a
ফাইল ফটো: মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস
দেশে আবারো করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় রাত আটটার মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) আওতাধীন সকল ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও দোকানপাট বন্ধের আহবান জানিয়েছেন ডিএসসিসি মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।
আজ বুধবার ( ২৪ মার্চ) দুপুরে নগরীর গোপীবাগস্থ বাংলাদেশ বয়েজ ক্লাব মাঠ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলোচনাকালে মেয়র তাপস এ আহ্বান জানান।
ডিএসসিসি মেয়র বলেন, ‘যেহেতু করোনা মহামারিতে আবার সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে তাই রাত আটটার মধ্যে অবশ্যই সকল দোকানপাট ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেবেন। আমরা চাই, আটটার মধ্যে সব বন্ধ হলে সংক্রমণও কমে আসবে এবং আমরা ঢাকা শহরকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নসহ স্বাস্থ্যবিধি পরিপালনপূর্বক শহর হিসেবে গড়ে তুলতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারব।’
ফাইল ছবি
বাংলাদেশে বিভিন্ন সময় গুমের শিকার হওয়া ৭৬ জন মানুষের যে তালিকা সরকারকে দিয়েছিল জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদ, সেই তালিকার ৩৫ জনকে সরকার এমনিতেই বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে খুঁজছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
শনিবার জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে এক সেমিনারে মন্ত্রী একথা জানান।
বাংলাদেশ মহিলা ঐক্য পরিষদ আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় ধর্মীয় সংখ্যালঘু নারীদের আর্থসামাজিক অবস্থান ও নিরাপত্তা: ভিশন ২০৪১’ শীর্ষক সেমিনারে একটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। তাতে মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) সূত্র দিয়ে বলা হয়, গত ৫ বছরে দেশে ২ হাজার ৮০৩টি হিন্দু বাড়িঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও মন্দিরে হামলার ঘটনা ঘটেছে।
এ সময় আয়োজকদের উদ্দেশ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যারা সম্পত্তি বিনষ্ট করেছে বিস্তারিত তালিকা দেবেন।
হিন্দু বাড়িঘর ও সম্পত্তিতে হামলার সংখ্যা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মন্ত্রী গুমের প্রসঙ্গ টানেন। বলেন, গুমের কথা বলে যে, হাজার হাজার গুম হয়ে গেছে। তালিকা চাইলাম, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ৭৬ জনের তালিকা দিল। এর মধ্যে ১০ জন বিএনপির কর্মী। তারা বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করছেন। আর ৩৫ জনকে আমরা নিজেরাই খুঁজছি। বিভিন্ন ধ্বংসাত্মক কাজ, মানুষ হত্যা, সম্পদ পুড়িয়ে দেওয়াসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে তাদের খুঁজছি। একজন আবার জেলে অবস্থান করছে।
গত বছর জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের গুমবিষয়ক ওয়ার্কিং গ্রুপ বিভিন্ন সময় গুমের শিকার হওয়া ৭৬ জনের একটি তালিকা বাংলাদেশ সরকারকে দেয়। এ বিষয়ে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় মানবাধিকার পরিষদের গুমবিষয়ক ওয়ার্কিং গ্রুপে আলোচনা হয়। গত ১৪ আগস্ট জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচেলেট ঢাকা সফরে এসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এই তালিকা নিয়ে কথা বলেন। সূত্র: যুগান্তর
সংগৃহীত ছবি
শিয়া সম্প্রদায়ের লোকেরা সকাল থেকে পুরান ঢাকার ইমামবাড়া হোসেনি দালানে ভীড় করতে থাকেন। বিগত বছরের মতো এবারও তাজিয়া মিছিল না করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। গত বছর হোসেনি দালানের ভেতরেই মিছিল করেন শিয়া সম্প্রদায়। তবে এবার নিষেধাজ্ঞা ভেঙে সড়কে তাজিয়া মিছিল করেছে।
শুক্রবার (২০ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে শত শত মানুষ হোসেনি দালানের ভেতরেই মিছিল করেন। সেই মিছিল থেকে অনেকেই বের হয়ে সড়কেও মিছিল করেছেন। কোনও কোনও জায়গায় পুলিশ বাধা দিলেও তাদের উপেক্ষা করে মিছিল বের হয়। বিক্ষিপ্তভাবে চকবাজার, লালবাগ, আজিমপুর এলাকায় মিছিল হয়েছে।
ইসলামি ইতিহাসে হিজরি বর্ষের প্রথম মাস মুহররমের দশ তারিখকে আশুরার দিন বলা হয়। ৬১ হিজরি সালের এ দিনে মহানবী (সা.)-এর প্রিয় দৌহিত্র ইমাম হুসাইন (রা.) কারবালার ময়দানে নির্মমভাবে শাহাদাতবরণ করেন। এই শোক ও স্মৃতিকে স্মরণ করে বিশ্বে শিয়া সম্প্রদায়ের লোকেরা তাজিয়া মিছিল করে থাকেন।
স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব অনুসরণের নির্দেশনা থাকলেও তা উপেক্ষিত ছিল। হোসাইনি দালানে অনেকে ছিলেন মাস্ক ছাড়া। আর মানুষের ভিড় ছিল অনিয়ন্ত্রিত। শোকের স্মৃতি নিয়ে হোসাইনি দালানের সীমানার ভেতরেই হয় তাজিয়া মিছিল। বুক চাপড়ে মাতম করছেন তারা। বেশির ভাগ মানুষ কালো পোষাকে এসেছেন শোকের বহিঃপ্রকাশে।