a
ফাইল ছবি: নুরুল হক নূর
রাজধানীর মতিঝিলে মোদিবিরোধী আন্দোলনে সংঘর্ষের ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সাবেক (ডাকসু) ভিপি নুরুল হক নূর আহত হয়েছেন বলে খবর প্রচার হয়। তার গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবরটি সঠিক নয়।
আজ দুপুরে ছাত্র অধিকার পরিষদের ঢাবি শাখার সাবেক সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ইয়ামিন মোল্লা বলেন, নূর পুলিশের ছোড়া টিয়ারশেলে আহত হয়েছেন, গুলিবিদ্ধ হননি। ফেসবুকে নুরুল হক নূর নামের একটি পেজ থেকে ভিপি নুর গুলিবিদ্ধ উল্লেখ করে পোস্ট দিলে গুজব ছড়িয়ে পড়ে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল বের করে ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদ। মিছিলে পুলিশ বাধা দিলে এসব সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
ফাইল ছবি
শেখ হাসিনার সরকারের পদত্যাগের দাবিতে বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলোর এক দফার আন্দোলন নিয়ে চিন্তিত নয় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। দলটি মনে করছে, ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে থেকে সর্বশেষ গত ডিসেম্বর পর্যন্ত যত আন্দোলন করেছে বিএনপি, সবগুলোই এক দফার ছিল। এটি নতুন কিছু নয়।
আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী সূত্র বলছে, বিএনপির আন্দোলন কর্মসূচিতে চিন্তিত না হলেও রাজপথের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে যা যা করণীয়, সবই করবে আওয়ামী লীগ। এরই মধ্যে বিএনপির ‘তারুণ্যের সমাবেশের’ পাল্টা হিসেবে দেশের আট বিভাগীয় শহরে ছাত্র ও যুব সমাবেশ করার পরিকল্পনা নিয়েছে আওয়ামী লীগ। মূলত দলের সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোর সমন্বয়ে এসব সমাবেশ করা হবে। এসব কর্মসূচিতে নিজ নিজ বিভাগের মহানগর আওয়ামী লীগের কমিটির ভূমিকা থাকবে। দিন-তারিখ এখনো ঠিক হয়নি। তবে চলতি মাস থেকেই সমাবেশগুলো শুরুর কথা রয়েছে।
শেখ হাসিনার পদত্যাগের দাবিতে বিএনপি যে এক দফা আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণার কথা বলছে, তা মাথায় রেখেই এসব সমাবেশের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা জানিয়েছেন। তাঁরা বলছেন, বিএনপি যাতে এককভাবে রাজপথের দখল নিতে না পারে, সেটাই আওয়ামী লীগের মূল লক্ষ্য। এ জন্যই ছাত্র ও যুবসমাজের নামে তরুণদের রাজপথে নামানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর বাইরে বিএনপির চলমান কর্মসূচি দেখে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ভিন্ন কর্মসূচিও নেওয়া হতে পারে।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ গনমাধ্যমকে বলেন, আট বিভাগে সহযোগী সংগঠনগুলোর সমন্বয়ে সমাবেশের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে এখনো কর্মসূচি চূড়ান্ত হয়নি। শিগগিরই একটা বৈঠক করে চূড়ান্ত করা হতে পারে। তিনি আরও বলেন, বিএনপি কী করবে, এটা নিয়ে আওয়ামী লীগ চিন্তিত নয়। তাদের পুরো মনোযোগ এখন নির্বাচনের দিকে।
আওয়ামী লীগের এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নে বরাবরই সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোকেই সামনে রাখা হয়। সহযোগী সংগঠনগুলোর সূত্র বলছে, ‘রাজপথের নিয়ন্ত্রণ যার, রাজনীতি ও ভোটের নিয়ন্ত্রণ তার’—এমনটাই তারা মনে করে। আগে এই কাজে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মুখ্য ভূমিকা পালন করেছে। এবার অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোকে নিয়ে আওয়ামী লীগ সামনে থাকবে। পরে প্রয়োজন হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের ভূমিকা পালন করবে।
যুবলীগের একজন শীর্ষ নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে গণমাধ্যমকে বলেন, বিএনপির নেতৃত্বে বিরোধীরা এক দফার যে আন্দোলনের পরিকল্পনা নিয়েছে, তা মূলত রাজপথ দখলের চেষ্টা। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সহযোগী সংগঠনগুলো রাজপথ যেকোনো মূল্যে নিজেদের দখলে রাখবে। এ ক্ষেত্রে সংঘাত হলে কিছু করার নেই। সূত্র: প্রথম আলো
ছবি সংগৃহীত
আজ শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) সেন্ট ভিনসেন্টে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় টাইগার অধিনায়ক লিটন দাস। জাকের আলির ফিফটিতে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৮৯ রান সংগ্রহ করে সফরকারীরা।
ছক্কা ও ৩ চারে ৪১ বলে ৭২ রানে অপরাজিত থাকেন জাকের। এছাড়া পারভেজ হোসেন ইমন ২১ বলে ৩৯ ও মেহেদী হাসান মিরাজ ২৩ বলে ২৯ রান করেন।
১৯০ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ৭ রানে জোড়া উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। রানের খাতা খোলার আগেই ব্রান্ডন কিংকে সাজঘরে ফেরান তাসকিন আহমেদ। এরপর জাস্টিন গ্রিভসকে আউট করে বাংলাদেশকে দ্বিতীয় সাফল্য এনে দেন মেহেদী হাসান।
এরপর নিকোলাস পুরান ও জনসন চার্লস মিলে আগ্রাসী ব্যাটিং করতে থাকেন। ৩৮ রানের জুটি গড়েন তারা। এর দ্রুতই আরও তিন উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে স্বাগতিকরা। পুরান ১০ বলে ১৫, জনসন ১৮ বলে ২৩ ও রস্টন চেজ খালি হাতে ফিরে যান।
এরপর দলীয় ৬০ রানে ১২ বলে ২ রান করে আউট হন রভম্যান পাওয়েল। তার বিদায়ের পর রোমারিও শেফার্ড ও গুডাকেশ মোতেই মিলে লড়াই করার চেষ্টা করেন। ৩৫ রানের জুটি গড়েন এই দুই ব্যাটার।
এরপর দ্রুতই তিন উইকেট তুলে নিয়ে জয় অনেকটা নিশ্চিত করে ফেলে বাংলাদেশ। মোতেই ১২ বলে ১২, আলজারি জোসেফ ২ বলে ১ ও শেফার্ড ২৭ বলে ৩২ রান করেন। আর শেষ ব্যাটার হিসেবে ওবেড ম্যাকই আউট হলে ১৬ ওভার ৪ বলে ১০৯ রানে অলআউট হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বাংলাদেশের পক্ষে রিশাদ হোসেন নেন ৩টি উইকেট।
উল্লেখ্য, সিরিজ আগেই নিজেদের করে নিয়েছিল বাংলাদেশ। তাই শেষ ম্যাচটা ছিল হোয়াইটওয়াশের মঞ্চ, যেটা বাংলাদেশীরা বাংলা ওয়াশ বলতে স্বাচ্ছন্নবোধ করেন। এমন ম্যাচে জ্বলে উঠলেন ব্যাটাররা। এরপর বাকী কাজটা করলেন বোলাররা। এতেই ৮০ রানের বড় জয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইটওয়াশ বা বাংলা ওয়াশ করলো টাইগাররা।