a
ফাইল ছবি: ওবায়দুল কাদের
কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের দাসত্ব আওয়ামী লীগ করে না উল্লেখ করে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আমাদের হৃদয়ে বাংলাদেশ। আমাদের চেতনায় বাংলাদেশ। সেটাই আমরা মনে প্রাণে ধারণ করি।
বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, আজকে বিএনপির চারদিকে অন্ধকার। শেখ হাসিনার উন্নয়ন, মানবতা, অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতি বিএনপির রাজনীতিকে অন্ধ করে রেখে দিয়েছে। এখান থেকে বের হতে পারছে না। আজকে তারা দিনের আলোতে রাতের অন্ধকার দেখে।
রাজধানীর ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে শুক্রবার দলের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপ-কমিটি আয়োজিত ঈদ উপহার ও ইফতার সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন কাদের।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ যে একটা স্বাধীন দেশ সে কথাও তারা ভুলে গেছে। নির্বাচনের আগে কীভাবে বিদেশি শক্তির তাবেদারি করেছে। নির্বাচন বানচালের চক্রান্ত করেছিল। নির্বাচন যখন হয়ে গেছে, সরকার ক্ষমতা দখল করেছে, শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্ব দেশ সংকট উত্তরণ করে ভালোর দিকে যাচ্ছে, সুসময় আসতে সময় লাগে।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, সারা বিশ্বে সংকট তার প্রতিক্রিয়া আমাদের দেশেও আছে। তারপরও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচক্ষণ নেতৃত্ব আছে বলেই বাংলাদেশের মানুষ ভালো আছে। তুলনামূলক অনেক দেশের মানুষের যে কষ্ট সে তুলনায় শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অনেক ভালো আমরা আছি। সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ছবি
নয়াপল্টনে বিএনপির মহাসমাবেশ শুরু হবে দুপুর ২টায়। সরকারের পদত্যাগ, সংসদ বিলুপ্ত ও নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের ‘একদফা’ দাবিতে বিএনপির এই সমাবেশ শুরু হয়েছে।
ইতিমধ্যে পল্টন এলাকা লোকে লোকারণ্য। কোথায়ও তিল ধারণের ঠাঁই নেই। আশপাশের এলাকাগুলোতেও নেতাকর্মীদের ঢল নেমেছে। নয়াপল্টনের সমাবেশস্থলে উপস্থিত হয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
এদিকে ৯টি বড় ট্রাকের দুইপাশের ঢাকনা খুলে একটির সঙ্গে আরেকটি একত্রিত করে তৈরি করা হয়েছে মহাসমাবেশের অস্থায়ী মঞ্চ। বিছান হয়েছে লাল কার্পেট। উত্তরমুখী এই মঞ্চে নেতাদের রয়েছে শতাধিক চেয়ার। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জন্য রাখা হয়েছে দুইটি আলাদা চেয়ার।
মঞ্চের এক পাশে রয়েছে বিশাল আকারের ডিসপ্লে বোর্ড। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের বেঁধে দেওয়া সীমানায় ফকিরাপুল, পল্টন, কাকরাইলসহ আশপাশে টাঙানো হয়েছে দেড় শতাধিক মাইক। গণমাধ্যম এবং সংস্কৃতি কর্মীদের জন্য দুটি বড় ট্রাক একত্রিত করে তৈরি করা হয়ছে আলাদা দুইটি মঞ্চ। দুপুর ২টায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই মহাসমাবেশের কার্যক্রম শুরু হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সকাল থেকেই নেতা-কর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নয়াপল্টনে আসতে শুরু করেছে। মঞ্চে আশপাশে নেতা-কর্মীর ভিড় বাড়ছে। সাদা, নীল, লাল, সবুজ ও হলুদ টুপি মাথায় হাজার হাজার নেতা-কর্মী মুহুর্মুহু করতালি দিয়ে স্লোগান দিচ্ছেন। মানুষের ভিড় ও চাপ বাড়তে থাকায় সকাল থেকে নয়াপল্টনের দুই পাশের সড়কই যান চলাচল পুলিশ বন্ধ করে দিয়েছে।
মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান বলেন, আমরা প্রথম থেকে বলে আসছিলাম ২৮শে জুলাইয়ের মহাসমাবেশ জনসমুদ্রে পরিণত হবে। এর কোনো সীমানা নেই। এই জনস্রোতকে কোনো সীমানাই দিয়ে রোখা যাবে না। এই সকালে নয়াপল্টনে তার প্রমাণ দিয়েছে অধিকারহারা মানুষেরা।
মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আবদুস সালাম বলেন, এখন যে মানুষজন দেখছেন এদের বেশির ভাগই বিভিন্ন জেলা থেকে আসা নেতাকর্মীরা। পল্টনের সড়কে দাঁড়ানোর তিল পরিমাণ ঠাঁই নেই। ঢাকার ওয়ার্ডগুলো থেকে মানুষজন আসা শুরু করলে এই জনস্রোত মতিঝিল, শান্তিনগর, বিজয়নগর ছাড়িয়ে যাবে।
সমাবেশ উপলক্ষ্যে কাকরাইলের নাইটেঙ্গল রেস্তোরাঁ ও ফকিরাপুলের মোড়ে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ছবি: ওবায়দুল কাদের
বিএনপি'র এখন রাজনৈতিক আইসোলেশন দরকার বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, নিজেরা আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে এখন তারা হেফাজতের উপর ভর করছে।
আওয়ামী লীগসহ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা যখন অসহায়, কর্মহীন, খেটে খাওয়া মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে এবং স্বাস্থ্যবিধি মানতে জনগণকে সতর্ক করছে তখন বিএনপি তাদের উগ্র সাম্প্রদায়িক মিত্রদের নিয়ে দেশে নৈরাজ্য তৈরির অপপ্রয়াস চালাচ্ছে ও দেশের সম্পদ জ্বালিয়ে দিচ্ছে। করোনা মহামারীর এ সময়ে বিএনপি নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে সরকার হটানোর নামে ধান ভানতে শীবের গীত গাইছে বলে মন্তব্য করেন।
ওবায়দুল কাদের আজ বৃহস্পতিবার সকালে তার সরকারি বাসভবনে ব্রিফিংকালে এসব অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, এদেশে অগ্নিসন্ত্রাসের জনক বিএনপি, আর এ সন্ত্রাসের আগুনে একসময় তাদের নিজেদের ঘরও পুড়বে। এমন অপরাজনীতি বুমেরাং হতে বাধ্য।
তিনি আরও বলেন, করোনা নিয়ে বিএনপি নির্মম ও নির্লজ্জ রাজনীতি করছে। তারা একবার বলে লকডাউন দিতে আবার বলে লকডাউন দিলে মানুষ খাবে কী? বিএনপির এমন দ্বিমুখী নীতি এবং করোনা নিয়ে অপরাজনীতির দ্বারা মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। আর এজন্যই ক্ষেত্রবিশেষে সংক্রমণের মাত্রা বেড়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, বিএনপি সরকারকে সরাতে ছাত্র ও শ্রমিকদের ঐক্যের কথা বলছেন। কিন্তু তারা ছাত্র-শ্রমিকদের কোন সাড়া পাচ্ছে না এবং জনগণেরও কোন আস্থা পাচ্ছে না।
করোনা মোকাবিলায় সরকার সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রকারান্তরে বিএনপির বক্তব্যে প্রমাণ করে তাদের লেজে-গোবরে দশা। জনগণ মনে করে বিএনপির মনোজগতে ভাইরাসের নেতিবাচক প্রভাব বাসা বেঁধেছে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি করোনার চেয়েও ভয়াবহ ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত, যার লক্ষণ নেতিবাচক রাজনীতি, মিথ্যাচার, ষড়যন্ত্র আর আগুন সন্ত্রাস।