহার


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
মঙ্গলবার, ০২ মার্চ, ২০২১, ১২:২৮
সময়ের সাতকাহন- জেবুন নাহার

ফাইল ফটো: জেবুন নাহার

সময় যত গড়িয়ে যাচ্ছে
ততবেশি নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখছো,
তোমার কাছে একটু সময় চেয়ে
যে মানুষটা বসে থাকে,
তাকে কেন তোমার ব্যস্ততা দেখিয়ে যাচ্ছ?
যার সাথে নানা কথার অজুহাতে 
কারনে অকারনে ফোনটা ওপাশ থেকে রেখে দাও,
কথা না বলে চুপ করে থাকো,
সে যে তোমাকে কতটা ভালোবাসে
তা কি কখনও বুঝতে পারো?
অবুঝ মন যখন অবুঝ আচরণে 
অবুঝ কোন সিদ্ধান্ত নেয়, 
তখন চারিদিকে শুধু হা-হা কার
ধ্বনি প্রকম্পিত হতে থাকে!
অভিমান করে ভুলে থাকার যে
অলিক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছ,
তা আমাকে যত না বেশী দূরে রাখছে,
তার চেয়ে কাছে টানার আকর্ষণ আরো বাড়িয়ে দিচ্ছে ঢের বেশী।
পলাশ, শিমুলের মোহনীয়তায় এবারের ফাগুনে বসন্তের আগমনী বার্তা পেয়েছে তার ভিন্ন রূপ। 
বসন্তের রঙিন আলোয় উর্বশী আমি, 
তুমি আলতো করে ছুঁয়ে দিয়েছ বলে।
তোমার মায়াবী চোখের মায়াজালে আমার আঁখিপল্লব হারিয়ে ফেলে তার চোখের ভাষা, 
উর্বশী আমি মেতে উঠি উন্মত্ত ভালবাসায়।
কথা ছিল আজ সকালে একসাথে সূর্যোদয় দেখব।
তুমি বলেছিলে গাছের আড়ালে সূর্যকে যত সুন্দর দেখায় ততো সৌন্দর্য যেন আর কিছুতে নেই,
রাতভর জেগে থেকে তোমার লোমশ বুকে মাথা রেখে কখন যেন ঘুমিয়ে পড়েছিলাম, 
তুমি ডেকেছিলে মাঝে কিন্তু পরে আর কোন শব্দ করো নি।
সূর্য দেখব বলে ঘুম ভেঙে চোখ খুলে দেখি - আমার কোলে তোমার মাথা, তুমি গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। 
তোমাকে আর জাগালাম না।
সূর্যোদয় আজ আর দেখা হল না, 
হয়ত কাল বা অন্য আর একদিন বেরিয়ে পড়বো সূর্যকে দেখার জন্য ।
সূর্যের মডেলিং এ অভিভূত হয়ে নিশ্চয়ই তুমি ব্যস্ত হয়ে পড়বে সূর্যকে নিয়ে,
তুমি কি তাহলে আমাকে আর ভালবাসবে না? 
এক হৃদয় ভালবাসা নিয়ে কাছে আসবে না?
স্মৃতির পাতায় হারিয়ে যাই আমি,
হাজারো স্মৃতির ভীড়ে খুঁজে পাওয়া হীরক খন্ডগুলো ।
হ্যাঁ হীরক খন্ডগুলোর কথাই বলছি;
তোমার সাথে কাটানো প্রতিটি মুহূর্তই আমার কাছে এক একটি হীরকখচিত পান্ডুলিপি।
সেখানে ছিল রাতজাগা ভোর,
মায়াবী পাখির মিষ্টি ডাকাডাকি,
রয়েছে সেখানে লাজুক সূর্যের ঝিলিক দিয়ে উঁকি দেওয়া,
আরও রয়েছে হাতে হাত রেখে পাশাপাশি হাঁটা,
সেখানে রয়েছে তপ্ত রোদে ক্লান্ত দুজনের গাছের ছায়াতলে বিশ্রাম নেয়া, 
আরও কতকিছু।
আমার স্মৃতিতে কড়া নাড়ে জ্যোস্না বিলাসীর মহিমান্বিত ফল্গুধারা,
জ্যোস্নার মধুর আবেগ, 
এ এক নেশা জাগানো ভালোবাসা।
হৃদয়কে কামনাতুর করার যে প্রলোভন 
তা লক্ষ কাজের দামামায় তোমার কথাই মনে করিয়ে দেয় বারবার।

 

.......ফেসবুক হতে সংগৃহীত

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / এম কে আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

সর্বশেষ - জাতীয়