ঢাকা মঙ্গলবার, ১৬ মার্চ, ২০২১, ২ চৈত্র ১৪২৭

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad
Janata Bank
Rupalibank

সড়ক নয় যেন মরণফাঁদ!


Ekushey Sangbad
ফরিদপুর প্রতিনিধি
০৬:২৪ পিএম, ১৪ মার্চ, ২০২১
সড়ক নয় যেন মরণফাঁদ!

ফরিদপুরের জেলা-উপজেলার অনেক সড়ক যেন আজ মরণফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ভিতর কোথাও কোথাও চেনার কোন উপায় নেই যে এটি মাটির রাস্তা না পিচ ঢালা কোন পাকা সড়ক। 

এই সব সড়কে কোন রকম বৃষ্টির দেখা মিললে ঘটতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনা।

জেলা শহরের মুজিব সড়ক হয়ে সিএন্ডবি ঘাটে যাওয়ার সময় মাটির ট্রাক চলাচলের কারনে ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এই সড়কের লেক পার এলাকা থেকে ঘাট পর্যন্ত মাটির আস্তরনের কারনে মূল সড়ক গায়েব হয়ে গেছে। দেখে মনে হবে এটি একটি মাটির সড়ক। 


ওই এলাকার কোবাদ নামে একজন বলেন, এই সড়কের যা অবস্থা একটি বৃষ্টি হলে ঘটতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনা। তিনি বলেন অতিদ্রুত এইসব এলাকার ভাটা মালিকদের উচিত হবে সড়কের মাটি সড়িয়ে দেয়া।একই ভাবে অম্বিকাপুর সড়কে ইট ভাটার মাটি ট্রাকে নেওয়ার কারনে অনেক জায়গায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। 

এদিকে আলফাডাঙ্গা উপজেলার বানা ইউনিয়নের সড়কের একই অবস্থা। প্রথমে দেখে বোঝার উপায় নেই এটি পাকা না কাঁচা সড়ক। তবে সড়কের ওপর দিয়ে চলতে গেলে বুঝবেন সড়কটি পাকা। শনিবার (১৩ মার্চ) দুপুরে হঠাৎ বৃষ্টিতে সড়কের ওপর জমে থাকা মাটি ও ধুলোয় সড়কটির ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হয়। 

এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, এই সড়ক দিয়ে সবসময় ইটভাটার ট্রাক, ট্রাক্টর ও ভ্যান চলে। অতিরিক্ত মাটি নিয়ে চলাচল করায় ওইসব বাহন থেকে প্রতিনিয়তই মাটি সড়কের ওপর পড়ে জমে থাকে। দীর্ঘদিন পর বৃষ্টি হওয়ায় ওইসব মাটি কাদায় পরিণত হয়ে সড়কটি এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন এলাকার লোকজন।

সরেজমিনে দেখা যায়, শুধু এই সড়ক গুলোয় নয়, জেলা-উপজেলার বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ পাকা সড়ক এখন মাটির সড়কে পরিণত হয়েছে। বৃষ্টি হলে এই সব সড়কে সবচেয়ে দুর্ভোগে পড়তে পারেন মোটরসাইকেল চালকরা। 

অনেকের অভিযোগ, ইটভাটার যানগুলো ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত মাটি বহন করায় মাটি সড়কে পড়ে যায়। শুকনো মৌসুমে ওইসব মাটি ধুলোয় পরিণত হয় আর বর্ষায় কাদা। ফলে সারাবছরই তাদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। তাই জনগুরুত্বপূর্ণ এসব সড়কগুলোতে চলাচলের সুবিধার্তে এখনই ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান এলাকাবাসী। অন্যথায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা বৃষ্টি মৌসুমে তাদের। 

একুশে সংবাদ/ না. নি  এস