a
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সাইফুল আলম, ঢাকা: সিয়াম সাধনার পবিত্র এই মাসে দুস্থ এবং এতিমদের সাথে নিয়ে একটি বিশেষ ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কমিটি। যেখানে অংশগ্রহণকারীরা দুস্থ ও এতিম শিশুদের সঙ্গে মিলিত হয়ে ইফতার করেছেন এবং তাদের জন্য দোয়া করেছেন। এই অনুষ্ঠানটি বিশেষভাবে দুস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের সহায়তা প্রদানে গুরুত্ব আরোপ করে, যাতে তারা রমজান মাসের পবিত্রতা ও আনন্দ অনুভব করতে পারে।
গতকাল ১৫ মার্চ ২০২৫ ইং (১৪ ই রমাদান), শনিবার, মিরপুর ১২ (রমজান নেসা সুপার মার্কেটের (৪র্থ তলায়) "দ্যা গোল্ডেন সান চাইনিজ রেস্টুরেন্টে" এই দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের চেয়ারম্যান জনাব ড. এল .এম কামরুজ্জামান। তিনি তার বক্তব্যে রমজান মাসের গুরুত্ব এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের প্রতি সহানুভূতি ও সহায়তা প্রদানের বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, "আমাদের সমাজের প্রতিটি মানুষকে একে অপরের পাশে দাঁড়াতে হবে। এই ইফতার মাহফিলের মাধ্যমে আমরা আশা করি, সমাজের দুঃখী ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষরা কিছুটা শান্তি ও ভালোবাসা অনুভব করবেন।
বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের মহাসচিব জনাব জয়নুল আবেদীন জয়। এছাড়াও সংগঠনের ভাইস চেয়ারম্যান মামুনুর রশিদ, মনিরুল ইসলাম, হামিদুল ইসলাম মিন্টু, শরফ উদ্দীন সোহরাওয়ার্দী, মো. মোশারেফ হোসেন, মোঃ হাবিবুল হক সিদ্দিকী, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ আবুল কালাম আজাদ, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এ.এস.এম তুহিন, রফিকুল ইসলাম রুনু, যুগ্ম মহাসচিব এম.এম ইব্রাহীম খলিল, অর্থ সচিব মো. নাসিম, সাংগঠনিক সচিব মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন হেলাল, শিক্ষা সচিব মো. নজরুল ইসলাম, সহ শিক্ষা সচিব আব্দুস সালাম, মোঃ আলী আকবর সহ সারাদেশ থেকে জেলা ও বিভাগীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের ধর্ম বিষয়ক সচিব মুফতি নাছির উদ্দিন।
ফাইল ছবি
কুয়েতে ১১তম আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় ১১৭ দেশের সঙ্গে লড়বেন দুই বাংলাদেশি হাফেজ। তারা হলেন, হাফেজ তাওহিদুল ইসলাম ও হাফেজ আবু রাহাত।
গত বুধবার (১২ অক্টোবর) কুয়েতের ধর্মমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আশিকুজ্জামানসহ ১১৭ দেশের রাষ্ট্রদূতগণ উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশের ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অধীনে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম আয়োজিত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে মারকাজুত তাহফিজ ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার দু'জন শিক্ষার্থী দুটি গ্রুপে প্রতিনিধি নির্বাচিত হন। ১১ অক্টোবর সকালে কুয়েতের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন হাফেজ তাওহিদুল ইসলাম ও হাফেজ আবু রাহাত। তাদের সঙ্গে আছেন মাদ্রাসার পরিচালক শায়েখ নেছার আহমাদ আন নাছিরী।
কুমিল্লার দেলোয়ার হোসেনের ছেলে হাফেজ তাওহিদুল ইসলাম এরই মধ্যে দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত বিশ্ব হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় ৭০টি দেশের মধ্যে ১০ম স্থান অধিকার করেন। এছাড়া সিরাজগঞ্জের রমজান আলীর ছেলে হাফেজ আবু রাহাত জাতীয় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা-২০২০ পিএইচপি কুরআনের আলোয় প্রথম স্থান অধিকার করেন।
হাফেজ আবু রাহাত বলেন, আমি দেশের হয়ে কুয়েতে আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছি। সবাই দোয়া করবেন, আমি যেন বাংলাদেশের লাল সবুজের সম্মান বয়ে আনতে পারি। সূত্র: ইত্তেফাক
ছবি সংগৃহীত
বায়ুদূষণের কারণে বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় সবচেয়ে খারাপ অবস্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। বৃহস্পতিবার (১৮ মার্চ) জনবহুল এই শহরের একিউআই স্কোর ছিল ৩৬৭ যাকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়।
এদিকে একিউআই স্কোর ৩৫৮ নিয়ে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি দ্বিতীয় এবং পাকিস্তানের লাহোর শহর ২১৫ নিয়ে তৃতীয় স্থান দখল করেছে।
একিউআই স্কোর ৩০১ থেকে ৫০০ বা তারও বেশি হলে বাতাসের মান ঝুঁকিপূর্ণ মনে করা হয়। এ সময় স্বাস্থ্য সতর্কতাসহ প্রত্যেক নগরবাসীর জন্য জরুরি অবস্থা হিসেবে বিবেচিত হয়। এছাড়া একিউআই সূচক ৫০ এর নিচে স্কোর থাকার অর্থ হলো বাতাসের মান ভালো।
সূচক ৫১ থেকে ১০০ স্কোরের মধ্যে থাকলে বাতাসের মান গ্রহণযোগ্য বলে ধরে নেওয়া হয়। একিউআই স্কোর ১০১ থেকে ১৫০ হলে সাধারণ নগরবাসী বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ রোগীরা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়তে পারেন। একিউআই স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে নগরবাসীর প্রত্যেকের স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব পড়তে পারে, বিশেষ করে শিশু, বৃদ্ধ ও রোগীরা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়তে পারেন। একিউআই স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে স্বাস্থ্য সতর্কতাসহ তা জরুরি অবস্থা হিসেবে বিবেচিত হয়।
প্রতিদিনের বাতাসের মান নিয়ে তৈরি করা একিউআই সূচক একটি নির্দিষ্ট শহরের বাতাস কতটুকু নির্মল বা দূষিত সে সম্পর্কে মানুষকে তথ্য দেয় এবং তাদের জন্য কোনো ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে তা জানায়। বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের পাঁচটি ধরনকে ভিত্তি করে—বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ এবং ওজোন (ও৩)।
শীতের শুষ্ক মৌসুমে প্রতি বছরই ঢাকার বাতাস গুরুতর হয়ে উঠে। তবে কোভিড-১৯ মহামারির কারণে চলাচল সীমিত এবং সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় মনে করা হয়েছিল বাতাসের মানে উন্নতি হবে। যদিও লকডাউনে বিশ্বের ৮৪ শতাংশ দেশে বায়ুর মান বৃদ্ধি পায় কিন্তু নির্মাণ কাজের আধিক্যের কারণে বাংলাদেশে বাতাস অস্বাস্থ্যকরই থেকে গেছে। সূত্র: ইত্তেফাক