ঢাকা মঙ্গলবার, ১৬ মার্চ, ২০২১, ২ চৈত্র ১৪২৭

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad
Janata Bank
Rupalibank

ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতাটি এখন নিজেই রোগাক্রান্ত


Ekushey Sangbad
ফরিদপুর প্রতিনিধি 
০২:৫১ পিএম, ১৪ মার্চ, ২০২১
ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতাটি এখন নিজেই রোগাক্রান্ত

ফরিদপুর শহরের প্রানকেন্দ্রে ১৯১৭ সালে নির্মিতব্য শত বছরের জেনারেল হাসপাতালটি রহস্যজনক কারনে নিজেই রোগাক্রান্ত।  চিকিৎসক সংকট, জনবল সংকট, যন্ত্রপাতি সংকট, ঔষধ সংকট সবই সংকট এই জেনারেল হাসপাতালটিতে।

সাবেক ১৯ টি জেলার মধ্যে অন্যতম একটি জেলা ফরিদপুর। ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালটি বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত হাসপাতাল বলে পরিচিত, এই জেনারেল হাসপাতালটিতে বঙ্গবন্ধু রাজনৈতিক গ্রেপ্তার হয়ে ফরিদপুর কারাগার থেকে চিকিৎসা সেবা নিতেন বলে জানান প্রবীণ রাজনৈতিক নেতারা।

ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে একমাত্র এক্সরে মেশিনটি দীর্ঘ ৬ মাস ধরে নষ্ট হয়ে রয়েছে কিন্তু কোন মেরামতের উদ্যোগ নেই। আলট্রাসনোগ্রাম মেশিনটি ভালো থাকলেও নেই কোন কার্যক্রম ও নেই কোন ডাক্তার।

১০০ সজ্জা বিশিষ্ট এই হাসপাতালে কর্মকর্তার পদ রয়েছে ৩৭টি। বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন ১৭ জন। পদশূন্য রয়েছে ২০টি। অর্থাৎ মোট পদের ৪৬ ভাগ চিকিৎসক বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন। এই হাসপাতালে সিনিয়র ও জুনিয়র কনসালটেন্ট পদ রয়েছে ১২টি। এর মধ্যে কর্মরত আছেন মাত্র ৬ জন। প্রাচীন এই হাসপাতালটিতে প্রতিদিন ১ হাজার থেকে ১২ শত বিভিন্ন ধরনের রোগীরা চিকিৎসা সেবা নেবার জন্য ছুটে আসে কিন্তু চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন না ডাক্তারদের অভাবে, বাধ্য হয়ে রোগীরা হাসপাতাল এলাকায় একাধিক প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিতে যেতে হয় ।

বিশ্বস্ত সুত্রে জানা যায় জেনারেল হাসপাতালের আশে পাশে প্রায় ১৫/২০ টি বেসরকারী প্রাইভেট হাসপাতাল রয়েছে এদের সাথে ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কতিপয় কিছু ডাক্তারদের যোগসাযোকের কারনে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালটিকে পঙ্গু করে রেখেছে ।

দীর্ঘ ১০/১২ বছর ধরে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে কোন ডাক্তার বদলী হয়ে আসলেও পরবর্তীতে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চলে যায়।

ফরিদপুর এক্সরে মেশিন বিকল ও ডাক্তার শুন্যতা বিষয়ে ফরিদপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রধান সহকারী জালাল আহমেদ জানান, এক্সরে মেশিন মেরামত করার জন্য ও ডাক্তার শুন্যতা বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডিজি মহাদয় এবং পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) কে অবগত করা হয়েছে ।

এই বিষয়ে ঢাকা বিভাগ হাসপাতাল ও ক্লিনিক পরিচালক ফরিদ আহমেদ জানান , ফরিদপুরের সিভিল সার্জনের কার্যালয় থেকে সদর হাসপাতালের এক্সরে মেশিনটি বিকল হয়ে আছে দীর্ঘ দিন ধরে তা আমাকে অবগত করা হয় নাই এবং আমার নিকট নতুন এক্সরে মেশিনের জন্য কোন ডিমান্ড (আবেদন) করে নাই, আমাকে অবগত করলেই প্রয়োজনে নতুন এক্সরে মেশিনের ব্যবস্থা করা হবে।

একুশে সংবাদ/ রা.ক / এস