নবীগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কে এক ব্যাক্তির রক্তাক্ত লাশ দেখতে পান স্থানীয় পথচারী। মৃত ব্যাক্তিটি উপজেলার ২নং পূর্ব বড় ভাকৈর ইউনিয়নের ছোট ভাকৈর গ্রামের মরহুম আবুল কালাম আজাদের বড় পুত্র মোঃ আলমগীর মিয়া (৪১) লাশ হিসাবে শনাক্ত করেন তার পরিবার।
(২০ জানুয়ারি) বুধবার ভোর রাতে ইনাতগঞ্জ পুলিশ ফাড়ির অফিসার ইনচার্জ সামছুদ্দিন খাঁন এর নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও লাশটি উদ্ধার করে।
পুলিশ লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে লাশ ময়না তদন্তে জন্য হবিগঞ্জ মর্গে প্রেরন করা হয়েছে।
ঘটনার খবর পেয়ে নবীগঞ্জ-বাহুবল সার্কেলর এ এসপি পারভেজ আলম চৌধুরী ঘটনাস্থলে আসেন।
এদিকে আলমগীর মিয়ার মৃত্যুতে তার বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। নিহতের পরিবারের দাবী তাকে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করে লাশ রাস্তার পাশে ফেলে রেখেছে। এবং এটাকে সড়ক দুর্ঘটনা হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার জন্য পরিকল্পনা করা হয়।
নিহত মোঃ আলমগীর মিয়ার ভাই রুনেল আহমেদ জানান, তার ভাই বেগমপুর গ্রামে একটি আত্মীয়র বাড়িতে গিয়েছিলেন।
রুনেল বলেন যেভাবে রাস্তায় আমার ভাইয়ের লাশকে ফেলে রাখা হয়েছে এবং শুধুমাত্র মাথায় আঘাত করা হয়েছে এটা পরিকল্পিত হত্যাকান্ড। যদি সড়ক দূর্ঘটনা হত তাহলে শুধু মাথায় আঘাত নয় সম্পূর্ণ শরীরে একাধিক স্পট থাকত। আমরা ভাইয়ের হত্যার বিচার চাই। আমরা হত্যা মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।
ইনাতগঞ্জ পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ সামছুউদ্দিন খাঁন জানান, রাতে কোন অজ্ঞাতনামা গাড়ী তাকে চাপাদিলেই ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে বলে আমরা প্রাথমিকভাবে ধারনা করছি। তার শরীরের বিভিন্ন অংশে সড়ক দুর্ঘটনার চিহ্ন রয়েছে। আমরা ধারনা করছি এটা একটি সড়ক দুর্ঘটনা তবে নিহত পরিবার যদি মামলা দায়ের করে সেটা তাদের ব্যাপার আমরা ময়না তদন্তের রিপোর্ট আসলে পরে বুঝতে পারবো এটা পরিকল্পিত হত্যা নাকি সড়ক দূঘটনা।
একুশে সংবাদ/ না.ই/এস
আপনার মতামত লিখুন :