a ঈদ যাত্রা হয়রানীমুক্ত, নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে সকলকে সচেতন হতে হবে
ঢাকা শুক্রবার, ২০ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ এপ্রিল, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

ঈদ যাত্রা হয়রানীমুক্ত, নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে সকলকে সচেতন হতে হবে


সিয়াম, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ২৪ মার্চ, ২০২৫, ০৫:৫৮
ঈদ যাত্রা হয়রানীমুক্ত, নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে সকলকে সচেতন হতে হবে

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

সাইফুল আলম, ঢাকা:  আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে যাত্রীদের ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন, নিরাপদ, যাত্রী হয়রানীমুক্ত টিকেট কালোবাজারী বন্ধ, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ ও সড়ক পথে চাঁদাবাজী বন্ধ করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন কর্তৃক যৌথভাবে প্রেস ব্রিফিং এর আয়োজন করে।

আজ ২৪/৩/২০২৫ইং তারিখে জাতীয় প্রেসক্লাব ঢাকায় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত আজকের প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত সকলকে কৃতজ্ঞ এবং আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে আসন্ন ঈদে সকলকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান।

উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সিনিয়স সহ-সভাপতি ও ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি জনাব এম, এ, বাতেন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি জনাব আব্দুর রহিম বক্স দুদু ও সাধারন সম্পাদক জনাব হুমায়ূন কবির খান এবং মোঃ সাইফুল আলম মহাসচিব বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি ও সাধারন সম্পাদক ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি।

জনাব মোঃ সাইফুল আলম বলেন, আপনারা সকলেই অবগত আছেন যে, আসন্ন পবিত্র ঈদ উপলক্ষ্যে ঢাকা থেকে ঘরমূখী মানুষ তাদের পরিবার-পরিজন নিয়ে ঈদ উদযাপন করার জন্য নিজ নিজ গন্তব্যে যাতায়াত করবেন। এই যাত্রাকে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে সকলকে সচেতন করার জন্যই আজকের এই প্রেস ব্রিফিং। ঈদকে সামনে রেখে ঢাকা থেকে যে পরিমান যাত্রী সড়ক পথে যাত্রা করিবেন, নির্দিষ্ট সংখ্যক গাড়ী দিয়ে কম সময়ে সে পরিমান যাত্রীকে নিরাপদ গন্তব্যে পৌছানো কষ্টদায়ক কাজ। ঈদ যাত্রাকে নির্বিঘ্ন, নিরাপদ, যানজটমুক্ত এবং সড়ক পথে চাঁদাবাজিমুক্ত রাখার লক্ষ্যে ইতিমধ্যে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রনালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়, আইন-শৃংখলা বাহিনী, যৌথবাহিনী এবং মালিক-শ্রমিক প্রতিনিধিসহ দেশের সকল জায়গায় যৌথসভা করা হয়েছে।

আমরা ঢাকাস্থ টার্মিনালগুলোতে যাত্রীদের যাত্রাপথে সার্বিক সহযোগিতায় এবং নিম্নোক্ত বিষয়ে কার্য্যকরী ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয় ও প্রশাসনের নিকট সবিনয়ে আহবান জানাচ্ছি-
১। ঈদের ৫ দিন পূর্ব হতে ঈদের ১ সপ্তাহ পর পর্যন্ত ঢাকাস্থ সকল বাস টার্মিনাল এবং আশেপাশের এলাকায় পুলিশের টহল জোরদার করতে হবে।
২। ঢাকার চার পাশের চিহ্নিত স্থান সমূহ যেমন: চন্দ্রা, বাইপাল, গাজীপুর বাইপাস, সাইন বোর্ড, শনির আখড়া, কেরানীগঞ্জ, ভূলতা গাউসিয়া, মদনপুর, সাভার, নবীনগর, হেমায়েতপুর এলাকায় স্থানীয় ও হাইওয়ে পুলিশের মাধ্যমে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থার মাধ্যমে যানজটমুক্ত রাখতে হবে।
৩। ইতিমধ্যে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২৫ মার্চ ২০২৫ইং থেকে ঈদ পর্যন্ত এবং ঈদের পরের ৩ দিন পণ্যবাহী পরিবহন বন্ধ রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।
৪। সড়ক ও মহাসড়কে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই বন্ধ সহ সড়ক পথে যে কোন নামে চাঁদাবাজি বন্ধ করার লক্ষ্যে সারা দেশের থানা পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশের বিশেষ টহলের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে।
৫। ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন, নিরাপদ রাখার লক্ষ্যে যাত্রীদের যাত্রাপথে সহযোগিতার জন্য ঢাকাস্থ সকল টার্মিনালে একটি “হেল্প ডেস্ক” থাকবে। যাদের কাজ হবে যাত্রীদের তাৎক্ষনিক অভিযোগ নিষ্পত্তি ও যাতায়াতে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করা। এই “হেল্প ডেস্ক” ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি ও সংশ্লিষ্ট টার্মিনালের মালিক-শ্রমিকদের সহযোগিতায় সার্বক্ষনিক তদারকিতে নিয়োজিত থাকবেন। যাত্রীদের যে কোন প্রয়োজনে এই “হেল্প ডেস্ক সেবা‘ গ্রহন করার জন্য আমরা অনুরোধ জানাচ্ছি।
৬। স্ব-স্ব কোম্পানী/কাউন্টারে সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চার্ট দৃশ্যমান স্থানে টানাইয়া রাখিতে হবে। এর ব্যাত্যয় ঘটলে বা বেশি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেলে যাত্রীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাৎক্ষনিকভাবে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
৭। কোন অবস্থাতেই ফিটনেসবিহীন গাড়ী, লক্কর-ঝক্কর গাড়ী রাস্তায় যাত্রী বহন করিতে পারিবে না । এই বিষয়ে সকল মালিক শ্রমিককে নির্দেশনা দেওয়া হইয়াছে । প্রশাসনকেও ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য অনুরোধ জানানো হইয়াছে ।
৮। সিটিতে চলাচলরত গাড়ী দূরপাল্লায় যাত্রী নিয়ে না যাওয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হইয়াছে ।
৯। লাইসেন্সবিহীন/অপেশাদার চালক কোন যাত্রীবাহী বাস না চালানোর জন্য নির্দেশনা দেওয়া হইয়াছে।
১০। কোন অবস্থাতেই ঈদ বকশিশ বা অন্য যে কোন নামে যাত্রীদের কাছ থেকে কোন অতিরিক্ত অর্থ চাওয়া যাইবে না বলে সকলকে নির্দেশনা দেওয়া হইয়াছে।

তিনি আরো বলেন, আমরা উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করিয়া আসিতেছি যে, মাঝে মাঝে কিছু ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া প্রকৃত ঘটনা ও সঠিকভাবে অনুসন্ধান না করে সড়ক পরিবহন সেক্টরের মালিক-শ্রমিক নেতৃবৃন্দের নাম চাঁদাবাজির খবরের সঙ্গে সংযুক্ত করে শিরোনাম করা হচ্ছে। যাহা তথ্যভিত্তিক ও সত্য নয়। আমরা এ সব খবরের প্রতিবাদ পাঠালেও সংবাদে তা ছাপানো হয় না। যাহা দুঃখজনক এবং প্রকৃত সাংবাদিকতার পরিপন্থি বলে আমরা মনে করি।
বিগত ১৬ বৎসর পতিত স্বৈরাচার আওয়ামী সরকার সড়ক পরিবহন সেক্টরকে দলীয়করনসহ চাঁদাবাজীর স্বর্গরাজ্যে পরিনত করেছিল এবং সকল ক্ষেত্রে একটি বিশৃংখল অবস্থা সৃষ্টি করিয়াছে।

আমরা আপনাদের সদয় অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, গত ৫ আগষ্ট'২০২৪ এর পর ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের নামে সকল প্রকার চাঁদা বন্ধ ঘোষনা করা হইয়াছে । যাহা অদ্যাবধি বলবৎ আছে। শুধুমাত্র স্ব-স্ব পরিবহন কোম্পানী/কাউন্টার মালিকেরা তাহাদের নিজ নিজ পরিবহন পরিচালনার প্রয়োজনে মালিকদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরিচালনা ব্যায় মিটাইয়া থাতকেন। এ ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় মালিক সমিতি বা কেন্দ্রীয় শ্রমিক ফেডারেশন কোনভাবেই সংশ্লিষ্ট বা জড়িত
নয়।

কিন্তু লক্ষ্য করা গিয়াছে যে, স্ব-স্ব পরিবহন কোম্পানী/কাউন্টার পরিচালনার জন্য যে সকল অর্থ আদায় ও ব্যবসা পরিচালনার জন্য খরচ করেন সে সকল অর্থের পরিমান দৈনিক/মাসিক/বাৎসরিক আয় দেখিয়ে একটি বিশাল অংকের দায়ভার কেন্দ্রীয় মালিক সমিতি এবং কেন্দ্রীয় শ্রমিক ফেডারেশনের উপর দায়ভার দেখাইয়া কিছু কিছু সংবাদে খবর ছাপানো হয় । যাহা সম্পূর্ণ অসত্য এবং সঠিক তথ্য ভিত্তিক নয় বলিয়া আমরা মনে করি।

স্ব-স্ব পরিবহন কোম্পানী/কাউন্টার মালিকগন কোম্পানী আইনে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করিয়া থাকেন এবং আয়-ব্যয়ের হিসাবের জবাবদিহিতার দায়ভার তাদের নিজেদের। তারপরও আমরা সমিতিগতভাবে অবৈধ অর্থ আদায় বন্ধ করা বা চাঁদাবাজির নামে অতিরিক্ত কোন অর্থ যাহাতে গাড়ী থেকে আদায় না করা হয় তার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করি এবং ভবিষ্যতেও করিব।

উল্লেখিত বিষয়টি বিবেচনায় রাখার জন্য সকল সাংবাদিক ভাই ও বোনদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানাইতেছি।

আমরা পরিশেষে বলতে চাই, সড়ক পরিবহন দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সেক্টর। জাতীয় এই যোগাযোগ ব্যবস্থা ও পণ্য পরিবহনে অত্যান্ত গুরুত্ব ভূমিকা রাখিয়া থাকে। তাই এই সেক্টরকে শৃংখলায়ন, যানজটমুক্ত ও চাঁদাবাজমুক্ত গড়ে তোলার জন্য আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।

আপনাদের উপস্থিতি আমাদেরকে উৎসাহিত করেছে। ভবিষ্যতে আপনাদের সহযোগিতা এ সেক্টরের উত্তরোত্তর উন্নতির লক্ষ্যে কাজ করে যাব। প্রেস ব্রিফিং শেষে সকলকে অগ্রীম ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানান।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

লকডাউনে সব প্রকার যাত্রীবাহী ট্রেন বন্ধ থাকবে -রেলমন্ত্রী


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
শনিবার, ০৩ এপ্রিল, ২০২১, ১১:১৪
লকডাউনে সব প্রকার যাত্রীবাহী ট্রেন বন্ধ থাকবে -রেলমন্ত্রী

ফাইল ছবি: রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন

দেশে করোনা বেড়ে যাওয়ায় আবারও লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। লকডাউনের সময় জরুরি খাদ্যবাহী ট্রেন ছাড়া সব প্রকার যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন।

শনিবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে গণমাধ্যমকে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, লকউনের মুখ্য উদ্দেশ্য হচ্ছে জনগণের অবাধ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা ও সভা-সমাবেশ বন্ধ রাখা। এ জন্য জরুরি খাদ্যবাহী ট্রেন ছাড়া সব প্রকার যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।
 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

পিরিয়ডে পেটে ব্যথা হলে যে ৫ খাবার এড়িয়ে চলবেন



বৃহস্পতিবার, ২৫ মার্চ, ২০২১, ১২:৩৭
পিরিয়ডে পেটে ব্যথা হলে যে ৫ খাবার এড়িয়ে চলবেন

পিরিয়ডে পেটে ব্যথা হলে যে ৫ খাবার এড়িয়ে চলবেন

বেশিরভাগ নারীর ক্ষেত্রেই পিরিয়ডে পেটে ব্যথা দেখা যায়। নানারকম ওষুধ খেয়েও এই ব্যথা কমানো সম্ভব হয় না। আবার ব্যথার ওষুধ নিয়মিত খাওয়াও কোনো কাজের কথা নয়। তাইপরিবর্তন আনতে হবে খাদ্যাভ্যাস। এমন অনেক খাবার আছে যেগুলো এই সময়ে খেলে ব্যথা আরও বেড়ে যায়। তাই সেসব খাবার তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে। চলুন জেনে নেয়া যাক সেসব খাবারগুলো সম্পর্কে

চা ও কফি এড়িয়ে চলুন

চা ও কফি এমনিতে উপকারী। তবে অনেক নারীর ক্ষেত্রে পিরিয়ডের সময় চা কিংবা কফি খেলে পেটে ব্যথা আরও বেড়ে যায়। আপনিও যদি একই সমস্যায় ভোগেন তবে এই সময়টাতে চা ও কফি এড়িয়ে চলুন। তবে একেবারে বাদ না দিয়ে দিনে একবার খাওয়া যেতে পারে, এর বেশি নয়। এছাড়াও সব রকম কোমল পানীয় বাদ দিন এই সময়ে। এর ফলে পেটে ব্যথার সমস্যা কমবে অনেকটাই।

এড়িয়ে চলুন ফাস্টফুড

ফাস্টফুড জাতীয় খাবার সব সময়ই অপকারী। পিরিয়ডের সময় এই খাবার আরও বেশি এড়িয়ে চলা উচিত। এ ধরনের খাবার শরীরে নানা অস্বস্তি, পেটে ব্যথা অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। তাই পিজ্জা, বার্গার, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই কিংবা এ জাতীয় যেকোনো খাবার যতই ভালোলাগুক না কেন, এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। এর বদলে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস করুন। এতে পিরিয়ডের সময়েও সুস্থ থাকতে পারবেন।

লবণ থেকে দূরে থাকুন

খাবারের তালিকা থেকে লবণ একেবারেই বাদ দেবেন না। কারণ লবণ ছাড়া খাবার খাওয়া সম্ভব নয়। তবে পিরিয়ডের সময়ে চেষ্টা করুন লবণটা একটু কমিয়ে খেতে। খাবারের সঙ্গে বাড়তি লবণ নিয়ে খাওয়ার অভ্যাস থাকলেও তা বাদ দিতে হবে। অতিরিক্ত লবণ খাওয়া শরীরের জন্য মোটেই উপকারী নয়। এই সময়ে লবণ বেশি খেলে তা পেটের ব্যথা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই অতিরিক্ত লবণ এড়িয়ে চলুন।

দুধ পান থেকে বিরত থাকুন

দুধ পানের আছে অনেক উপকারিতা। কিন্তু পিরিয়ডের সময় দুধ পান করলে অনেকের পেটে ব্যথা হতে পারে। তাই অস্বস্তি এড়াতে এসময় দুধ পান করা থেকে বিরত থাকুন। দুধ ও দুধ জাতীয় খাবার এই সময়ে পেটে ব্যথা বাড়িয়ে তুলতে পারে। তাই এ ধরণের খাবার এই সময়ে এড়িয়ে চলুন।

চিনির অপকারিতা

চিনি আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য তেমন উপকারী নয় একথা সবারই জানা। এটি পিরিয়ডের সময় পেটে ব্যথার সমস্যা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। তাই পিরিয়ডের সময় চিনি খাওয়ার পরিমাণ একেবারেই কমিয়ে দিন। এই সময়ে মিষ্টি জাতীয় খাবার যত কম খাবেন ততই উত্তম।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

সর্বশেষ - ভ্রমন