a একটি জাতির জন্য পদ্ধতি বা ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
ঢাকা শুক্রবার, ২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ এপ্রিল, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

একটি জাতির জন্য পদ্ধতি বা ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ


কর্নেল(অব.) আকরাম, লেখক, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৫, ০৭:৪৮
একটি জাতির জন্য পদ্ধতি বা ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

ছবি সংগৃহীত

 

কর্নেল(অব.) আকরাম: কটি জাতির জন্য পদ্ধতি বা ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং একটি সরকারি ব্যবস্থাপনা অনুসরণ করার কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু ফরাসি বিপ্লবের পর থেকে আমরা বর্তমান বিশ্বে বিভিন্ন পদ্ধতির মধ্যে সংঘাত দেখতে পাচ্ছি। বিশ্বে অতীতে বিভিন্ন পদ্ধতির অভিজ্ঞতা রয়েছে। পশ্চিমে রাজতন্ত্র ও রাজপ্রথা এবং পূর্বে খিলাফত ব্যবস্থা ছিল, কিন্তু উভয় ব্যবস্থাই এখন বিলুপ্ত।  

বর্তমান সময় গণতন্ত্রের যুগ এবং এটি এখন পর্যন্ত সারা বিশ্বে সর্বোত্তম সরকারি ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচিত। একটি দেশের সংবিধান সরকারের গঠন ও কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে প্রণীত সংবিধান নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল, কিন্তু এটি জনগণের ভালো শাসনের উদ্দেশ্য পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। এটি বাংলাদেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণেও ব্যর্থ হয়েছে।  

জনগণের অধিকার ও আকাঙ্ক্ষার বিষয়ে আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা খুব একটা ইতিবাচক নয়। বর্তমান সংবিধানে নাগরিকদের অধিকার সম্পর্কে অনেক ভালো বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হলেও তা কখনই বাস্তবায়িত হয়নি। উপরন্তু অতীতে দেশের জনগণকে শাসকদের দ্বারা সব সময়ই হয়রানি ও চাপের মুখে রাখা হয়েছে।  

যেহেতু দেশের বেশিরভাগ জনগণ মুসলিম, তাই তাদের প্রত্যাশা সংবিধানে প্রতিফলিত হওয়া উচিত। জনগণের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে এবং নাগরিকদের এমন একটি ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশের প্রশাসনে সক্রিয় ভূমিকা পালনের সুযোগ দিতে হবে যা তাদের জন্য উপযুক্ত। একটি টেকসই কল্যাণমুখী সমাজ গঠনের জন্য এই ব্যবস্থাকে অর্থবহ ও ব্যবহারিক করে তুলতে গভীর গবেষণা এবং সুচিন্তিত পরিকল্পনা প্রয়োজন।  

দেশের জনগণ সংবিধানে আর কোনো মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেখতে প্রস্তুত নয়, বরং তারা একটি সত্যিকারের কল্যাণ রাষ্ট্রের দিকনির্দেশনা চায়। একটি জাতি মূলত তার সংবিধানের মাধ্যমেই গঠিত হয় এবং এটি যথাযথ যত্ন ও বিচক্ষণতার সাথে করা উচিত। রাতারাতি কোনো ভালো ফলাফল অর্জিত হয় না। আমরা অতীতে ভয়াবহ দুর্ভোগের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি এবং কোনো অশুভ ভবিষ্যৎকে আমরা প্রশংসা করব না। ভবিষ্যতে যেকোনো ব্যবস্থা সংক্রান্ত উদ্যোগে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের চেতনা ও আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হওয়া উচিত। আমাদের জনগণ সবচেয়ে বেশি কষ্টভোগ করছে এবং তারা তাদের দুর্ভোগের অবসান চাইছে।  

২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লব নিঃসন্দেহে জাতিকে বর্তমান সংবিধানের উপযোগিতা নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করার সুযোগ তৈরি করেছে। এদিকে জাতি দুটি শিবিরে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। এক শিবিরে রয়েছে বিএনপি এবং অন্যটিতে রয়েছে সিএনসি, একটি নতুন ছাত্রনেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক দল। জামাত সম্ভবত এনসিপির পদক্ষেপের পক্ষে থাকবে। সংবিধান ও শাসন ব্যবস্থা নিয়ে দুটি শিবিরের মধ্যে একটি সত্যিকারের সংঘাতের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।  

উভয় পক্ষই অনমনীয় ও একগুঁয়েমী বলে মনে হচ্ছে এবং সমস্যা সমাধানের জন্য পারস্পরিক সমঝোতার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। এদিকে এনসিপির নেতারা ইঙ্গিত দিয়েছেন যে শাসন ব্যবস্থা নিয়ে বাংলাদেশে নিকট ভবিষ্যতে একটি রাজনৈতিক সংঘাত হতে পারে। সম্প্রতি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একজন উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেছেন যে দেশটি যুদ্ধের পরিবেশের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।  

১৯৭২ সাল থেকে আমরা কখনই সত্যিকারের স্বাধীনতা অনুভব করতে পারিনি এবং ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনা শাসনামলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে যখন আমরা আমাদের নিজ দেশের উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছি। গত পনেরো বছর ধরে ভারত বাংলাদেশের মালিক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। মনে হচ্ছে আমরা আমাদের ইতিহাসের সাম্প্রতিক অতীত ভুলে গেছি এবং তাদের অনুগ্রহ পাওয়ার চেষ্টা করছি।  

ঐক্যের মাধ্যমে অর্জিত সাফল্য এখন মারাত্মক হুমকির মুখে এবং এটি মোকাবেলা করার জন্য আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। পরাজিত শত্রুরা এই অস্থির পরিস্থিতিকে তাদের সুবিধা নেওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করবে না। আমরা সম্পূর্ণ জেনেশুনেই আমাদের নিজেদের পায়ে কুড়াল মারতে চলেছি। আমরা কি এতই মূর্খ যে সাম্প্রতিক পরিবর্তনগুলোর পরেও আমাদের জাতীয় স্বার্থ বুঝতে পারছি না?  

এনসিপির প্রত্যাশা অনুযায়ী দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্রের বিষয়ে একটি জাতীয় সংলাপ হোক। আসুন আমরা আমাদের প্রত্যাশার বিষয়ে বাস্তববাদী ও ব্যবহারিক হই। প্রতিটি শিবিরকে ধৈর্য ধরতে হবে এবং পরিপক্কতা ও বিচক্ষণতার সাথে কাজ করতে হবে। সবকিছু রাতারাতি করা যায় না। আমরা নতুন বাংলাদেশে ভবিষ্যতে একটি সুস্থ রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার সংস্কৃতি দেখতে চাই। আমাদের আর জনগণকে ভণ্ডামির রাজনীতির শিকার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

বাংলাদেশে রাজনৈতিক খেলা


কর্ণেল আকরাম, লেখক ও কলামিস্ট: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৪, ১২:৪৬
বাংলাদেশে রাজনৈতিক খেলা

ফাইল ছবি

 

নিউজ ডেস্কঃ রাজনৈতিক খেলা দেশের জাতীয় রাজনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি শেষ পর্যন্ত সংবিধান দ্বারা নির্ধারিত একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে। রাজনৈতিক খেলা সংবিধানে অনুমোদিত এবং দেশের সব প্রধান রাজনৈতিক দলগুলি জাতীয় নির্বাচনে চূড়ান্ত খেলার অংশগ্রহণ করে। চূড়ান্ত খেলা দুটি প্রধান রাজনৈতিক দলের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয় এবং যারা সংসদে অধিক সিট পায় তারা সরকার গঠন করে। এটি বিশ্বের প্রায় সব গণতান্ত্রিক দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির একটি সাধারণ প্রথা, যার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতও রয়েছে।  

রাজনৈতিক খেলার একটি দীর্ঘ ঐতিহ্যবাহী ইতিহাস রয়েছে এবং এটি প্রথম শুরু হয় ইংল্যান্ডে ১৬৮৯ সালের বিল অব রাইটসের পর। সেখানে উইগ পার্টি এবং টোরি পার্টি রাজনৈতিক খেলা শুরু করেছিল, এবং পরবর্তীতে তারা যথাক্রমে কনজারভেটিভ পার্টি এবং লেবার পার্টি নামে পরিচিত হয়। যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক খেলা দীর্ঘদিন ধরে দ্বিদলীয় রাজনীতি হিসেবে চলে আসছে, যা এখন একটি রাজনৈতিক সংস্কৃতির রূপে পরিণত হয়েছে।  

ভারতে ব্রিটিশ শাসনের শেষ পর্যায়ে ১৯৩৫ সালের নির্বাচনে কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের মধ্যে দ্বিদলীয় রাজনৈতিক খেলা শুরু হয় এবং এর চূড়ান্ত ফলস্বরূপ ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দেশভাগ ঘটে। পাকিস্তানের সূচনা থেকে রাজনৈতিক খেলা সুষ্ঠু ও ন্যায্যভাবে অনুষ্ঠিত হয়নি এবং এর চূড়ান্ত পরিণতি ছিল পাকিস্তানের ভাঙন এবং ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের জন্ম। পাকিস্তানে রাজনৈতিক খেলা পুরো বিশ বছর ধরে ন্যায্যতার অভাবে চলে এবং ভারত বাংলাদেশ দলের পাশে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের জন্য খেলা জিততে সাহায্য করে।  

বাংলাদেশের শুরু পাকিস্তানের মতোই ছিল এবং খুব শীঘ্রই ১৯৭৫ সালের শুরুতে বাকশাল ঘোষণার মাধ্যমে রাজনৈতিক খেলায় সুষ্ঠুতা শেষ হয়ে যায়। আমাদের জন্য এটি খুব দুঃখজনক যে আমাদের দেশে একদলীয় রাজনীতি প্রবর্তিত হয়।  

এটি শুধুমাত্র জিয়াউর রহমানই ছিলেন যিনি দেশে বহু দলীয় রাজনীতি চালু করেছিলেন যাতে সুষ্ঠু রাজনৈতিক খেলা হতে পারে, তবে এটি দীর্ঘস্থায়ী ছিল না এবং এরশাদ শাসনামলে সুষ্ঠু রাজনৈতিক খেলা বন্ধ হয়ে যায়।  

১৯৯০ সালে এরশাদের পতনের সাথে পরিবর্তন আসে এবং সুষ্ঠু রাজনৈতিক খেলার সুযোগ আসে, এবং বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো দ্বি-দলীয় রাজনীতি শুরু হয়। এটি ভালভাবে চলছিল এবং দেশে একটি সুষ্ঠু রাজনৈতিক সংস্কৃতি শুরু হয়েছিল। তবে এরশাদ পতনের পর পরই যে নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি শুরু হয়েছিল, তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। মঈন-ফকর সরকার দেশের রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করে এবং একটি মনগড়া নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনতে পেরেছিল, যার ফলে সুষ্ঠু রাজনীতি ধ্বংস হয় এবং একদলীয় রাজনৈতিক খেলা আবার ফিরে আসে, যা ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের মাধ্যমে একদলীয় রাজনীতি পতন পর্যন্ত চলে।  

দেশের পুরো জাতি সুষ্ঠু রাজনৈতিক খেলার প্রত্যাশায় ছিল, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি আমাদের ভাল সংকেত দিচ্ছে না। এটি মনে হচ্ছে নতুন চ্যালেঞ্জগুলি আমাদের সামনে রয়েছে যা শুধু সাম্প্রতিক বিপ্লবের মাধ্যমে অর্জিত ঐক্যকেই নয়, দেশের রাজনীতিকে স্থিতিশীলতা থেকেও বিপথে চালিত করতে পারে।  

এমন সম্ভাবনা রয়েছে যে, কিছু বিদেশী শক্তির পৃষ্ঠপোষকতায় তথাকথিত "কিং পার্টি" উঠতে পারে এবং ছাত্রদের নেতৃত্বে একটি নতুন রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় আসবে, দেশের একটি প্রধান রাজনৈতিক দলের সহযোগিতায়।  

এটি দেশের জন্য এবং জাতির জন্য ভালো সংকেত নয়, এবং দেশ আবার এক কঠিন সংকটে পড়বে, যা খুব শীঘ্রই সমাধান হবে না।  

এখন জাতীয় ঐক্য অত্যন্ত প্রয়োজন এবং বিএনপি যে জাতীয় সরকার প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দিয়েছে তা আমাদের এই সংকট থেকে উত্তরণে সাহায্য করতে পারে, ইনশাআল্লাহ।  

 

লেখকঃ সম্পাদক, মিলিটারি হিস্ট্রি জার্নাল  

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

সুপার ১০ টিমের সাথে ৭ডিসিসির এক বছর পূর্তি উদযাপন


আবু হানিফ, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ০৯ জুলাই, ২০২২, ১১:৪৫
সুপার ১০ টিমের সাথে ৭ডিসিসির এক বছর পূর্তি উদযাপন

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

গণিতের প্রতি যেন গ্রামের ছেলেমেয়েরা ভয় ভীতি না পায়, সেজন্য সহজ বোদগম্যভাবে করতে অবিরাম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন শরীয়তপুরের ছেলে সবুজ। শিক্ষার্থীদের মনোযোগ যেন গণিতের প্রতি বাড়ে, সেজন্য কুইজ, আইকিউ টেস্ট এবং লজিক পাজলের মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করা শেখান। রীতিমতো এক অন্যরকম আনন্দদায়ক ক্লাস করান তরুন সবুজ। গনিতকে জনপ্রিয় করতেই ২০২১ সালের ৮ জুলাই প্রতিষ্ঠা করেন ৭ ডিসিসি। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সুপার ১০ সদস্যের নিয়ে কাশেমপুর কুটুমবাড়ি রেস্টুরেন্টে গতকাল ৮ জুলাই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়।

৭ডিসিসি এর প্রতিষ্ঠাতা সবুজ আহমেদ বলেন, আজ থেকে ঠিক এক বছর আগে ১০ জন সুপার লেভেলের বাচ্চা নিয়ে শুরু করেছিলাম আমার এই সুপার ১০ অলিম্পিয়াড টিম এবং ৭ডিসিসি এডুকেশনাল প্লাটফর্ম।

এই টিমের ১০ জন সদস্যকে তখন  কয়েক ধাপে বাছাই করে নেওয়া হয়েছিল। এদের আইকিউ লেভেল এনাফ গুড। সেই শুরু থেকেই এখন অব্দি এদেরকে আমি গাইড করে আসছি।প্রবলেম সলভিং, ছোট খাটো আইকিউ টেস্ট এগুলা প্রায় সময়ই টিমের সদস্যরা প্রাকটিস করে। টিমের ১০ জনের মধ্যে ৫ জন কলেজ স্টুডেন্ট, ৩ জন এস এস সি ক্যান্ডিডেট, ১ জন ক্লাস ১০ এবং ১ জন ক্লাস ৯ এর শিক্ষার্থী।

সুপার ১০ এর বৈশিষ্ট্যঃ
১.এরা সিনিয়র জুনিকয়র সবাই একসাথে একই ধাপের প্রব্লেম সলভ করে।
২.একজনের প্রব্লেম সলভিং ক্যাপাবিলিটি  দেখে অন্যজন মোটিভেট হয়।
৩.টিম আকারে প্রব্লেম সলভ করে।
৪.একাডেমিক পড়াশোনার বাইরে, ছুটিকালীন সময়গুলাতে সবাই গণিত বিজ্ঞান প্রাকটিস করে।

এই যে এত এত কিছু করা হয়, এতে কিন্তু কারো কখনো মন খারাপ হয় না, কারো কখনো ক্লান্তিভাব আসে না, ইভেন কারো একাডেমিক এডুকেশনেও প্রভাব পড়ে না। যার শিক্ষক যত ভালো সে তত বেশি এগিয়ে যাবে এটাই স্বাভাবিক।

তরুন শিক্ষার্থী সবুজ বলেন, সুপার ১০ টিম এবং ০৭ডিসিসি এর ১ বছর সেলিব্রেশন করলাম আমরা। সবাই যাতে ফ্রেশ মন নিয়ে পুরো উদ্যমে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারে, সেকারনে সুপার ১০ অলিম্পিয়াড টিমকে  অনেকেই সাপোর্ট করতে  এগিয়ে আসছেন।

সবুজ আরো বলেন, আমাদের সুপার ১০ এর জন্য আমেরিকা থেকে গিফট মেহেদী হাবিব এর পক্ষ থেকে উপহার এসেছে। তিনি ভবিষ্যতে আমাদের সব রকম সাহায্য করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

সবুজ  বলেন, মেহেদী ভাই আরো একটা মহৎ  কাজের আইডিয়া দিয়েছেন সুপার ১০ এর মতো সুবিধাবঞ্চিত এবং একটু পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের নিয়ে এইবার কাজ শুরু করতে বললেন।

যাদের দিকে সমাজ কিংবা কোনো সংগঠন তাকায় না, এমন ২০ জন বাচ্চা নিয়ে, অতি শীগ্রই আমি আরেকটা টিম করতে যাচ্ছি, যার নাম  হবে, ‘ডিটারমাইন্ড ২০’।
আশা করি, সমাজের সুধীমহল, স্কলার এবং শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিরা বরাবরের মতো আমার এই টিম গুলাকে সাপোর্ট করবেন।

গণিতপ্রেমী সবুজ বলেন, গত বছর ০৭ডিসিসি গণিত অলিম্পিয়াড  এ লোকাল গভঃ এবং প্রয়াস সংগঠন আমাকে সাপোর্ট  করেছেন।

এইবার সুপার ১০ অলিম্পিয়াড টিমকে সাপোর্ট করতেছেন আমেরিকা থেকে মেহেদী হাবিব। আশা করি, মেহেদী ভাইকে সামনের সকল কাজে পাশে পাব। উনি একজন বাস্তববাদী শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি। এলাকার শিক্ষার্থীদের নিয়ে সারাজীবন চিন্তা ভাবনা করেন।বিদেশে থেকেও যে, আমাদের এই ছোট্ট কাজকে সাপোর্ট করতেছেন, এটা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।

পরিশেষে সবাইকে গণিতপ্রেমে এগিয়ে আসার আহবান জানালেন তরুন এই সবুজ।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

সর্বশেষ - রাজনীতি