a
ফাইল ছবি
আটক প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক শামসুজ্জামান শামসের বাসায় গিয়ে তার পরিবারকে সহমর্মিতা জানিয়েছেন পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা।
শুক্রবার বিকালে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের আহ্বায়ক প্রফেসর ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন ও সদস্য সচিব সাংবাদিক কাদের গনি চৌধুরীর নেতৃত্বে পেশাজীবীদের একটি প্রতিনিধি দল শামসুজ্জামানের বাসায় যান।
তারা শামসুজ্জামানের মা করিমন নেসার সঙ্গে দেখা করে পরিবারের সদস্যদের সার্বিক খোঁজখবর নেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- পেশাজীবী নেতা প্রফেসর ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, অধ্যাপক ড. শামসুল আলম সেলিম, অধ্যাপক ড. কামরুল আহসান, অধ্যাপক ড. নুরুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রফিকুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার ফখরুল আলম, ইঞ্জিনিয়ার রুহুল আলম আকন্দ, ইঞ্জিনিয়ার সাখাওয়াত হোসেন, বিপ্লবউজ্জামান বিপ্লব। উপস্থিত পেশাজীবী নেতাদের পেয়ে শামসুজ্জামানের মা কান্নায় ভেঙে পড়েন।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, আমার ছেলের কী অপরাধ? তাকে কেন এভাবে ধরে নিয়ে গেল? শামসকে বললে সে নিজেই থানায় চলে যেত। ৩৫ ঘণ্টা তো আমরা তার খোঁজই পাইনি! তাহলে কি সত্য লেখা যাবে না? ছেলেকে অনেকবার বলেছি, বাবা লেখালেখি ছেড়ে দাও। আমার শামস বলতো, মা আমি তো অসত্য লেখি না। সত্য লিখার জন্য যদি আঘাত আসে আসুক, তারপরও লিখে যাব।
বুক চাপড়াতে চাপড়াতে করিমন নেসা বলেন, আমি আমার এক সন্তানকে হারিয়েছি। আরেক সন্তানকে হারাতে চাই না। আপনারা আমার সন্তানকে এনে দিন।
শামসের মুক্তির জন্য দেশের বিভিন্ন সংগঠন ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বিবৃতি দেওয়ায় তিনি কৃতজ্ঞতা জানান।
এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে গণমাধ্যম কর্মীদের শঙ্কা ও ভয়ের মধ্যে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। তাই তারা এখন সত্য তুলে ধরতে পারছেন না। তাদের এখন সেলফসেন্সরশিপ করতে হচ্ছে। পাশাপাশি সরকারের সমালোচনা করলে রোষানলের শিকার হয়ে বন্ধ করা হচ্ছে বিভিন্ন পত্রিকা ও অনলাইন। সাংবাদিকরা খুন হচ্ছেন, বিচার পান না।
তিনি বলেন, বর্তমান ফ্যাসিস্ট সরকারের অধীনে গণমাধ্যমের যে স্বাধীনতা নেই শামসের গ্রেফতার এবং দৈনিক দিনকাল বন্ধের মাধ্যমে তা আবারো প্রমাণিত হলো। সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ছবি । মমতা
উন্নয়ন একটি বহুমাত্রিক গতিশীলময় ইতিবাচক পরিবর্তন, পরিমার্জন, পরিবর্ধন বিষয়ক ভাবনা ও চিন্তাধারা। তথাকথিত, গতানুগতিক চিন্তাধারা থেকে আরো বেশি উদ্যোগী হওয়া, উন্নত পরিকল্পনা, কাজে উদ্যোমতা বাড়ানো, সঠিক সময় নির্ধারণ।
সঠিক শ্রম, দক্ষ জনশক্তি নিয়োগ, যাচাইকৃত কাচামাল, সুদক্ষ ব্যবস্থাপনা, স্বচ্ছতা জবাবদিহিতামুলক ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন জনবলের সমষ্ঠিগত ভাবনার বহিঃপ্রকাশ হল উন্নয়নের মুল ধারা। তবে ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান বিশেষে উন্নয়ন ভাবনা কিছুটা ভিন্ন ভিন্নরূপে প্রকাশ পেতে পারে। যেমন- সামাজিক উন্নয়ন, রাজনৈতিক উন্নয়ন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, স্বাংস্কৃতিক উন্নয়ন, ভৌগলিক উন্নয়ন, যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রভৃতি।
আমার বিষয় হচ্ছে ক্ষুদ্র শিল্প/ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা বিষয়ক উন্নয়ন ভাবনা। তবে কাঙ্খিত উন্নয়নের ক্ষেত্রে রয়েছে কিছু বাধা বা প্রতিবন্ধকতা। যেমন উপযুক্ত খাত নির্বাচন না করা, সুবিধাজনক স্হান না পাওয়া, অদক্ষ ব্যবস্থাপনা, বাজার তৈরী করতে না পারা,পরশ্রী/ পরপুরুষ কাতরতা, ব্যাংক ঋণের জটিলতা প্রভৃতি।
তবে একথা সত্য যে যদি আপনার সাহসিকতা, উদ্যোমতা ও উদ্যোগ নেয়ার ক্ষেত্রে আপনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ সঠিক থাকে, তবে আপনি নিজেই স্বস্হান থেকে স্হানীয় বাজারভিত্তিক স্বল্প মুলধনে একজন ছোটখাট উদ্যোক্তা হতেই পারেন।
বেকারত্ব দূর করতে পারেন সমাজের কিছু মানুষের, হাসি ফোটাতে পারেন কিছু পারিবারের, অংশীদার হতে পারেন দেশ বিনির্মাণে। কেননা শুণ্য থেকেই পুন্য সংখ্যার সৃষ্টি হয়। আমি শুরু করেছি ব্লক,বাটিক, নকশী-কাথা, পাথর পুঁতি ও পাট দিয়ে- আপনিও এগিয়ে আসুন আপনার সামাজিক দায়বদ্ধতা ও দেশপ্রেমের টানে।
পরিকল্পিত সঠিক শ্রম সততা সাহসিকতার এ উদ্যোগ ইনশাআল্লাহ আপনার আমার আমাদের সফলতা এনে দেবেই। বাবুই পাখির কথা ভাবুন কিভাবে বুদ্ধি আর শ্রম দিয়ে অন্যের গাছের পাতা দিয়ে সুদক্ষ কারিগরি জ্ঞানের সহায়তায় নিজের শিল্প কর্মের পরিচয় দিয়েছেন। তবে আমি আপনি তো মানুষ, পাখি পারলে আমরা কেন পারবোনা? এই আত্মবিশ্বাসে অগ্রসর করুন নিজেকে, নতুনভাবে তুলে ধরতে কথা দিলাম আপনিও হবেন একজন সফল উদ্যোক্তা। লোভ, আত্ন-অহমিকা, অতীত ইতিহাস, সফলতার মুল প্রতিবন্ধকতা এগুলো বর্জন করে চলুন এগিয়ে যাই কর্মক্ষেত্রে নতুন ধ্যাণ-ধারণায়। তবেই হতে পারি আপনি, আমি, আমরা সফল একজন সেলেব্রেটি।
লেখক: মমতা- মানবাধিকার কর্মী ও নারী উদ্যোক্তা
ফাইল ছবি
আজ ওল্ড ট্রাফোর্ডের দিকে তাকিয়ে ছিলো বিশ্বের কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমী। কারণ ছিল একটাই ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে আজ ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে পুনরভিষেক হয়েছে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর। ঘরের ছেলে ১২ বছর পর ফিরেছে ঘরে। সমর্থকদের উল্লাস সীমা ছাড়িয়ে গেছে। তাদের আনন্দ বাড়িয়ে নিউক্যাসেলের বিপক্ষে ম্যাচটিতে মাঠে নেমেই গোল করে দলকে এগিয়ে দিয়েছেন সিআর সেভেন। দল পেয়েছে বড় ব্যবধানে জয়।
প্রথমার্ধের মূল সময় শেষ হয় গোলশূন্যভাবে। যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে ম্যান ইউকে এগিয়ে দেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ১২ বছর পর পুনরভিষেকে এটা তার প্রথম গোল। দ্বিতীয়ার্ধের ৫৬তম মিনিটে গোলটি পরিশোধ করে ফেলে নিউক্যাসেল। ম্যাচে চলে আসে উত্তেজনা। ৬২ তম মিনিটে রোনালদো নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে ম্যন ইউকে আবারও এগিয়ে দেন। এরপরেই ম্যাচ চলে আসে ম্যান ইউয়ের নিয়ন্ত্রণে।
এই বিশেষ দিনের বিশেষ ম্যাচটিতে তাকে প্রথম একাদশে রাখা হয়েছিল। মাঠভর্তি দর্শকের সামনে শুরু থেকেই সেই চিরচেনা রূপে ধরা দেন সিআর সেভেন। আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে ম্যাচ। ৮০তম মিনিটে তৃতীয় গোলটি করেন আরেক পর্তুগীজ ব্রুনো ফার্নান্দেজ। স্কোরলাইন হয়ে যায় ৩-১। ম্যাচ শেষ হওয়ার আগ মুহূর্তে যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে আবারও গোল। নিউক্যাসেলের জালে এবার বল জড়ান জেসি লিংগার্ড। ৪-১ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে সোলসারের শিষ্যরা।