a তুলসী গ্যাবার্ডের বক্তব্য আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ: অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী
ঢাকা শুক্রবার, ২০ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ এপ্রিল, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

তুলসী গ্যাবার্ডের বক্তব্য আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ: অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী


সাইফুল আলম, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ২৬ মার্চ, ২০২৫, ০৯:৩২
তুলসী গ্যাবার্ডের বক্তব্য আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ: অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

সাইফুল আলম, ঢাকা:  তুলসী গ্যাবার্ডের বক্তব্য আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ। তুলসী গ্যাবার্ড বলেছে, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতিত হচ্ছে। কিন্তু কোথায় নির্যাতিত হচ্ছে, কে নির্যাতিত হচ্ছে তিনি তা বলেননি। তাকে সেটি স্পষ্ট করতে হবে। গণশক্তি সভা কর্তৃক আয়োজিত ষড়যন্ত্র তত্ত্ব ও তুলসি গ্যাবার্ড  শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী  অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ও দেশীয় ষড়যন্ত্রের শিকার। বাংলাদেশের পিঠ এখন দেওয়ালে ঠেকে গেছে। এজন্য বাংলাদেশকে বিচক্ষণতার পরিচয় দিতে হবে।

অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী বলেন, ভারত মনে করে চীনকে কব্জা করতে হলে আগে বাংলাদেশকে কব্জা করতে হবে। কারণ বাংলাদেশকে কব্জা করতে না পারলে ভারত কখনো চীনকে কব্জা করতে পারবে না।

অপরদিকে ভারতের যেই বৃহৎ উদ্দেশ্য ইন্ডিয়ান ওশান নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে না। সেজন্য ভারত এদেশে এমন একটা সরকার প্রতিষ্ঠা করতে চায়, যেই সরকার ভারতের এজেন্ডা বাস্তবায়নে সহায়ক সরকার হবে, আর ইতিপূর্বে তাদের ইচ্ছানুযায়ী সবচেয়ে বেশি ভারতের স্বার্থে কাজ করছে আওয়ামী সরকার।

পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনা, এদেশের উপর দিয়ে ভারতকে করিডোর দিয়েছে। এই করিডোর ভারতের আগারতলা থেকে আমাদের চট্রগ্রাম পর্যন্ত রেল সংযোগ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে আগারতলা থেকে আখাউড়া পর্যন্ত কাজ শেষও হয়ে গেছে। হাসিনা পালিয়ে না গেলে এতোদিনে চট্রগ্রাম পর্যন্ত রেল সংযোগের কাজ শেষ হতো এবং ভারত নিজেদের ভূখন্ডের মতো করে আমাদের ভূমি ব্যবহার করতো। এটি মূলত ভারতের সেভেন সিস্টার্স রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করবে। আমাদের গামের্ন্টস ও অন্যান্য ইন্ডাস্ট্রির উপর ভারতের নজর রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই সেক্টর ভারত দখল করে নিতে চায়। আগামীতে ভারতের সহায়ক সরকার যাতে এদেশে প্রতিষ্ঠা না হয় সেদিকে সকল রাজনৈতিক দল ও দেশের সচেতন নাগরিকদের সজাগ থাকতে তিনি আহ্বান জানান।

জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন গণশক্তি সভার সভাপতি সাংবাদিক সাদেক রহমান। প্রফেসর ডক্টর দেওয়ান সাজ্জাদের সঞ্চালনায় সেমিনারে প্রবন্ধ পাঠ করেন সাংবাদিক, কলামিস্ট  হাবিবুর রহমান পলাশ। হাবিবুর রহমান পলাশ তার প্রবন্ধে বলেন তুলসী গ্যাবার্ড এর এই বক্তব্য অনেকটা প্রিয়া সাহার কথার পুনরাবৃত্তি। যিনি যুক্তরাষ্ট্র সফরে ২০১৯ সালে ট্রাম্পের হাত ধরে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন হচ্ছে বলে অপপ্রচার করেন। এবং ট্রাম্পকে সহায়তা করার অনুরোধ জানান।

প্রিয়া সাহা আর তুলসী গ্যাবার্ড এর বক্তব্যে যে যুগসূত্র আছে তা বলা বাহুল্য। তুলসী গ্যাবার্ডের মন্তব্য নির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ বা অভিযোগের ভিত্তিতে করা হয়নি। এটি একটি গোটা দেশকে অন্যায়ভাবে, ভুলভাবে উপস্থাপন করে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর বিশিষ্ট আইনজীবী ড. হেলাল উদ্দিন বলেন, ৫ আগস্ট আমাদের দ্বিতীয় স্বাধীনতা অর্জন হয়েছে বলা হয়। এই স্বাধীনতা মূলত আওয়ামী লীগের হাত থেকে নয় ভারতের হাত থেকে অর্জিত হয়েছে। ভারত তাদের সহায়ক সরকার হিসেবে আওয়ামী লীগকে চিরস্থায়ী সরকার করার ষড়যন্ত্র করেছে এবং সেই ষড়যন্ত্রে এখনো লিপ্ত রয়েছে। তারা এদেশে আওয়ামী লীগের পুনবার্সনে নানামূখী চক্রান্তের সাথে জড়িত।

বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের হাত থেকে ভূখন্ডের স্বাধীনতা লাভ করে আর ২০২৪ সালে ভারতের হাত থেকে আধিপাত্যবাদ মুক্তের স্বাধীনতা লাভ করেছে। তবে পাকিস্তান পরাজিত হয়ে সরে গেলেও ভারত পরাজিত হয়ে সরে না গিয়ে বাংলাদেশ নিয়ে আন্তর্জাতিক এবং বাংলাদেশে ভারতীয় দোসরদের মাধ্যমে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। তারা যে কোন মূল্যে এদেশে ভারতে সহায়ক সরকার প্রতিষ্ঠা করতে চায়। সেজন্য তিনি রাজনৈতিক দলগুলোকে জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট আইনজীবী এডভোকেট শাহ মোহাম্মদ মাহফুজুল হক, ড. মোঃ হুমায়ুন কবির, বিশিষ্ট কলামিস্ট ক্যাপ্টেন অব. জাহাঙ্গীর আলম জাতীয় নাগরিক পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল আহাদ নূর, গণ মুক্তিযোটের কো চেয়ারম্যান আক্তার হোসেন, অধ্যাপক মেহেদী হাসান, বিশিষ্ট গবেষক আলাউদ্দিন কামরুল,বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী রুহুল আমিন  প্রমূখ।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আগষ্ট অভ্যুত্থানে ভারতের আসল চেহারা বেরিয়ে এলো: কর্নেল (অব.) আকরাম


কর্নেল আকরাম, কলাম লেখক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৪, ০৪:৪০
আগষ্ট অভ্যুত্থানে ভারতের আসল চেহারা বেরিয়ে এলো: কর্নেল (অব.) আকরাম

ছবি সংগৃহীত

 

ভারত আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং তাদের উপেক্ষা করা সম্ভব নয়। আমরা সবাই জানি, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ভারত আমাদের সর্বাত্মক সহায়তা দিয়েছিল। এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য যে, তাদের প্রত্যক্ষ সমর্থনের কারণে মাত্র নয় মাসের মধ্যেই আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। অনেকেই মনে করেন, ভারত আমাদের পাশে না থাকলে বাংলাদেশ কখনোই সৃষ্টি হতো না।  

তবে আমরা কি কখনো ভেবেছি, ভারত কেন আমাদের সাহায্য করেছিল? অনেকেই বলবেন, ভারত একটি দুর্বল পাকিস্তান দেখতে চেয়েছিল। যখন সুযোগ তাদের হাতে আসে, তখন তারা তা লুফে নিতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করেনি। এটি ভারতীয় স্বার্থের একটি সাধারণ উপলব্ধি। যখন মুক্তিযোদ্ধারা ভালো অবস্থানে ছিল, তখন ভারত পাকিস্তানের সাথে সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে এবং কয়েক দিনের মধ্যে বিজয় অর্জন করে। বলা হয়ে থাকে, ভারত আমাদের বিজয় ছিনিয়ে নিয়ে সেটিকে তাদের বিজয় হিসেবে ঘোষণা করেছিল। এটি আমাদের ভাগ্যের নির্মম পরিহাস।  

১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর লে. জেনারেল নিয়াজি ভারতীয় সেনাবাহিনীর লে. জেনারেল অরোরার কাছে আত্মসমর্পণের চুক্তিতে সই করেন এবং আনুষ্ঠানিকভাবে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ভারতীয় সেনাবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের জন্ম হয়। কিন্তু বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর প্রধান জেনারেল ওসমানীকে আত্মসমর্পণের অনুষ্ঠানে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। বলা হয়ে থাকে, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে ভারতীয় বিজয় দেখানোর জন্য বাংলাদেশকে ইচ্ছাকৃতভাবে বাদ দেওয়া হয়েছিল।  

গত ৫৩ বছর ধরে ভারতীয় মিডিয়া, বুদ্ধিজীবী এবং ভারত সরকার এই ঘটনাকে তাদের ইতিহাসের এক মহান বিজয় হিসেবে তুলে ধরেছে। কিন্তু আমরা একটি স্বাধীন-সার্বভৌম দেশ হিসেবে কখনোই এই দাবির বিরোধিতা করতে পারিনি। বরং, আমরা তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতাবোধ করে নিজেদের জাতীয় স্বার্থ বিসর্জন দিয়েও তাদের সন্তুষ্ট রাখার চেষ্টা করেছি।  

শুধুমাত্র জিয়াউর রহমানের সময়েই বাংলাদেশ সফলভাবে ভারতীয় আধিপত্যবাদী রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছিল। তবে এজন্য তাকে নিজের জীবন দিতে হয়েছিল। পূর্ব পাকিস্তানের মুসলিম লীগ, জামায়াতে ইসলামী এবং চীনপন্থী কিছু রাজনৈতিক দল, যেমন ভাসানীর ন্যাপ, ভারতীয় সমর্থনের আসল উদ্দেশ্য সম্পর্কে সচেতন ছিল।  

ভারত ১৯৪৭ সালের বিভাজন মেনে নিতে পারেনি এবং পাকিস্তানের জন্মের প্রথম দিন থেকেই তারা এর বিরুদ্ধে কাজ করে এসেছে। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, যার সত্যতা শেখ মুজিব স্বাধীনতার পরে স্বীকার করেছিলেন, এর একটি স্পষ্ট প্রমাণ।  

ভারত পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের ভালো বন্ধু হিসেবে ভান করেছিল শুধুমাত্র পাকিস্তানকে ভেঙে ফেলার এবং একটি উপনিবেশ রাষ্ট্র সৃষ্টি করার জন্য। তাদের উদ্দেশ্য ছিল এক সময়ে এটি ভারতীয় ইউনিয়নের সাথে একীভূত করা।  

আজ এটি আরও স্পষ্ট হয়ে গেছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বক্তব্য থেকে। তিনি প্রকাশ্যে বলেছেন, ১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারত এক ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করেছিল। মোদি আরও বলেন, এটি ছিল ভারতের যুদ্ধ, যেখানে ভারতীয় সেনারা সাহসিকতা এবং বীরত্ব প্রদর্শন করেছিল এবং ভারতের জন্য এক গৌরবময় বিজয় এনেছিল। এটি বাংলাদেশের প্রতি ভারতের প্রকৃত অবস্থান প্রকাশ করে।  

সম্প্রতি জুলাই-আগস্ট বিপ্লব ২০২৪-এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ভারতীয় আধিপত্য থেকে বেরিয়ে এসেছে। কিন্তু ভারত এই পরিবর্তন মেনে নিতে পারেনি এবং বাংলাদেশকে পুনরায় তাদের নিয়ন্ত্রণে আনতে মরিয়া। ভবিষ্যতে তারা বিভিন্ন কার্ড দেখাতে পারে, বিশেষত সংখ্যালঘু কার্ড, খেলার চেষ্টা করবে। এমনো হতে পারে যে কোন একটি ইস্যু ধরে বাংলাদেশের একটি অংশ দাবি করে আক্রমণ করতে পারে।  

যদি বাংলাদেশের জনগণ ভারতের স্বার্থের এই সরল সমীকরণটি বুঝতে ব্যর্থ হয়, তবে তা হবে আমাদের জন্য দুর্ভাগ্য। দেশের রাজনৈতিক দলগুলোকে জাতীয়তাবাদী শক্তির পতাকার নিচে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমাদের অবশ্যই ড. ইউনুস সরকারকে সফলতার সাথে কাজ করার জন্য সহযোগিতা করে যেতে হবে। বর্তমানের অর্ন্তবর্তী সরকারকেও সব দল ও মতকে বিবেচনা রেখে সবাইকে একসাথে ঐক্যমতের ভিত্তিতে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। নির্বাচনের পরও রাজনৈতিক সরকারগুলোকেও ঐক্যমতের ভিত্তিতে দেশ পরিচালনা করলে কোন বহি:শত্রু এদেশে হুমকি হিসেবে দাঁড়াতে পারবেনা।

আমাদের সামনে যে সুযোগ এসেছে, এটি কাজে লাগাতে হবে। আর আমরা যদি এসব সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হই, তাহলে সামনের দিনগুলোতে বাংলাদেশের আকাশে কালো মেঘ ঘনিয়ে আসার সম্ভাবনা অনেক বেশি।


লেখক: সম্পাদক, মিলিটারি হিস্ট্রি জার্নাল এবং আইন ও ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

চার শুন্য আসনে উপনির্বাচন জুলাইয়ে


এম.এস প্রতিদিন ডেস্ক:
বুধবার, ১৯ মে, ২০২১, ০৭:১৩
চার শুন্য আসনে উপনির্বাচন জুলাইয়ে

ফাইল ছবি

লক্ষ্মীপুর-২, সিলেট-৩, ঢাকা-১৪ এবং কুমিল্লা-৫ আসনের উপ-নির্বাচনের তফসিল আগামী ২৪ মে ঘোষণা করা হবে। আর ভোটের তারিখ  জুলাই মাসে নির্ধারন করা হয়েছে। আজ বুধবার (১৯ মে) নির্বাচন কমিশন ভবনে এক সভা শেষে ইসি সচিব হুমায়ুন কবীর খন্দকার সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

করোনা পরিস্থিতি যেমনই হোক এর মধ্যেই নির্বাচন আয়োজন করার পক্ষে আছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। করোনা পরিস্থিতি যেননই হউক না কেন আইন অনুযায়ী কমিশনকে নির্বাচন করতেই হবে। 

গত ১১ মে কমিশনের অনানুষ্ঠানিক এক বৈঠকে এ সভা আহ্বান করা হয়েছিল। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিতব্য সভায় চার নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।

লক্ষ্মীপুর-২ ও সিলেট-৩ আসনে ৯০ দিনের মধ্যে  নির্বাচন হওয়ার থাকলেও ইতোমধ্যে ৯০ দিনও পার হয়ে গেছে। করোনা সংক্রমণ বাড়ার কারণে ১ মার্চ সব ধরণের নির্বাচন স্থগিত করেছিল কমিশন। বিভিন্ন আসনের  নির্বাচনের মেয়াদ শেষ হলেও সিইসির বিশেষ ক্ষমতাবলে এসব নির্বাচন মেয়াদ ৯০ দিন বৃদ্ধি করা হয়। এই ৯০ দিনও অতিক্রম হয়ে যাচ্ছে। তাই এখন এসব নির্বাচন আয়োজন করার কথা ভাবছে দেশের সাংবিধানিক এই প্রতিষ্ঠানটি।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

সর্বশেষ - মতামত