a
ফাইল ছবি
ডাকসুর সাবেক ভিপি ও বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক নূরের ডাকা শাহবাগের বিক্ষোভ কর্মসূচী স্থগিত করা হয়েছে।
শুক্রবার ছাত্র অধিকার পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মুহাম্মদ রাশেদ খান এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মহান স্বাধীনতা দিবস ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন উপলক্ষে নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবিতে ঘোষিত প্রোগ্রামটি স্থগিত করা হল।
ফাইল ছবি
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ হরতালের মেয়াদ না বাড়িয়ে নতুন কর্মসূচির ঘোষণা করেছে। রবিবার (২৮ মার্চ) পল্টনে এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মাওলানা নুরুল ইসলাম জিহাদী নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
হেফাজতের নতুন কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, সোমবার (২৯ মার্চ) দোয়া মাহফিল ও শুক্রবার (০২ এপ্রিল) বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হবে।
হেফাজতে ইসলামের হরতাল সর্বাত্মকভাবে পালন করার জন্য দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়ে জিহাদী বলেন, হেফাজতের ভবিষ্যৎ কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে পালন করা হবে। হেলমেট বাহিনী দ্বীনের শত্রু, ইসলামের শত্রু তারা কেউ হেফাজতের নয়। যারা কালেমা জানে বিশ্বাস করে তারা অন্তত বিজেপিকে ভালোবাসতে পারে না।
হেফাজতের এই নেতা বলেন, আহততের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। আটকদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে। বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হোক আমরা চাই না। সরকার দলীয় লোক বাড়ি বাড়ি হামলার হুমকি দিচ্ছে। ২/১ দিনের মধ্যে দাবি মানা না হলে আমিরে হেফাজত বাবুনগরীসহ শীর্ষস্থানীয় নেতারা বসে কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেবেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন হেফাজতের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক, হেফাজতের ঢাকা মহানগর সভাপতি জুনায়েদ আল হাবিব, কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব সাখাওয়াত হোসেন, হেফাজত নেতা আতাউল্লাহ আমিন প্রমুখ। সূত্র: ইত্তেফাক
আমির জুনায়েদ বাবুনগরী
হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব নুরুল ইসলাম জিহাদিসহ ১৭ জন নেতার বিরুদ্ধে করা মামলা ‘মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক’ উল্লেখ করে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন সংগঠনের আমির জুনায়েদ বাবুনগরী। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ দাবি জানান।
বিবৃতিতে জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন, ২৬ মার্চ জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে মুসল্লিদের ওপর পুলিশের সহযোগী হেলমেট পরা ও চাপাতি-রামদা হাতে একদল সন্ত্রাসী বিনা উসকানিতে আক্রমণ চালায়। পাশাপাশি পুলিশও মুসল্লিদের ওপর গুলি চালায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সাধারণ মুসল্লিরা আত্মরক্ষার্থে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলেন।
জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন, সেদিনের সংঘাতের ভিডিওগুলোতে স্পষ্টভাবে দেখা গেছে কারা সহিংসতা উসকে দিয়েছিল। সারা দেশের মানুষ ওই ভিডিওগুলো দেখেছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও সেদিনের ঘটনা স্থান পেয়েছিল। সেদিন হেফাজতে ইসলামের কোনো কর্মসূচি ছিল না। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে হেফাজতের ১৭ জন কেন্দ্রীয় নেতার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।