ঢাকা মঙ্গলবার, ১৬ মার্চ, ২০২১, ২ চৈত্র ১৪২৭

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad
Janata Bank
Rupalibank

জুড়ী-লাঠিটিলা সড়কে কালভার্ট নির্মানে অনিয়ম: এলাকাবাসীর বাঁধা  


Ekushey Sangbad
মৌলভীবাজার  প্রতিনিধি
০৪:৩৫ পিএম, ১২ মার্চ, ২০২১
জুড়ী-লাঠিটিলা সড়কে কালভার্ট নির্মানে অনিয়ম: এলাকাবাসীর বাঁধা  

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার জুড়ী-লাঠিটিলা সড়কের নয়াবাজার এলাকায় কালভার্ট নির্মাণে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করা হচ্ছিল। নতুন ইটের পরিবর্তে পুরাতন ইট ব্যবহার করায় এলাকার লোকজনের সন্দেহ হয়। তাঁরা বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের জানান। জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের নিয়োজিত লোকদের কাজ বন্ধ রাখতে বলেন। কাজটি বাস্তবায়নের দায়িত্বে নিয়োজিত ঠিকাদারকে নিম্নমানের উপকরণ সরিয়ে নতুন করে ঢালাইকাজ করার জন্য নির্দেশ দেন। 

বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) এ ঘটনা ঘটে। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ) ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার জুড়ী-লাঠিটিলা এবং জুড়ী-ফুলতলা সড়কে আটটি বক্স কালভার্ট নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সওজ। প্রায় সাত কোটি টাকা বাজেটের এসব কাজ পান মৌলভীবাজারের ঠিকাদার সৈয়দ রেজাউর রহমান। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে নয়াবাজার এলাকায় কালভার্টে ঢালাইকাজ শুরু হয়। সেখানে পুরনো ইটের খোয়া ব্যবহার ও নিম্নমানের কাজ করা হচ্ছিল। এ বিষয়ে ঠিকাদারের নিয়োজিত শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বললে তাঁরা কোনো সদুত্তর পাননি। 

খবর পেয়ে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ মোঈদ ফারুক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল ইমরান রুহুল ইসলাম ও পূর্ব জুড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সালেহ উদ্দিন আহমদ সেখানে যান। সওজ অধিদপ্তরের মৌলভীবাজার কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী জিয়া উদ্দিনসহ কয়েকজন কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। 

সওজ অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী সুভাষ পুরকায়স্থ বলেন, সকালে গিয়ে নিম্নমানের ইটের খোয়া দেখে  ঢালাইকাজে ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন। 

ইউএনও আল ইমরান রুহুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, ঢালাইকাজে পাথরের বদলে ইটের খোয়া ব্যবহার হচ্ছিল। এ ছাড়া খোয়াগুলো ছিল খুবই নিম্নমানের। পরিত্যক্ত ইট ভেঙে এসব খোয়া তৈরি করা হয়। এ অবস্থায় তিনি কাজ বন্ধ রাখতে বলেন। বিষয়টি তৎক্ষণাৎ সওজ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের জানান। তাঁরা এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। এলাকাবাসীর সচেতনতার কারণে নিম্নমানের কাজটি ঠেকানো সম্ভব হয়েছে। 

কার্যাদেশে ঢালাইকাজে পাথর ব্যবহারের কথা উল্লেখ আছে বলে জানান সওজ অধিদপ্তরের মৌলভীবাজার কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী জিয়া উদ্দিন। তিনি বলেন, ইটের খোয়া দিয়ে যেটুকু ঢালাই হয়েছে, তা সরিয়ে ফেলতে ঠিকাদারকে বলা হয়েছে। খোয়া আর ব্যবহার করা হবে না। পাথর দিয়ে ঢালাই করা হবে।

ঠিকাদার সৈয়দ রেজাউর রহমানকে বারবার চেষ্টা করেও ফোনে পাওয়া যায় নি। তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।

একুশে সংবাদ/জ/আ