মঙ্গলবার ০৩ মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বঙ্গাব্দ
আইন

প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে ন্যায় বিচার ও ৪ কোটি টাকা উদ্ধার চেয়ে ব্যাবসায়ী ফখরুদ্দীনের সংবাদ সম্মেলন 

সাইফুল আলম ০২ মার্চ ২০২৬ ০৩:২২ পি.এম

ক্রাইম রিপোর্টরা এসোসিয়েশন, ঢাকা

সাইফুল আলম, ঢাকা: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে ন্যায় বিচার ও ৪ কোটি টাকা উদ্ধার চেয়ে ব্যাবসায়ী ফখরুদ্দীনের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় আজ ২ মার্চ ২০২৬ রোজ-সোমবার বেলা ১২টায় রাজধানী ঢাকার বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন (ক্র্যাব) মিলনায়তনে।  ঘটনার মূল হোতা ঢাকা ডিবি পুলিশের সাবেক এসি তারেক সেকান্দার (বর্তমানে এডিসি, রাঙ্গামাটি) সহ ১১ পুলিশ সদস্যে। বর্তমানে তাদের বিরুদ্ধে ঢাকা সিএমএম কোর্টে প্রায় ৪ (চার) কোটি টাকার ডাকাতি মামলা চলমান। বাদী ব্যাবসায়ী মোহাম্মদ ফখরুদ্দীন প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর কাছে ন্যায় বিচার ও টাকা উদ্ধার চেয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে আকুল আবেদন জানান। 

উক্ত সংবাদ সম্মেলনের তিনি জানান, আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী মোহাম্মদ ফখরুদ্দীন পেশায় একজন ব্যবসায়ী। আমি চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ ও বিভিন্ন বাজার থেকে সরাসরি ইমপোর্টারের নিকট হতে কসমেটিক আইটেম, থান কাপড় ক্রয় করে ঢাকার ইসলামপুর এবং চকবাজারে বিভিন্ন ব্যবসায়ীর নিকট সরবরাহ করে থাকি। গত ০৮/১১/২০২৫ ইং তারিখ রাত অনুমান ১১:৩০ ঘটিকার সময় আমার ৩৮ নং ওয়ারীর বাসায় মহানগর ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে গোয়েন্দা পুলিশের এসি তারেক সেকেন্দার (বর্তমানে এডিসি রাঙ্গামাটি) এর নেতৃত্বে ১১ সদস্যের পুলিশ একটি টিম আমার বাসায় আসে। ১৩ বছরের একটি মেয়েকে অপহরণ করে রাখা হয়েছে এই কথা বলে জোরপূর্বক বাসায় ঢুকে বাসা তল্লাশি করে”। 

বাসা তল্লাশির নামে আলমারিতে রাখা বুধবার, বৃহস্পতিবার, শুক্রবার ও শনিবার এই ০৪ দিনের মোট ৩,৭৫,২৩,০০০/- টাকা ৭/৮ ব্যাগ ভর্তি করে ডাকাতি করে নিয়ে যায় এবং ৬,০০,০০০/- টাকা জাল নোট ঢুকিয়ে আমার নিজস্ব ০২ জন কর্মচারীকে ধরে নিয়ে আসে ওয়ারী থানায় মিথ্যা মামলা দেয় । সেই সঙ্গে আমার ব্যবসার সকল কাগজপত্র ও নথিপত্র ডাকাতরা ডাকাতি করে নিয়ে যায়। 

আমি ঘটনার সময় ব্যক্তিগত প্রয়োজনে মালেয়শিয়ায় অবস্থান করছিলাম। দেশে ফিরে আমি টাকা উদ্ধারের জন্য ঢাকা মহানগর ডিবি কার্যালয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিকট যোগাযোগ করে টাকা উদ্ধারে ব্যর্থ হয়ে গত ০৮/০২/২০২৬ ইং তারিখ আমি ঢাকা সিএমএম কোর্টে ডিবির এসি তারেক সেকেন্দার, ১১ পুলিশ সদস্যসহ মোট ১৩ জনের বিরুদ্ধে একটি সিআর মামলা করি। যাহার মামলা নং ৪৫/২৬ , ধারা দন্ডবিধির ৩৯৫/৩৯৭/৩৪ ধারায় ডাকাতির মামলা। ডাকাতদের মধ্যে ০১ জনের জাল টাকার মামলায় রাজসাক্ষী হিসাবে আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারার জবান বন্দি রয়েছে, পরবর্তীতে তাকে আমার মামলায় সাক্ষী করা হয়। 

বিজ্ঞ আদালত মামলার সকল কাগজপত্র, নথিপত্র পর্যালোচনা করে মামলাটি গ্রহণ করে এবং পুলিশ সুপার পদমর্যদার কোন কর্মকর্তাকে তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য ডিআইজি পিবিআইকে নির্দেশ দেন। মামলার বাদী মোহাম্মদ ফখরুদ্দীন বংশ পরম্পরায় একজন ব্যবসায়ী। ব্যবসার মূলধন হারিয়ে আমি আজ দিশেহারা। আমি ন্যায় বিচার ও টাকা উদ্ধারের জন্য আপনারা সংবাদিকদের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে ন্যায় বিচার ও টাকা উদ্ধার চেয়ে এই সংবাদ সম্মেলনে  উপস্থিতি ছিলেন বাদী ব্যাবসায়ী মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন, এডভোকেট নুরুজ্জামান ইকবাল, সিএমএম কোর্ট, এডভোকেট নূরে আলম, সিএমএম কোর্ট এবং এডভোকেট ফোরকান, সিএমএম কোর্ট।


এই সম্পর্কিত আরও খবর

আরও পড়ুন